উপকরণ:
ময়দা ৮০ গ্রাম
ডিম ৪ টি
চিনি ১০০ গ্রাম
সাদা তেল ১৫ মিলি
কোকো পাউডার ২০ গ্রাম
মাখন ১০০ গ্রাম
প্রণালী:
Enter your email address below to subscribe to our newsletter.
Download more awesome themes for your blogger platform #templatetrackers Follow us @ Google+ and get weekly updates of new templates we release regularly

বেকারির মতো করে তৈরি করুন। আশা করি ছোট বড় সকলেরই ভালো লাগবে। রেসিপি দিয়েছেন- ইশরাত সুলতানা।
ময়দা আধা কাপ ও ৬ টেবিল-চামচ। কোকো পাউডার ৬ টেবিল-চামচ। ডিম ১টি। চিনি ১ কাপ। লবণ ১/৪ চা-চামচ। তরল দুধ আধা কাপ। তেল ১/৪ কাপ। গরম কফি আধা কাপ। বেকিং পাউডার আধা চা-চামচ। ডার্ক চকলেট গলিয়ে নেওয়া ১/৪ কাপ।
একটি বাটিতে ময়দা, চিনি, কোকো পাউডার, বেকিং পাউডার ও লবণ মিশিয়ে রাখুন। আরেকটি পাত্রে ডিম, দুধ, চকলেট ও তেল মিশিয়ে নিন। এবার ময়দার মিশ্রণ দিয়ে দিন। ভালো করে মিশিয়ে গরম কফি ঢেলে মেশান। এবার কেকের পাত্রে ঢেলে ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ৩০ মিনিট বেইক করুন। হয়ে গেলে ঠাণ্ডা করে তিন ভাগ করে কেটে রাখুন।
মাখন ১০০ গ্রাম। আইসিং সুগার ১ কাপ। খুব ঠাণ্ডা তরল দুধ ১/৩ কাপ। কফি পাউডার আধা চা-চামচ। গলানো চকলেট ২ চা-চামচ।
মাখন একটু বিট করে নিন। এবার মাখনের সঙ্গে অল্প অল্প করে আইসিং সুগার ও দুধ মিশিয়ে ভালোভাবে বিট করে নিন। চকলেট ক্রিমের জন্য কিছু ক্রিমের সঙ্গে কফি আর চকলেট মিশিয়ে নিন। ফ্রিজে রাখুন এক ঘণ্টা।
প্রথমে এক ভাগ কেক নিয়ে চকলেট ক্রিম দিন। কিছু গলানো চকলেট দিন। আরেক ভাগ কেক রেখে সাদা ক্রিম দিন। এবার শেষ ভাগ কেক রেখে সাদা ক্রিম দিয়ে সাজিয়ে উপরে গলানো চকলেট দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন দারুণ মজার চকলেট পেস্ট্রি।
উপকরণ
ময়দা বা আটা আধা কাপ।
গুঁড়া চিনি আধা কাপ।
ডিম ২টি। তরল দুধ ৪ টেবিল-চামচ।
গুঁড়াদুধ ১ টেবিল-চামচ।
ভেনিলা এসেন্স ১ টেবিল-চামচ।
বেকিং পাউডার আধা চা-চামচ।
বেকিং সোডা ১ চিমটি।
তেল এককাপের তিনভাগের একভাগ।
পদ্ধতি
তেল আর চিনি একসঙ্গে মিশিয়ে নিন এতে একটি ডিম ফেটে দিন। খুব ভালো করে মেশান। যদি সম্ভব হয় ইলেকট্রিক বিটার ব্যবহার করুন। কাঁটাচামচ-ও ব্যবহার করতে পারেন।
এবার ভ্যানিলা এসেন্স যোগ করুন। বেকিং পাউডার আর সোডা মিশিয়ে বিট করতে থাকুন। এবার স্প্যচুলা কিংবা ননস্টিকি চামচ দিয়ে ময়দা মিশিয়ে দিন। সব ময়দা একেবারে না দিয়ে অল্প অল্প করে দিন আর বিট করতে থাকুন।
এবার গুঁড়াদুধ আর তরলদুধ যোগ করে স্প্যাচুলা দিয়ে নেড়ে দিন এতে মিশ্রণটা শিথিল হবে।
যে ছাঁচে কেক বসাবেন সেটার বাইরের অংশ ফয়েল পেপার দিয়ে মুড়ে দিন। কিংবা মেটালে ছাঁচ ব্যবহার না করে কাপকেকের জন্য কাগজের ছাঁচ ব্যবহার করতে পারেন।
এবার কেক-এর মিশ্রণটি ছাঁচে ঢেলে দিন। উপরের দিক একটু জায়গা রেখে ভরবেন যেন ফুলে ওঠার জন্য কাপে জায়গা থাকে।
স্টিমারের ভেতর কাপ কেকগুলো দিয়ে দিন এবং ঢেকে দিয়ে। ১০ মিনিট ভাপ হতে দিন। কেক ফুলে ওঠার সময় বুদবুদ হয়ে ফুলবে। ১০ মিনিট পর যখন কেক ফুলে যাবে তখন চিকন টুথপিক কিংবা চিকন কিছু ঢুকিয়ে দেখুন ভেতরটা তৈরি হয়েছে কি না।
যদি কাঠিটা উঠানোর পর পরিষ্কার থাকে তাহলে কেক হয়ে গেছে। আর যদি না হয় তাইলে আরও কিছুক্ষন ভাপ দিন।
স্টিমের জন্য যা করবেন: এখানে রাইস কুকার ব্যবহার করা হয়েছে। প্রথমে রাইস কুকারে পানি ভরে দিন। এরপর ভেতরে যেপাত্রটি আলাদা দেওয়া থাকে (streaming bowl বলা হয়) সেটা পানি ভরা রাইস কুকারে বসিয়ে দিন। পানি ফুটতে দিন।
পানি ফুটে উঠলে কেকগুলো ওই বাটিতে (steaming bowl) বসিয়ে দিন। পানি ফুটানো আর কাপকেক ভাপে দেওয়াসহ মাত্র ১৫ থেকে ১৮ মিনিটে হয়ে যায় কেক।
এই পরিমাণ মিশ্রণে পাঁচটি কাপকেক হবে।
ব্ল্যাক ফরেস্ট কেক এর রেসিপিটি তৈরি করেছেন রন্ধনশিল্পী নাদিয়া নাতাশা।
উপকরন:
– ডিম আলাদা করে সাদা অংশ ফোম করে চিনি এড করে তারপর কুসুম দিয়ে বিট করুন। শুকনো উপকরণগুলো একসাথে মিশিয়ে চেলে নিয়ে ডিমের সাথে রাইস কুকারের প্লাস্টিক চামচ বা হাতল দিয়ে ভালভাবে মিশিয়ে নিন।
– এবার পাত্রে ঢেলে পাত্রটি ভালভাবে মেঝেতে বাড়ি দিয়ে ওভেনের দিয়ে ১৫০ ডিগ্রী তাপে ২০ -২৫ মিনিট বেক করুন বা কাঠি ঢুকিয়ে দেখে নিন। হওয়ার পর ঠান্ডা করে এটিকে ফ্রিজে রেখে দিন ৫ – ৬ ঘণ্টা। তাহলে মাঝে কাটতে সুবিধা হবে।
– এবার এটিকে বের করে কেঁটে ক্রিম লাগিয়ে ইচ্ছামতো ডেকোরেশন করুন।
উপকরণ :
ডোয়ের জন্য
– ১ কাপ দই
– ১ কাপ চিনি
– ১ টি অরেঞ্জ খোসা কোরানো
– ১ কাপ ময়দা
– ১ কাপ সুজি
– আধা কাপ নারকেল গুঁড়ো
– আধা কাপ তেল
– ৩ টি ডিম
– ২ চা চামচ বেকিং পাউডার
– ২ চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স
সিরাপের জন্য
– ২ কাপ চিনি
– ২ কাপ পানি
– ১ টেবিল চামচ লেবুর রস
– একটু জাফরান
যেভাবে করবেন
-ডিম ও চিনি একসাথে ফেটে নিন ভালোকরে।
-অন্য একটি পাত্রে টকদই, ভ্যানিলা, অরেঞ্জ এর খোসা কোরানো, তেল, সুজি, নারকেল মিশিয়ে নিন ভালো করে।
– এবার এতে ময়দা ও বেকিং পাউডার মিলিয়ে নিন ভালো করে মিশিয়ে এখন ডিম এর মিশ্রণ মিলিয়ে নিন। আবার ৪-৫ মিনিট ভালো করে মিক্সড করুন।
-এবার একটি গ্রিজ প্রুফ ডিস এ মিশ্রনটি ঢেলে ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন।
-পরে প্রিহিট ওভেনে ১৮০ তে ৩০-৪০মিনিট বেক করুন।(২০ মিনিট বেক করে কাজু বসিয়ে দিন) বাসবুসার উপরে ব্রাউন হলে ওভেন থেকে নামিয়ে নিন।
– এবং ঠান্ডা করে তারপর বেকিং ডিশ এ রেখেই টুকরা করে কেটে সিরা ঢেলে দিন। সিরা সম্পূর্ণ শুষে নিলে পরিবেশন করুন।
পুরের জন্য
- ১/৪ কাপ মসুর ডাল
- ১ চিমটি হলুদ গুঁড়ো
- আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়ো
- ১/৪ চা চামচ মরিচগুঁড়ো
- ২ টি পেঁয়াজকুচি
- ২ টি কাঁচা মরিচ
- তেল পরিমাণ মতো
- লবণ স্বাদমতো
ডো তৈরির জন্য
- ১ কাপ ময়দা/আটা
- ২ টেবিল চামচ তেল
- স্বাদমতো লবণ
- কুসুম গরম পানি পরিমাণ মতো
- ভাজার জন্য তেল
- একটি প্যানে তেল গরম করে এতে পেঁয়াজকুচি দিয়ে নরম করে ভেজে নিন। এরপর এতে পুরের বাকি সব উপকরন দিয়ে খানিকক্ষণ মসলা ও ডাল কষিয়ে ১ কাপ বা তার বেশি পরিমাণ পানি দিয়ে ডাল রান্না করুন।
- ডাল সেদ্ধ হয়ে নরম হয়ে গেলে পানি শুকানো পর্যন্ত রান্না করে নিন। ডাল একেবারে শুকনো হবে। কোনো পানি থাকবে না। এরপর ডাল ঠাণ্ডা হলে হাতে মেখে পুর তৈরি করে নিন।
- এরপর একটি পাত্রে ময়দা ও লবণ নিয়ে মিশিয়ে এতে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে ময়দা ভালো করে হাতে মিশিয়ে নিন। তেল ময়দার সাথে মিশে গেলে ময়দা খাস্তা হবে।
- তারপর পরিমাণ মতো পানি দিয়ে রুটি বেলার মতো ডো তৈরি করে নিন। ডো থেকে ছোটো ছোটো বল তৈরি করে নিন। এরপর একটি করে বল হাতে নিয়ে তালুতে রেখে এমনভাবে চ্যাপ্টা করে ছড়িয়ে নিন যাতে মাঝখানটুকু একটি মোটা থাকে।
- এরপর মোটা অংশে পুর দিয়ে পাশের অংশগুলো দিয়ে পুর ভালো করে ঢেকে গোল বলের আকার দিন। লক্ষ্য রাখবেন বলের ভেতরে যেনো কোনো বাতাস না থাকে। এভাবে সবগুলো বল তৈরি করে নিন।
- এরপর রুটি বেলার পিঁড়িতে ছোটো ছোটো গোল করে সাবধানে বেলে পুরির আকার দিন। খেয়াল রাখবেন ভেতরের ডাল যেনো বেড়িয়ে না পড়ে।
- একটি প্যানে ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল গরম করে একটি একটি করে পুরি দুপাশ লালচে সোনালী করে ভেজে একটি কিচেন টিস্যুতে তুলে রাখুন। এতে বাড়তি তেল ঝরে যাবে।
- এভাবে সব ভাজা হয়ে গেলে পরিবেশন পাত্রে সাজিয়ে সস, তরকারীর ঝোলের সাথে পরিবেশন করুন এবং মজা নিন ঘরে বানানো সুস্বাদু ‘ডালপুরি’র।
ক) খামিরের জন্য
ময়দা ১ কাপ,
তেল দেড় টেবিল চামচ
লবণ ১/৪ চা চামচ
গুড়ো দুধ ২ টেবিল চামচ (না দিলেও হবে)
পানি পরিমাণমতো।
খ) লেয়ারের জন্য
তেল ১ কাপ
ঘি ১/৪ কাপ
গ) ছিটানোর জন্য
ময়দা ১ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ১ কাপ, তেল ১ টেবিল চামচ
- ক এর সমস্ত উপকরণ (ময়দা, তেল, গুঁড়ো দুধ, লবণ ও পরিমাণমতো পানি) একসাথে মিশিয়ে ভালো করে ময়ান করে ঢেকে রাখুন ২/৩ ঘণ্টা।
- লেয়ার তৈরির ঘি ও তেল এক সাথে মিক্স করে একটি বাটিতে রাখুন।
-ছিটানোর জন্য ময়দা, কর্নফ্লাওয়ার ও তেল মিশিয়ে প্রলেপ এর জন্য রেখে দিন।
-এবার একটি পিড়িতে তেল মাখিয়ে খামিরকে যতটুকু সম্ভব খুব পাতলা রুটি বেলে নিন।
-রুটিতে লেয়ারের তেল দিয়ে এর উপর ছিটানোর ময়দার মিশ্রণ ছিটিয়ে দিন। রুটিকে দুই ভাঁজ করে আবার তেল দিয়ে ময়দা ছিটিয়ে দিন। এভাবে আবার করুন।
-এবার ভিডিওতে দেখানো পদ্ধতি অনুসরণ করে বাকরখানি তৈরি করুন।
-ওভেন ট্রেতে ঘি ব্রাশ করে ১৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ প্রি-হিট করে ২০/২৫ মিনিট বেক করে নিন।
-ব্যাস, তৈরি আপনার বাকরখানি।
• চিনি- ২ কাপ,
• বাদাম- আড়াই কাপ,
• মাখন- ৭ টেবিল চামচ।
পাত্রে চিনি নিয়ে মিডিয়াম আঁচে গলতে দিন।
কাঠের চামচ দিয়ে নাড়তে থাকুন যেন লেগে না যায়। সামান্য একটু গরম পানি যোগ করতে পারেন।
সব চিনি গলে ক্যারামেল গেলে বাদাম ও মাখন দিয়ে দিন।
চামচ দিয়ে ভালো মতো নেড়ে মিশিয়ে নিন।
একটি ট্রে তে আগে থেকেই মাখন মাখিয়ে রাখুন।
এবার ট্রে তে বাদামের মিশ্রণ ঢেলে ঢেলে কাঠের চামচ (মাখন মাখানো) দিয়ে সমান করে দিন।
*গরম থাকতেই ছুরি দিয়ে পছন্দ মত আকারে কেটে ফেলুন। এরপর ঠান্ডা হতে দিন।
...এয়ার টাইট কৌটায় বেশ কিছু দিন সংরক্ষণ করতে পারবেন ফ্রিজ ছাড়াই।
মিষ্টির জন্য:
গুড়ো দু্ধ এক কাপ
ডিম ১ টি (প্রয়োজনে আরেকটি ডিমের অর্ধেক)
ঘি ১ চা চামচ
বেকিং পাউডার ১/২ চা চামচ
ময়দা ১/২ চা চামচ
রসের জন্য:
দুধ ১ লিটার
চিনি পরিমান মত
গুড়ো দুধ/কনডেন্সড মিল্ক ১/২ কাপ (কনডেন্সড মিল্ক না খাওয়াই ভালো ভেজাল এ ভরা)
এলাচি ৩/৪ টি
দারচিনি ১ টি (ইচ্ছা)
পেস্তা বাদাম ও কিসমিস পরিমান মত (ইচ্ছা)
জাফরান ছোট এক চিমটি ১ চা চামচ গোলাপজলে ভিজানো (ইচ্ছা)
যেভাবে করবেন:
লিকুইড দুধ চুলায় বসিয়ে নাড়তে থাকুন, চিনি দিন কনডেন্সড মিল্ক ব্যবহার করলে চিনি বুঝে দিন, এবার গুড়ো দুধ/কনডেন্সড মিল্ক এবং এলাচি ও দারচিনি দিয়ে দুধ নাড়তে নাড়তে কমিয়ে প্রায় অর্ধেকের একটু বেশী থাকা অবস্থায় চুলা একদমই কমিয়ে ঢেকে রাখুন।
একটি পাত্রে গুড়ো দু্ধ, বেকিং পাউডার, ময়দা মিশিয়ে চালনি দিয়ে চেলে নিন, তারপর ঘি ও ডিম(বড় ডিম হলে ১টি দিয়েই হবে) দিয়ে সুন্দর করে মাখিয়ে একদম সফট/আঠালো টাইপ ডো বানান, যদি মনে হয় ১টি ডিম এ ডো একদম সফট/আঠালো টাইপ হয়নি তাহলে আরো একটু ডিম দিন। এবার হাতে ঘি লাগিয়ে আপনার পছন্দ মত শেপ দিন ডো টাকে, মিষ্টি বানানো শেষ হলে চুলায় থাকা দুধের আঁচ বাড়িয়ে দিন এবং সব মিষ্টি ও জাফরান দিয়ে ১০/১৫ মিনিট অল্প আঁচে রান্না করুন এবং নামিয়ে ঢেকে রাখুন। গরম ভাবটা চলে গেলে ফ্রিজে রাখুন এরপর ঠান্ডা রসমালাই পেস্তা ও কিসমিস দিয়ে পরিবেশন করুন

If you can't feed a hundred people, then feed just one. - Mother Teresa
Copyright @ #DesiFood
designed by Template Trackers Published..Blogger Templates