
Showing posts with label Qurbani Eid Special. Show all posts
Showing posts with label Qurbani Eid Special. Show all posts
উপকরণ :
খাসির রান ১ পিস,
টক দই ২ টেবিল চামচ,
রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ,
পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ কাপ,
সাদা গোলমরিচ ১/২ চা চামচ,
বাটার অয়েল ১ কাপ,
পেঁয়াজ কুচি ২ টেচিল চামচ,
গুঁড়া মরিচ ১ চা চামচ,
চিনি ১ টেবিল চামচ,
মিষ্টি দই ২ টেবিল চামচ,
আদা বাটা ২ টেবিল চামচ,
জাফরান রঙ অল্প,
জিরা বাটা ১/২ চা চামচ।

প্রণালি :
খাসির রান, টক দই, মরিচ, জাফরান রঙ ও লবণ মাখিয়ে ১ ঘণ্টা রেখে তেজে ভাজতে হবে। পাত্রে বাটার অয়েল ও বাটা মসলা দিয়ে ৭ মিনিট কষাতে হবে। এবার খাসির রান দিয়ে সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করতে হবে। সবশেষে চিনি দিন।
উপকরণ:
কিমা ২৫০ গ্রাম (খাসির বা গরুর),
ভিনেগার ১ টেবিল-চামচ,
আদাবাটা আধা চা-চামচ,
রসুনবাটা আধা চা-চামচ,
গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ,
শুকনা মরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ,
লবণ স্বাদমতো,
পানি দেড় কাপ।

প্রণালি:
ওপরের সব উপকরণ দিয়ে কিমা সেদ্ধ করে পানি শুকিয়ে নিতে হবে।
সালাদের জন্য যা যা লাগবে:
পানি ঝরানো টক দই ১ কাপ,
আপেল কিউব ১ কাপ,
শসা কিউব আধা কাপ,
পুদিনাপাতা কুচি ১ টেবিল-চামচ,
ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল-চামচ,
টমেটো কিউব আধা কাপ,
গাজরের কিউব আধা কাপ,
কাঁচা মরিচের কুচি (বিচি ফেলে নেওয়া) ১টা,
ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল-চামচ,
লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ,
লবণ স্বাদমতো,
চিনি স্বাদমতো,
গোলমরিচের গুঁড়া স্বাদমতো,
তেঁতুলের চাটনি ১ টেবিল-চামচ।
প্রণালি:
দইয়ের সঙ্গে পুদিনাপাতা,
ধনেপাতা,
লেবুর রস,
লবণ,
চিনি,
গোলমরিচ,
তেঁতুলের চাটনি দিয়ে মিলিয়ে ঠান্ডা (ঠান্ডা পরিবেশন) করে নিতে হবে।
পরিবেশনের আগে
দইয়ের মিশ্রণ দিয়ে কিমা সেদ্ধ, আপেল, শসা, গাজর, টমেটো ও কাঁচা মরিচের কুচি মিলিয়ে নিতে হবে। এবার সার্ভিং ডিশে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
উপকরণ :
মোরগ (১ কেজি) ১ টি,
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ,
রসুন বাটা ১ চা চামচ,
পেঁয়াজ কুচি কোয়ার্টার কাপ,
ধনে বাটা বা গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ,
এলাচ ৪ টি,
দারচিনি ২ সেন্টিমিটার ৩ টুকরো,
দই আধা কাপ,
ঘি পৌনে এক কাপ,
কেওড়া ১ টেবিল চামচ,
সেমাই ৪ কাপ,
পানি ১-২ কাপ,
গোলমরিচ আধা চা চামচ,
লবণ স্বাদমতো।

প্রণালী :
মোরগের মাংস ৮ টুকরো করুন। ঘিয়ে পেঁয়াজ ভেজে মাংস দিয়ে ২ মিনিট ভাজুন। মাংসে বাটা মসলা, গরম মসলা, লবণ ও দই দিয়ে কষান। টকদই হলে ২ চা চামচ চিনি আর মিষ্টি দই হলে একটি লেবুর রস দিন। ঢেকে মৃদু জ্বালে কোরমা রান্না করুন। পানি শুকালে কেওড়া দিয়ে মাংস কষান। ঘিয়ের উপরে উঠলে নামান। হাড় থেকে মাংস ছাড়িয়ে রাখুন। সেমাই ৪ সেন্টিমিটার লম্বা টুকরো করুন। কোরমার মসলায় সেমাই দিয়ে ভাজুন। পানি দিয়ে নাড়তে থাকুন। পানি শুকালে মাংস দিয়ে নেড়ে মৃদু আঁচে দমে রাখুন। নামিয়ে গোলমরিচের গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন।
উপকরণ :
গরুর মাংস ৫০০ গ্রাম,
আদা ২ চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ,
লাল মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ,
সিরকা আধা কাপ,
লাল শুকনা মরিচ ৫-৬টি,
কাঁচামরিচ আস্ত ৮-১০টি,
এলাচ ও দারুচিনি ২টি করে,
তেজপাতা ২টি,
লবণ স্বাদ অনুযায়ী,
চিনি ১ চামচ
পেঁয়াজ কিউব করে কাটা ১ কাপ।
প্রস্তুত প্রণালি :
প্রথমে গরুর মাংস ভালো করে ধুয়ে নিন। একটি পাতিলে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজের টুকরা গরম মসলা এবং তেজপাতা দিয়ে হালকা করে ভেজে একে একে তাতে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। তারপর তাতে গরুর মাংস দিয়ে আরেকবার কষিয়ে কিছুক্ষণ চুলায় রেখে তাতে সিরকা, চিনি, কাঁচা ও শুকনা মরিচ, পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে প্রায় আধা ঘণ্টা রান্না করে পরিবেশন করুন।

(আটজনের জন্য পরিবেশন)
উপকরণ :
গরুর মাংস আধা কেজি,
আদা ১ টেবিল-চামচ,
গাজর,
বরবটি,
আলু ও মটরশুঁটি কুচি করা ২ কাপ,
রসুন ১ চা-চামচ,
লবণ আধা চা-চামচ,
সয়াসস ২ টেবিল-চামচ,
ডিম সেদ্ধ ২টি,
গোলমরিচ ১ চা-চামচ,
জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ,
কাঁচা মরিচ গুঁড়া করা রুচিমতো,
পেঁয়াজ বেরেস্তা আধাকাপ,
ডিম দুটি,
মুড়ির গুঁড়া প্রয়োজনমতো,
মুরগির মাংসের টুকরা কয়েকটি,
মাখন ১০০ গ্রাম,
সাদা তিল পরিমাণমতো লবণ পরিমাণমতো,
সয়াবিন তেল প্রয়োজনমতো।

প্রণালি :
মাংস ছোট টুকরা করে কেটে আদা, রসুন, সয়াসস ও লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে চপার মেশিনে চপ করে অথবা বেটে নিতে হবে। সবজিগুলো কুচি করে সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। ডিম সেদ্ধ কুচি করে নিতে হবে। এবার মাংস সেদ্ধ, সবজি, ডিম, গোলমরিচ, জিরার গুঁড়া, কাঁচামরিচ, মাখন ও মুরগির মাংসের টুকরা সামান্য পানি দিয়ে গুলিয়ে একসঙ্গে ভালোভাবে মাখাতে হবে। এখন গোল গোল মিটবল বানাতে হবে। ১ কাপ মুড়ির গুঁড়া, ১ টেবিল-চামচ তিল দিয়ে মিশিয়ে রাখতে হবে। মিটবলগুলো ডিমে চুবিয়ে মুড়ির গুঁড়ায় গড়িয়ে ডুবো তেলে ভেজে গরম গরম পরিবেশন করুন।
উপকরণ:
মুরগির মাংস ২ কাপ,
গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ,
টকদই আধা কাপ,
সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ,
আদা বাটা ১ চা-চামচ,
কাবাব মসলা আধা চা-চামচ,
রসুন বাটা আধা চা-চামচ,
লবণ ১ চা-চামচ,
মেথি গুঁড়া সিকি চা-চামচ,
ক্রিম ৩ টেবিল চামচ।
প্রণালি:
মুরগির মাংস ১ ইঞ্চি লম্বা ও ১ ইঞ্চি চওড়া করে কেটে নিতে হবে। বুকের টুকরা হলে ভালো হয়। ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মাংসের সঙ্গে মাখিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। শিকে গেঁথে কয়লার আগুনে ঝলসে নিতে হবে।
উপকরণ :
মাংসের কিমা ১০০ গ্রাম,
মুরগির কিমা ৫০ গ্রাম,
কাশ্মীরি লং ৫০ গ্রাম,
এলাচ বাটা চা চামচের চার ভাগের এক ভাগ,
ধনেপাতা ৫ গ্রাম,
কাঁচামরিচ কুচি ৩টি,
শাহি জিরা ২টি,
পনির ৫০ গ্রাম ও লবণ পরিমাণমতো।

প্রস্তুতি প্রণালি :
প্রথমেই মাংসের কিমা ও অন্যসব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার মুরগির কিমা ধনেপাতা, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে মেখে নিন। একটি শিকের নিচের অর্ধেকে মুরগির কিমা এবং ওপরের অর্ধেকে মাংসের কিমা লাগিয়ে নিয়ে ওভেন অথবা তান্দুরে রেখে কাবাবের কালার আসা পর্যন্ত রেখে দিন। সবশেষে শিক থেকে ছাড়িয়ে পরিবেশন করুন মাংস এবং মুরগির তৈরি মজাদার স্বাদের কাবাব চুপা রুস্তম।
উপকরণ :
খাসির মাংস ৫০০ গ্রাম,
আদা বাটা আধা টেবিল চামচ,
রসুন বাটা ১ চা চামচ,
পেঁয়াজ বাটা সিকি কাপ,
হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ,
মরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ,
জিরার গুঁড়া আধা চা-চামচ,
ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ,
পোস্তদানা বাটা আধা টেবিল চামচ,
তেল সিকি কাপ,
ঘি ১ টেবিল চামচ,
লবণ ১ থেকে দেড় চা-চামচ অথবা স্বাদ অনুযায়ী।
কাঁচা মরিচ ৮টি,
তেজ পাতা ১টি,
দারচিনি ২ টুকরা,
এলাচ ২টি,
দেশি পেঁয়াজ মিহি টুকরা আধ কাপ,
আলু ৪টি,
কেওড়া জল ১ টেবিল চামচ।
প্রণালি :
খাসির মাংস টুকরো করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। হাঁড়িতে তেল গরম করে দারচিনি, এলাচ ও তেজপাতার ফোড়ন দিয়ে আঁচে পেঁয়াজ বাদামি করে ভাজুন। এবারে মাংস ও লবণ দিয়ে তা ১০-১৫ মিনিট ভেজে নিন।
মাংস ভাজা হলে তাতে পোস্তদানা বাটা ও জিরার ফাঁকি বাদে অন্যান্য বাটা মসলা দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে ঢেকে দিন। ১০-১৫ মিনিট পর ঢাকনা খুলে ১ কাপ গরম পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে কিছুক্ষণ রান্না করুন ও ঢেকে দিন। আলুগুলো ছিলে লম্বালম্বি মাঝখান থেকে কেটে ২ টুকরা করে দিন। পানি শুকিয়ে এলে আরও ১ থেকে দেড় কাপ গরম পানি দিয়ে আলু এবং ৪টি কাঁচা মরিচ দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন। ১০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে জিরাগুঁড়া ও পোস্তদানা বাটা দিয়ে নেড়ে আবারও ঢেকে দিন।
আলু সেদ্ধ হয়ে গেলে আঁচ কমিয়ে ঢাকনা খুলে প্রয়োজন হলে আরও সামান্য পানি দিয়ে নেড়ে বাকি কাঁচা মরিচ ও কেওড়া দিয়ে হালকা নেড়ে ঢেকে দিন। মাংস মজে তেল অল্প ছাড়লে ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন। ১০ মিনিট পর চুলা বন্ধ করে দমে রাখুন কিছুক্ষণ। গরম গরম পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করা যাবে।
উপকরণ :
- বাসমতি চাল ১ কেজি,
- খাসির মাংস (ছোট টুকরো করে কাটা) ২ কেজি,
- পেঁয়াজ কুঁচি ৭টি,
- আদা রসুন বাটা ২ চা চামচ,
- গরম মশলা গুঁড়া ১ চা চামচ,
- শুকনা মরিচ ৫টি,
- দারুচিনি ৩ টুকরো,
- দই ২ কাপ (ফেটানো),
- এলাচ ৫টি, গোল মরিচ ৮টি,
- লবঙ্গ ৮টি, শাহীজিরা ১ চা চামচ,
- হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ,
- জাফরান সামান্য সঙ্গে আধা কাপ দুধ,
- ধনে বা পুদিনাপাতা কুঁচি ১ চা চামচ,
- আলুবোখারা,
- কিসমিস,
- বাদাম,
- শুকনো ফল,
- ঘি,
- লবণ স্বাদ মতো
প্রণালী :
পাত্রে ঘি গরম করে আলুবোখারা, কিসমিস, বাদাম, শুকনো ফল একটু লবণ দিয়ে ভেজে তুলুন। এবার পেঁয়াজ বেরেস্তা করে নিন। দই, আদা পেঁয়াজ-রসুন-পেস্ট, হলুদ গুঁড়া ও লবণ দিয়ে মাংস মেরিনেট করে রাখুন। একটি পাত্রে ঘি গরম করে মাংস দিয়ে রান্না করুন। এবার অন্য একটি পাত্রে ঘি গরম করে গোটা মশলাগুলো কিছুক্ষণ ভেজে চাল দিন। এখন লবণ দিয়ে পরিমাণ মতো গরম পানি দিয়ে পোলাও রান্না করুন। লক্ষ রাখবেন যেন পোলাও কিছুটা কম সিদ্ধ হয়। বড় একটি পাত্রে প্রথমে কিছু পোলাও তারপর মাংস দিয়ে একটু একটু গরম মসলার গুঁড়া দিন, এভাবে কয়েকটি লেয়ার করুন। জাফরান ভেজানো দুধ দিয়ে দিন। সবশেষে ভাজা আলুবোখারা, কিসমিস, বাদাম, শুকনো ফল দিন এবার ২০ মিনিটের জন্য চুলার আচঁ কমিয়ে পাত্রের মুখে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন। নওয়াবি বিরিয়ানি সার্ভিং ডিশে তুলে ওপরে ধনে বা পুদিনাপাতা কুঁচি ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।
উপকরণ :
মাংস দেড় কেজি, পেঁয়াজ দেড় কেজি, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, জিরা বাটা ১ চা-চামচ, ধনে বাটা ১ চা-চামচ, মরিচ বাটা ১ চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, ঘি ১ কাপ, টক দই আধা কাপ, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, গোটা টমেটো ৪টি, লবণ পরিমাণমতো, গরম মসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ, দারুচিনি ৪ টুকরা, এলাচি ৪টি, তেজপাতা ২টি, কাঁচা মরিচ ৫-৬টি।
প্রণালি :
দই দিয়ে মাংস ১ ঘণ্টা মাখিয়ে রাখতে হবে। ঘি গরম করে অর্ধেক পেঁয়াজ ভেজে উঠিয়ে রাখতে হবে। ওই ঘিতে সব মসলা কষিয়ে বাকি পেঁয়াজ ও মাখানো মাংস দিয়ে অল্প আঁচে ঢেকে রান্না করতে হবে। মাঝে মাঝে নেড়ে দিতে হবে। মাংসের পানিতে মাংস সেদ্ধ হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে ঝোল কমে গেলে গরম মসলার গুঁড়া, টমেটো সস, কাঁচা মরিচ, ভাজা পেঁয়াজ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে।

উপকরণ :
গরুর হাড়ছাড়া মাংস ৫০০ গ্রাম পাতলা ফিতার মতো করে কেটে নিতে হবে।
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ,
রসুন বাটা ২ চা চামচ,
পেঁপে বাটা আধা কাপ,
পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ,
পেস্তদানা বাটা ২ চা চামচ,
বাদাম বাটা ২ চা চামচ।
লবণ স্বাদ অনুযায়ী,
সরিষার তেল পরিমাণমতো,
লাল গুঁড়া মরিচ ১ টেবিল চামচ,
গরম মসলা বাটা ২ টেবিল চামচ
এবং টক দই ২০০ গ্রাম।
প্রস্তুত প্রণালি :
প্রথমে গরুর মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ছেঁকে নিয়ে পাতলা করে কেটে তাতে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা, লবণ, টক দই এবং সরিষার তেল মাখিয়ে প্রায় ১ দিন ফ্রিজে রেখে দিন। তারপর মাংসগুলো শিকে গেঁথে কয়লার চুলোয় নিজের পছন্দ অনুযায়ী সেঁকে নিয়ে সার্ভিং ডিশে সাজিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম শিককাবাব।
উপকরণ :
গরুর পেছনের রানের চাকা মাংস ১ কেজি,
তেল আধা কাপ,
লেবুর রস বা সিরকা ৩ টেবিল চামচ,
লবণ স্বাদমতো,
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ,
গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ,
পেঁয়াজ (মিহি স্লাইস) ১ কাপ,
গরম মসলা বাটা ১ চা-চামচ।
প্রণালি :
হাড় ও চর্বি ছাড়িয়ে মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। মাংসের সঙ্গে সিরকা অথবা লেবুর রস এবং আদা বাটা মিশিয়ে মেখে নিন। একটি স্টিলের ট্রেতে মাংস নিয়ে চারপাশ উল্টেপাল্টে ভালো করে কেচে নিন। এভাবে কেচে তিন-চার ঘণ্টা রেখে দিন। এক ঘণ্টা অন্তর মাংস বের করে চারপাশ ভালো করে কেচে নেবেন। ম্যারিনেট হয়ে গেলে ভালো করে কয়েকবার ধুয়ে নিয়ে ডুবো পানিতে সেদ্ধ করে নিন। মাংস উঠিয়ে গোলমরিচের গুঁড়া ও গরম মসলা বাটা দিয়ে মেখে নিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে মাংসের চাকা দিয়ে এপিঠ-ওপিঠ করে ভালো করে ভেজে নিন। নামিয়ে কেটে সালাদ ও বাকরখানি বা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন। তাক্কা ১০-১২ দিন রেফ্রিজারেটরে রেখে খাওয়া যায়।

উপকরণ :
বিফ বনলেস ১ কেজি,
গরুর চর্বি ১০০ গ্রাম,
লবণ পরিমাণমতো,
পেঁপে (পাকা) দুই টেবিল চামচ,
গরম মসলা ১ চামচ,
জিরা গুঁড়া ১ চামচ,
ধনিয়া ১ চামচ,
আদা-রসুন পেস্ট ২ চামচ,
লাল মরিচ গুঁড়া ২ চামচ,
পেঁয়াজ মিডিয়াম সাইজ দুটি।
ধনিয়া পাতা,
পুঁদিনা পাতা
ও কাঁচা মরিচ ৪-৫টি।
শুকনা মরিচ ব্লেন্ড পরিমাণমতো।
প্রস্তুত প্রণালি :
প্রথমে ১ কেজি পুরোটা ধুয়ে নিন (আস্ত থাকা অবস্থায়)। তারপর ছোট ছোট পিস করে নিন। এর সঙ্গে চর্বিও ছোট ছোট পিস করে মিশিয়ে নিন। এরপর সব মসলা দিয়ে ম্যারিনেট করতে হবে। তারপর এটাকে ব্লেন্ডারে দুই রাউন্ড দিয়ে কিমা করে নিন। তারপর ১ ঘণ্টার জন্য রেখে দিন। শিকের মধ্য দিয়ে সুতা পেঁচিয়ে দিন। অতপর গ্রিলে দিতে হবে। বাদামি কালার হওয়া পর্যন্ত রাখতে হবে। এরপর গরম গরম পরিবেশন করুন। দেশি ঘ্রাণ চাইলে বাটার লাগিয়ে দিতে পারেন। নান বা পরোটার সঙ্গে খেতে পারেন।
উপকরণ :
বিফ আধা কেজি,
আদা-রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ,
টক দই ২ টেবিল চামচ,
হলুদ,
মরিচ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ,
পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ,
ভিনেগার ১ টেবিল চামচ,
পাউরুটি টুকরা ২টি,
ডিম ১টি, তেল,
লবণ পরিমাণ মতো।
প্রস্তুত প্রণালি :
বিফ ব্লেন্ড করে নিন। এতে আদা-রসুন বাটা, সামান্য টক দই, লবণ, হলুদ, মরিচ, ভিনেগার দিয়ে মেরিনেট করে রাখুন ২-৩ ঘণ্টা। এরপর এতে পেঁয়াজ কুচি, পুদিনা পাতা, মরিচ কুচি, পানিতে ভেজানো পাউরুটি দিয়ে মাখিয়ে ছোট ছোট বল করে ডিমে চুবিয়ে তেলে ভেজে নিন। এরপর একটি কড়াইতে সব মসলা কষিয়ে বলগুলো দিয়ে নেড়ে পরিবেশন করুন।
উপকরণ :
মাংসের কিমা ২ কাপ,
আদা বাটা ১ চা-চামচ,
রসুন বাটা আধা চা-চামচ,
পেঁপে বাটা ১ টেবিল চামচ,
কাজুবাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ,
কিশমিশ বাটা ১ টেবিল চামচ,
পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ টেবিল চামচ,
বাদামকুচি ১ চা-চামচ,
কাঁচা মরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ,
লবণ স্বাদমতো, ডিম ১িট,
জয়ফল-জয়ত্রী গুঁড়া আধা চা-চামচ,
কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ,
কাঠি কয়েকটা
ভাজার জন্য ঘি ৩ টেবিল চামচ
ও তেল ১ টেবিল চামচ।
প্রণালি :
কিমার সঙ্গে সব উপকরণ মেখে কাঠিতে জড়িয়ে নিন। এবার কড়াইয়ে ঘি ও তেল গরম করে ভেজে নিন।

উপকরণ :
গরুর মগজ ১টি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, কাঁচামরিচ ৬-৭টি, এলাচ, দারুচিনি ২-৩ টুকরা, লবণ পরিমাণ মতো, তেল আধা কাপ।
প্রস্তুত প্রণালি :
মগজ পরিষ্কার করে নিয়ে আধা ভাঙা করে চটকে নিন। এবার কাঁচামরিচ ও তেল ছাড়া সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে নিন। প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে লাল করে ভেজে মগজ ছেড়ে দিন। ভালো করে নাড়তে থাকুন। কাঁচামরিচ দিন। সামান্য পানি দিন। পানি শুকিয়ে গেলে যখন তেলের ওপরে উঠে আসবে। তখন নামিয়ে পরিবেশন করুন।

উপকরণ :
হাড্ডি ছাড়া গরুর মাংস কিউব করে নিতে হবে ১ কেজি,
নারিকেল পাউডার ২ টেবিল চামচ,
ধনে গুঁড়া ১ টেবিল চামচ,
জিরা গুঁড়া ২ টেবিল চামচ,
গরম মসলা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ,
মরিচ গুঁড়া ২ টেবিল চামচ,
শুকনা মেথিপাতা ১ টেবিল চামচ,
গরুর চর্বি ২০০ গ্রাম,
পুদিনা পাতা ৫০ গ্রাম,
ধনেপাতা ৫০ গ্রাম,
কাঁচামরিচ ৫টি,
আদা-রসুন আস্ত ২০ গ্রাম।

প্রস্তুত প্রণালি :
সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে কিমা করে নিতে হবে। তারপর শিকে ভরে কয়লার চুলায় সেঁকতে হবে। বারবার উল্টিয়ে নিতে হবে।
রেসিপিটি জানেন না কেন বললাম?
কারণ এই রেসিপিটি একটু ভিন্ন স্বাদের, অনেকটা তাওয়া ফ্রাই স্টাইলে তৈরি করা, তবে মশলায় আছে একটুখানি বৈচিত্র্য আর সাথে আছে একটুখানি টুইস্ট। যেহেতু উচ্চ তাপে তাওয়ায় রান্না করা হবে খাবারটি, তাই একে আমরা কলিজার তাওয়া ফ্রাই বলতে পারি। চলুন, তাহলে জেনে নেওয়া যাক কলিজার তাওয়া ফ্রাই করার রেসিপি!
উপকরণ-
যে কোন কলিজা- ২৫০ গ্রাম
পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ
আদা ও রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচের
একটু কম করে
কাশ্মীরি মরিচ গুঁড়ো- স্বাদ অনুযায়ী
হলুদ- সামান্য
ধনে গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ
লবণ স্বাদ অনুযায়ী
ফ্রেশ গরম মসলা গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ
ফ্রেশ জায়ফল ও জয়ত্রী- ১ চিমটি করে
পেঁয়াজ বেরেস্তা প্রয়োজন মত
ঘি ৩ টেবিল চামচ
কাঁচা মরিচ ও আদার মিহি কুচি স্বাদ
অনুযায়ী
তেল প্রয়োজন মত
সাদা গোলমরিচ গুঁড়ো- ১/৪ চা চামচ
টমেটো ও পিঁয়াজ কুচি ইচ্ছা
ধনিয়া পাতা ইচ্ছা
প্রণালি-
কলিজাকে সামান্য হলুদ ও সামান্য আদা রসুন দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। মুরগীর কলিজা হলে সিদ্ধ না করলেও চলবে। বেশী সিদ্ধ করবেন না। এতে কলিজা শক্ত হয়ে যাবে। কলিজা সিদ্ধ করে নিন। এবার পছন্দ অনুযায়ী টুকরো করে নিন। এবার পিঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, ধনিয়া-হলুদ-মরিচ গুঁড়ো দিয়ে কলিজা মাখিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। একটি বড় তাওয়া বা লোহার ভারী করাইতে তেল গরম করে নিন। এতে খানিকটা কুচানো টমেটো দিয়ে দিন। সামান্য একটু ভেজে কলিজা যোগ করুন। তারপর মাঝারি আঁচে ভাজতে থাকুন। সাথে কিছ বেরেস্তা দিয়ে দিন। অর্ধেকটা ভাজা হলে জায়ফল জয়ত্রী গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন, গরম মসলা যোগ করুন। সাদা গোল মরিচও দিয়ে দিন। আরও খানিকটা বেরেস্তা দিন।কলিজাকে আমরা একদম ভাজা ভাজা করে ফেলবো। কলিজা ৭৫ ভাগ ভাজা হয়ে গেলে টমেটো ও পেঁয়াজের মোটা টুকরো যোগ করুন এবং ভাজতে থাকুন। এখন আঁচ বাড়িয়ে দিন। অন্য একটি পাত্রে ঘি গরম করে নিন। এতে আদা কুচি দিয়ে দিন। আদা যখন প্রায় লাল হয়ে আসবে, তখন মরিচ ফালি দিয়ে দিন। মরিচ একটু ভাজা হলেই সম্পূর্ণ মিশ্রণটি ঢেলে দিন কলিজার মাঝে। অনেকটা বাগার দেয়ার মত করে। ভালো করে মিশিয়ে দিন। কলিজার. উপরে তেল ভেসে উঠলেই ধনে পাতা ছিটিয়ে নামিয়ে নিন। পরিবেশন করুন গরম গরম।
উপকরণ :
গরুর বিভিন্ন অংশের মাংস,
কলিজা ও হাড় মিলিয়ে ৫ কেজি,
পেঁয়াজকুচি ২ কাপ,
আদাবাটা ৩ টেবিল-চামচ,
রসুনবাটা ২ টেবিল-চামচ,
লাল মরিচবাটা ৩ টেবিল-চামচ,
জিরা গুঁড়া দেড় টেবিল-চামচ,
ধনে গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ,
হলুদ গুঁড়া ২ টেবিল-চামচ,
সাদা তিলবাটা ১ টেবিল-চামচ,
পেঁয়াজবাটা আধা কাপ,
সরিষা তেল আড়াই কাপ,
মিষ্টি জিরাবাটা ১ চা-চামচ,
রাঁধুনিবাটা ১ চা-চামচ,
সরিষাবাটা ১ টেবিল-চামচ,
পোস্তদানাবাটা ১ টেবিল-চামচ,
তেজপাতা ৭-৮টি,
এলাচ,
দারচিনি ও লবঙ্গবাটা ১ টেবিল-চামচ,
কাবাব চিনিবাটা ১ টেবিল-চামচ,
জায়ফল-জয়ত্রিবাটা ১ চা-চামচ,
গোলমরিচ বাটা ১ চা-চামচ,
মেথিবাটা ১ চা-চামচ,
পানি ৪-৫ কাপ,
লবণ স্বাদমতো।
গরুর বিভিন্ন অংশের মাংস,
কলিজা ও হাড় মিলিয়ে ৫ কেজি,
পেঁয়াজকুচি ২ কাপ,
আদাবাটা ৩ টেবিল-চামচ,
রসুনবাটা ২ টেবিল-চামচ,
লাল মরিচবাটা ৩ টেবিল-চামচ,
জিরা গুঁড়া দেড় টেবিল-চামচ,
ধনে গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ,
হলুদ গুঁড়া ২ টেবিল-চামচ,
সাদা তিলবাটা ১ টেবিল-চামচ,
পেঁয়াজবাটা আধা কাপ,
সরিষা তেল আড়াই কাপ,
মিষ্টি জিরাবাটা ১ চা-চামচ,
রাঁধুনিবাটা ১ চা-চামচ,
সরিষাবাটা ১ টেবিল-চামচ,
পোস্তদানাবাটা ১ টেবিল-চামচ,
তেজপাতা ৭-৮টি,
এলাচ,
দারচিনি ও লবঙ্গবাটা ১ টেবিল-চামচ,
কাবাব চিনিবাটা ১ টেবিল-চামচ,
জায়ফল-জয়ত্রিবাটা ১ চা-চামচ,
গোলমরিচ বাটা ১ চা-চামচ,
মেথিবাটা ১ চা-চামচ,
পানি ৪-৫ কাপ,
লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি :
তেলে পেঁয়াজকুচি লাল করে ভেজে গরম মসলা ছাড়া বাকি মসলা মাখিয়ে মাংস ঢেলে ভালোভাবে কষান।
-আধা ঘণ্টা পর ৪-৫ কাপ গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন।
-মাংস সেদ্ধ হয়ে এলে গরম মসলা দিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রেখে নামিয়ে নিন। তৈরি আপনার মেজবানী মাংস!ৱ
যা যা লাগবে :
গরুরর পায়া- ১ কেজি, হাড়সহ মাংস- ১ কেজি, পিঁয়াজ কুচি- ১ কাপ, আদা ছেঁচা- ২ টেবিল চামচ, বড় এলাচ গুঁড়া- ২টি, ছোট এলাচ গুঁড়া- ৪টি, শাহী জিরা- ২ চা চামচ, গোল মরিচ গুঁড়া- ২ চা চামচ, লবঙ্গ- ৩টি, দারুচিনি- ৩ টুকরা, শুকনা মরিচ- ৩টি, কাঁচামরিচ- ৭/৮টি, সয়াবিন তেল- ২ টেবিল চামচ, লবণ- স্বাদমতো, ধনেপাতা কুচি- ২ টেবিল চামচ।
গরুরর পায়া- ১ কেজি, হাড়সহ মাংস- ১ কেজি, পিঁয়াজ কুচি- ১ কাপ, আদা ছেঁচা- ২ টেবিল চামচ, বড় এলাচ গুঁড়া- ২টি, ছোট এলাচ গুঁড়া- ৪টি, শাহী জিরা- ২ চা চামচ, গোল মরিচ গুঁড়া- ২ চা চামচ, লবঙ্গ- ৩টি, দারুচিনি- ৩ টুকরা, শুকনা মরিচ- ৩টি, কাঁচামরিচ- ৭/৮টি, সয়াবিন তেল- ২ টেবিল চামচ, লবণ- স্বাদমতো, ধনেপাতা কুচি- ২ টেবিল চামচ।
যেভাবে করবেন :
তেলে গরুর পায়া ও মাংসগুলো লাল করে ভেজে ওই তেলেই পিঁয়াজ ভেজে তুলে রাখুন, আদা, বড় এলাচ, ছোট এলাচ, শাহী জিরা, গোলমরিচ, লবঙ্গ, দারুচিনি দিয়ে ১ মিনিট ভেজে এতে ভাজা মাংস, পিঁয়াজ, শুকনা মরিচ দিয়ে ২ মিনিট ভেজে ৪-৫ লিটার পানি দিয়ে দিন। ফুটে উঠলে মৃদু আঁচে ঢেকে ৩-৪ ঘণ্টা সিদ্ধ করে মাঝে ২ ঘণ্টা পর লবণ-কাঁচামরিচ দিয়ে দিন। হাড় থেকে মাংস খুলে এলে নামাবেন। ঝোল কিছুটা ঘন হবে কিন্তু অনেক ঝোল থাকবে। নান, তন্দুরি রুটির সঙ্গে পরিবেশন করুন। চাইলে পরিবেশনের সময় ধনেপাতা, কাঁচামরিচ, আদাকুচি দেওয়া যায়।


