Showing posts with label Street food. Show all posts
Showing posts with label Street food. Show all posts
উপকরণ:
দুধ ১ লিটার,
চিনি ২০০ গ্রাম,
ফুডকালার সামান্য (ইচ্ছা হলে),
দইয়ের বীজ (আগের দই) ২ টেবিল-চামচ, বা টক দই-২ টেবিল চামচ
মাটির হাঁড়ি একটি।
প্রণালি:
দুধে ১ কাপ পানি মিশিয়ে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিতে হবে। ১ লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে ৭৫০ মিলিলিটার হলে দই ভালো হয়। মিষ্টি দইয়ের ক্ষেত্রে চিনি দিয়ে দুধ মাঝেমধ্যে নাড়তে হবে। দুধ ঘন হলে চুলা থেকে নামিয়েও নাড়তে হবে। কিছুটা ঠান্ডা হলে মাটির হাঁড়িতে ঢেলে দইয়ের বীজ বা টক দই দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিতে হবে। পাঁচ-ছয় ঘণ্টা পর দই জমে যাবে। ঠান্ডা হওয়ার জন্য ফ্রিজে তুলে রাখুন ঘরে পাতা মিষ্টি দই। কিশমিশ দিয়ে পরিবেশন করা যায় ডেজার্ট হিসেবে।
উপকরণঃ
১. বেগুন পাতলা করে কাটা-১২ পিছ,
২. ছোলার ডালের বেসন ৩ টেবিল চামচ,
৩. তেল-১ কাপ/পরিমান মতন,
৪. আদা বাটা ১ চা চামচ,
৫. রসুন বাটা ১/২ চা চামচ,
৬. শুকনা মরিচের গুড়া-১/২ চা চামচ,
৭. লবন পরিমাণ মতন।
প্রণালীঃ
প্রথমে ৩ টেবিল চামচ বেসন ২ কাপ পানিতে মিশান। এরপর একে একে সব মসলা তাতে দিয়ে ঘন লেই তৈরী করুন। তারপর গরম তেলে পাতলা করে কাটা বেগুন মাখান বেসনে চুবিয়ে মচমচে করে ভাজুন। লক্ষ্য রাখবেন যেন কাটা বেগুনের গায়ে ভালমতন বেসন লাগে। সস্ বা পেয়াজ দিয়ে পরিবেশন করুন।
ইতিহাসঃ
আমাদের দেশে যে ধরনের মোগলাই পরোটা আমরা খাই সেগুলোর নাম মোগলাই পরোটা হলেও এগুলোকে পুরোপুরি মোগলাই খাবার বলা যায় না। কারণ সরাসরি মুঘল হেঁসেল থেকে এই রেসিপিটি আসেনি। মুঘল আমলে যে মোগলাই পরোটা বানানো হতো তাতে খাসীর কিমা দেয়া হতো পুর হিসাবে। প্রচুর মশলা দিয়ে খাসীর কিমা রান্না করে সেটা পরোটার ভেতরে ভাঁজে ভাঁজে ভরে ঘিয়ে ভাজা হতো। আর ভাজার জন্যও ছিলো বিশাল আকৃতির তাওয়া। ওই ধরনের পরোটাগুলোকে এখন কিমা পরোটা বলা হয়। পরবর্তিতে ঐ কিমা দেয়া মোগলাই পরোটা তৈরির পদ্ধতিটাই কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে ডিম দিয়ে বানানোর প্রচলন শুরু হয়। আর ঘিয়ে ভাজার বদলে ভাজা হয়ে থাকে তেল দিয়ে।
উপকরণঃ
ময়দা ৩ কাপ
ডিম ৫টি
তেল/ঘি ২ টেবিল চামচ (ময়দা মাখানোর জন্য)
পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
কাঁচা মরিচ কুচি পরিমাণমতো
লবণ পরিমাণ মত
প্রস্তুত প্রণালীঃ
প্রথমে ময়দা, লবণ ও তেল একসাথে ময়ান করে পানি দিয়ে নরম ডো বানিয়ে আধা ঘন্টা রেখে দিন।
পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, ডিম ও লবণ এক সঙ্গে ফেটে নিন।
এরপর পিঁড়িতে তেল মেখে ময়দার ডো নিয়ে হাল্কা তেল মাখিয়ে রুটির মত বেলতে হবে। এই রুটি একটা ছোট হাফ প্লেটে তুলে নিন। তাহলে মাঝে ডিম দিয়ে ভাঁজ করতে সুবিধা হবে।
হাল প্লেটে রাখা রুটির মাঝে ফেটানো ডিম ছড়িয়ে দিয়ে চার পাশ থেকে চার ভাঁজে ভাঁজ করে নিতে হবে। ভাঁজটা এমন হতে হবে যেন ভেতরের ডিম বাইরে বেরিয়ে না আসে। প্লেটে থাকার কারণে রুটির মাঝে হাল্কা গর্ত থাকবে, তাই ডিম বের হয়ে যাবে না।
এবার সাবধানে পরোটা তেলে দিয়ে দিন। ছড়ানো ফ্রাই প্যানে ভাজলে দিতে সুবিধা হবে। ডুবোতেলে হালকা বাদামি করে পরোটা ভেজে নিতে হবে। ভেতরে ডিম রান্না হয়ে গেলে পরোটা ফুলে ফেঁপে উঠবে। খুব বেশি জ্বাল থাকলে কিন্তু ডিম ভেতরে কাঁচা রয়ে যাবে।
পরোটা তেল ঝরিয়ে কিচেন টিস্যুতে রাখতে হবে।
ছুরি দিয়ে ছোট ছোট করে কেটে সালাদ বা সসের সাথে পরিবেশন করতে হবে।
উপকরনঃ
ব্যাটার বা জিলাপি তরল কাই’ এর জন্যে---
ময়দা- ১ কাপ
বেসন- ১ চা চামচ
গরম পানি-৩/৪ কাপ
তেল- এক টেবিল চামচ
ইস্ট- ১ চা চামচ
এলাচ গুড়ো- ১ চা চামচ
দই- ১ টেবিল চামচ (অপশনাল)
হলুদ রঙ/ জর্দা রঙ- সামান্য
সিরার জন্যে---
চিনি- দেড় কাপ
পানি- ১ কাপ
এলাচ গুড়ো- ১/৪ চা চামচ
লেবুর রস- ১ চা চামচ
প্রনালি-
১ একটি বড় পাত্রে ময়দা, এলাচ গুড়ো, বেসন, হলুদ রঙ/ জর্দা রঙ ও ইস্ট
মেশান... ইস্ট কুসুম গরম পানিতে গুলিয়ে ৫-১০ মিনিট পর ময়দার মিশ্রণে দিতে হবে...
২. এবার ময়দার মিশ্রণে তেল, দই ও ৩/৪ কাপ পানি দিয়ে মাখাতে হবে...মিশ্রণটি এমন স্মুথ হতে হবে যাতে মিশ্রণে কোন দানা না থাকে...
খেয়াল রাখতে হবে যাতে মিশ্রণটি খুব পাতলাও না হয় আবার খুব ঘনও না হয়...
৩. যদি আপনার ওভেন থাকে তাহলে পাত্রটিকে ঢেকে ওভেনের ভেতর রাখুন... ওভেন চালু করতে হবে না... শুধুমাত্র বদ্ধ ও গরম অবস্থার জন্যে এটা করতে হবে...
৪. যদি ওভেন না থাকে তাহলে ডাবল বার্নার গ্যাসের চুলার মাঝখানে পাত্রটিকে মুখ ঢেকে চুলার বার্নার জ্বালিয়ে হাল্কা তাপে রাখুন... এ ব্যবস্থাও যদি না থাকে তাহলে একটি বড় পাত্রে হাল্কা গরম পানি নিয়ে তাতে পাত্রটির মুখ ঢেকে ডুবিয়ে রাখুন...
৩ অথবা ৪ এর অবস্থায় পাত্রটিকে ৩০ মিনিট রাখুন... এর ফলে পাত্রের মিশ্রণটি ঘনত্বে প্রায় দেড়গুন বা তার বেশি বাড়বে...
৫. ১৫ মিনিট পর লেগে যান জিলাপির সিরা তৈরির কাজে... একটি পাত্রে চিনি ও পানি জ্বাল দিন... এবং ১৫ মিনিট রান্না করুন যাতে সিরা একটু চটচটে হয়...
৬. এবার চুলার তাপমাত্রা কমিয়ে এলাচ গুড়ো ও লেবুর রস দিন (লেবুর রস চিনির সিরাকে ক্রিস্টালে পরিনত হতে দেবেনা)... চুলার কমিয়ে রাখুন...খেয়াল রাখবেন যাতে সিরা বেশি চটচটে না হয়...
৭. ৩০ মিনিট পর জিলাপির কাই বের করুন এবং নেড়েচেড়ে নিন
৮. এখন বড় একটি পাত্রে তেল গরম করতে থাকুন... পাইপিং ব্যাগে অথবা পাইপিং ব্যাগ না থাকলে পরিষ্কার মোটা পলিথিনের ব্যাগে জিলাপির কাই নিন...
৯. এরপর গরম তেলে পাইপিং ব্যাগ/ পলিথিনটি নিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিতে ২ ইঞ্চি ডায়ামিটারে জিলাপি ছাড়ুন...উল্টেপাল্টে দুইপাশ সমান তাপে ভাজুন...
১০. খুন্তি দিয়ে তুলে নিয়ে তেল ঝরিয়ে সরাসরি সিরার পাত্রে দিয়ে দিন... দুইপাশ ভালোমত সিরায় মাখান... এরপর পরিবেশন পাত্রে তুলে নিন...
১১. পরিবেশন করুন গরম অথবা ঠান্ডা করে... সংরক্ষন করতে চাইলে এয়ার টাইট কন্টেইনারে রাখতে পারেন... রেফ্রিজারেশন ছাড়া এই জিলাপি ১ সপ্তাহ ফ্রেশ থাকবে... উপরের উপকরন দিয়ে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ টি জিলাপি হবে
উপকরণঃ
পুরির জন্যঃ ময়দা ২ কাপ, লবণ পরিমান মত, বেকিং পাউডার আধা চা চামচ, তেল ভাজার জন্য।
পুরের জন্যঃ আলু সেদ্ধ আধা কাপ, মটর ডাল সেদ্ধ ১ কাপ, কাঁচা মরিচ কুচি আধা চা চামচ, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,তেঁতুলের সস ১ টেবিল চামচ, চিনি ১ চা চামচ, চটপটি মসলা ১ চা চামচ, ভাজা জিরার গুঁড়া আধা চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, বিটলবণ সামান্য।
শসা কুচি ১ কাপ, টমেটো কুচি ১/২ কাপ
প্রণালীঃ
১. পুরির উপকরণ থেকে ময়দা, বেকিং পাউডার ও লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে চালুনিতে চেলে নিন। ১ টেবিল চামচ তেল গরম করে ময়দার সঙ্গে ভালো করে মেখে নিন। প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে ময়দা মেখে লেচি কেটে নিন। পছন্দমতো আকারে পুরি তৈরি করে ডুবোতেলে ভেজে তুলুন।
২. পুরের উপকরণগুলো ভালো করে মেখে পুর তৈরি করুন।
৩. প্রতিটি পুরি অর্ধেক করে কেটে এতে পুর ভরে দিন। তারপর শসা, টমেটো ও বিটলবণ দিন। তারপর গরম গরম পরিবেশন করুন।
উপকরণ:
•ময়দা- ৩ কাপ
•বেকিং পাউডার- ১ টেবিল চামচ
•লবন- সামান্য
•ডিম -৪ টি
•চিনি -১/২ কাপ
•দুধ -১/২ কাপ
•মাখন গলানো- ১/৩ কাপ
•তেল ভাজার জন্য- পরিমানমত চকলেট ফ্লেভার দিয়ে সাজাতে চাইলে-
•সাজানোর জন্য সুইট বল- ১ প্যাকেট
•গলানো চকলেট – ১ কাপ
প্রণালী:
একটি বাটিতে ডিমের সাথে চিনি নিয়ে ভালভাবে ফেটে নিন।
এতে দুধ ও মাখন ঢেলেডিমের সাথে মিশিয়ে নিন ।
একটি সমান পাত্রে ময়দা,বেকিং পাউডার,লবন এক সাথে চেলে নিয়ে মিশিয়ে ফেলুন।
ডিমের সাথে ময়দা ভালো করে মিশিয়ে ফ্রিজে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের জন্য রেখে দিন।
এবার ডোটিকে ফ্রিজ থেকে বের করে ময়দা ছিটিয়ে খামির ৫ মি.মি.পুরু ছোট রুটির মতো বেলে ফেলুন।
ডোনাট কাটার বা গোল ধারালো যেকোন বোতলের ক্যাপ দিয়ে কেটে নিন।
২০ মিনিটের জন্য কাটা ডোনাট গুলো গরম কোন জায়গায়রেখে দিন।
চুলায় তেল গরম করে ডুবো তেলে ডোনাট ভেজে কাগজ বা টিস্যুর উপর রাখুন।মিহি গুঁড়ো চিনিতে গড়িয়ে নিতে পারেন গরম থাকতে থাকতেই। তাতে দেখতে খুবসুন্দর লাগবে। চকলেট দিতে চাইলে একটু ঠাণ্ডা করে গলিত চকলেট উপরে মাখিয়েনিন।
সুইট বল গুলো ছিটিয়ে দিন।
গরম বা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন মজার স্বাদের ডোনাট।
উপকরণ :
মাংসের কিমা ১ কাপ,
আলু আধা কেজি,
পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ,
গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ,
বিট লবণ ১ চা-চামচ,
লবণ স্বাদমতো,
সয়াসস ১ চা-চামচ,
গরম মসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ,
আদা বাটা আধা চা-চামচ,
রসুন বাটা সিকি চা-চামচ,
পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ,
কাঁচা মরিচ কুচি ২ টেবিল চামচ,
পুদিনাপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ,
ডিম ১টি ফেটানো,
টোস্টের গুঁড়া দেড় কাপ,
তেল প্রয়োজনমতো।
প্রণালি :
আলু সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে গরম অবস্থায় চটকে নিয়ে তাতে বেরেস্তা, গোলমরিচের গুঁড়া, লবণ, বিট লবণ দিয়ে মাখিয়ে ৮-১০ ভাগ করে রাখতে হবে। মাংসের কিমা সয়াসস, গরম মসলার গুঁড়া, আদা বাটা, রসুন বাটা ও সামান্য লবণ দিয়ে অল্প পানিতে সেদ্ধ করে নিতে হবে এবং সামান্য তেলে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ কুচি ও পুদিনাপাতা দিয়ে ভেজে নিতে হবে। আলুর মধ্যে কিমার পুর ভরে পছন্দমতো চপের আকার করে ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে ও টোস্টের গুঁড়ায় গড়িয়ে নিয়ে ডুবোতেলে চপগুলো বাদামি রং করে ভাজতে হবে।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ২ জুলাই ২০১৩

উপকরণ :
চানা ৫০০ গ্রাম,
পেঁয়াজ কুচি ১/৪ কাপ,
পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ,
আদা বাটা ১চা চামচ,
রসুন বাটা ১ চা চামচ,
জিরাগুঁড়া ১ চা চামচ,
ধনেগুঁড়া ১ চা চামচ,
কাচামরিচ ৫/৬টি,
ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ,
টমেটো কুচি ১টি,
সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ ও লবণ স্বাদমতো।
প্রস্তুত প্রণালি :
চানা সারারাত পানিতে ভিজিয়ে লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। কড়াইতে সরিষার তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি হালকা বাদামি করে ভেজে টমেটো কুচি, বাটা ও গুড়ামসলা দিয়ে মসলা কষিয়ে নিন। মসলা কষানো হলে সেদ্ধ করা চানা কষিয়ে অল্প পরিমাণ পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করুন। মসলার সঙ্গে চানা মিশে এলে কাঁচামরিচ ও ধনেপাতা কুচি ছিটিয়ে মুড়ির সঙ্গে পরিবেশন করুন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ২ জুলাই ২০১৪

উপকরণ :
সিদ্ধ আলু ৫০০ গ্রাম, পানি ঝরানো টক দই ২৫০ গ্রাম, কর্নফ্লাওয়ার আধা কাপ, পাকা টমেটো ২০০ গ্রাম, কচি শসা ২০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কিউব করে কাটা ৪ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ২ চা চামচ, টালা মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, টালা জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, চাট মসলা ১ টেবিল চামচ, বিট লবণ আধা চা চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, চিনি ১ টেবিল চামচ, সয়াবিন তেল ১ কাপ।
যেভাবে তৈরি করবেন :
১. আলু সিদ্ধ করে গরম থাকতে চটকে নিন। এবার আলুর সঙ্গে অর্ধেক জিরার গুঁড়া, গোলমরিচ গুঁড়া, স্বাদমতো লবণ দিয়ে মেখে নিন।
২. আলুর মিশ্রণ থেকে পরিমাণমতো নিয়ে গোলাকার চ্যাপ্টা চাপ বানিয়ে কর্নফ্লাওয়ারে গড়িয়ে নিন। এরপর চুলায় তেল গরম হওয়ার পর দুই পিঠ বাদামি করে ভেজে নিন।
৩. পানি ঝরানো টক দই, বাকি জিরা গুঁড়া, চাট মসলা, টালা মরিচ গুঁড়া, চিনি, স্বাদমতো লবণ, বিট লবণ দিয়ে মেখে নিন।
৪. টমেটো ও শসা বিচি ফেলে ছোট কিউব করে কেটে নিন। টমেটো, শসা, পেঁয়াজ কিউব, কাঁচা মরিচ কুচি, ধনেপাতা কুচি সামান্য লবণ দিয়ে মেখে নিন।
৫. একটি ছড়ানো থালায় ভাজা চপগুলো রেখে প্রতিটির ওপর প্রথমে দইয়ের মিশ্রণ দিন। তার ওপর টমেটোর মিশ্রণ দিন। এবার সামান্য জিরা গুঁড়া ও চাট মসলা ওপরে ছড়িয়ে পরিবেশন করুন মজাদার আলুর চাট।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ৭ জুলাই ২০১৪

উপকরণ :
মটর ৫০০ গ্রাম,
আলু ২৫০ গ্রাম,
ডিম ২টি,
তেঁতুলের ক্বাথ আধা কাপ,
চিনি আধা কাপ,
সিরকা ৩ টেবিল চামচ,
শসা ৫০০ গ্রাম,
টেমেটো ৫০০ গ্রাম,
পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ,
কাঁচা মরিচ স্বাদমতো,
ধনেপাতা ২ টেবিল চামচ,
লবণ স্বাদমতো,
খাবার সোডা ১ চা চামচ,
টালা শুকনো মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ,
শুকনা মরিচ ৮টি,
জিরা ১ টেবিল চামচ,
ধনে ১ টেবিল চামচ,
মেথি ১ চা চামচ,
কালো গোলমরিচ ৮টি,
কালিজিরা ১ চা চামচ,
মৌরি ২ চা চামচ,
রাঁধুনি ১ টেবিল চামচ,
লবঙ্গ ৫টি,
পাঁচফোড়ন ১ চা চামচ,
বিট লবণ গুঁড়া দেড় চা চামচ।
যেভাবে তৈরি করবেন :
১. মটর বেছে ধুয়ে ১ চা চামচ খাবার সোডা দিয়ে ৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন।
২. ভিজানো মটর ভালো করে ধুয়ে মটরের চার গুণ পানি দিয়ে সিদ্ধ করুন।
৩. ডিম ও আলু সিদ্ধ করে ঝুরি করুন।
৪. সব মসলা টেলে গুঁড়া করে বিট লবণ গুঁড়া মিশিয়ে নিন।
৫. তেঁতুলের ক্বাথ সঙ্গে আধা কাপ চিনি, স্বাদমতো লবণ, আধা চা চামচ মরিচের গুঁড়া, ১ চা চামচ ভাজা জিরার গুঁড়া, ১ টেবিল চামচ তেল ও সামান্য পানি দিয়ে জ্বাল করুন।
৬. সব একসঙ্গে মেখে সাজিয়ে ওপরে মসলা ছিটিয়ে পরিবেশন করুন।
রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ৭ জুলাই ২০১৪


