#DesiFood

Download more awesome themes for your blogger platform #templatetrackers Follow us @ Google+ and get weekly updates of new templates we release regularly

mango-ice-cream-ice-cream.jpg

উপকরণ :

গুঁড়া দুধ ২ কাপ, পানি আড়াই কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল-চামচ, চিনি পৌনে ১ কাপ, ক্রিম ১ টিন, জেলাটিন গোলানো ১ টেবিল-চামচ, সিএমসি পাউডার গোলানো ১ টেবিল-চামচ, তরল গ্লুকোজ ১ চা-চামচ। ম্যাংগো পিউরি ১ কাপ, ২টি ডিমের সাদা অংশ, ২ টেবিল-চামচ চিনি।

প্রণালি :

গুঁড়া দুধ, পানি, কর্নফ্লাওয়ার ও চিনি একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। মিশ্রণ প্যানে ঢেলে জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিতে হবে। গরম অবস্থায় তরল গ্লুকোজ মেলাতে হবে। ঠান্ডা হয়ে এলে জেলাটিন ও সিএমসি মেলাতে হবে। ক্রিম ও ম্যাংগো পিউরি দিয়ে বিট করে ডিপে জমাতে হবে তিন ঘণ্টা। এরপর আবারও বিট করে জমাতে হবে। দুই ঘণ্টা পর পর বের করে ৩-৪ বার বিট করতে হবে। শেষের বার ডিমের সাদা অংশ ও চিনি দিয়ে বিট করে মেরাং দিয়ে বিট করে জমাতে হবে। ইচ্ছামতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ৭ জুন ২০১১



1862_P1250940_thumb_big.jpg

উপকরণ : গরুর মাস ১ কেজি, পেঁয়াজ কুচি দেড় কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, গোলমরিচ বাটা ১ চা-চামচ, জিরা বাটা ১ চা-চামচ, ধনে বাটা ১ চা-চামচ, বাদাম বাটা আধা চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, সরষে বাটা আধা চা-চামচ, এলাচি-দারুচিনি-লবঙ্গ কয়েকটা, তেজপাতা ৩-৪টা, তেল ১ কাপ, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা-চামচ।

প্রণালি : তেলে আধা কাপ পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভেজে সব মসলা কষিয়ে মাংস দিয়ে দিতে হবে। আন্দাজমতো পানি দিয়ে মাংস সেদ্ধ করে নিতে হবে। মাংসের পানি শুকিয়ে গেলে নামিয়ে নিতে হবে। এবার মাংস নেড়েচেড়ে ঝুরা করে নিতে হবে। অল্প তেলে ১ কাপ পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে ঝুরা মাংস দিয়ে নাড়তে হবে। ভাজা ভাজা হয়ে গেলে গরম মসলা ও গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ৮ অক্টোবর ২০১৩
e0a6a4e0a6a8e0a78de0a6a6e.jpg

উপকরণ:

খাসি বা গরুর মাংস দেড় কেজি,

তেজপাতা ২টি, দারচিনি ৪ টুকরা,

পেঁয়াজ মোটা কুচি ১ কাপ,

লবঙ্গ ৬টি,

আদা বাটা ১ টেবিল চামচ,

জায়ফল-জয়ত্রি গুঁড়া আধা চা চামচ,

রসুন বাটা ১ চা চামচ,

গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ,

জিরা বাটা ১ চা চামচ,

লবণ পরিমাণমতো,

মরিচ গুঁড়া ২ চা চামচ,

সরিষার তেল ১ কাপ,

হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ,

টক দই আধা কাপ,

বাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ,

তন্দুরি মসলা ১ চা চামচ,

টমেটো সস ৪ টেবিল চামচ,

গরম মসলা ১ চা চামচ,

সরিষা বাটা ২ টেবিল চামচ,

পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ,

পেঁপে বাটা ১ টেবিল চামচ,

বড় এলাচ ২টি,

ছোট এলাচ ৪টি,

তেঁতুলের মাড় ১ টেবিল চামচ।

প্রণালী:

মাংস টুকরা করে তন্দুরি মসলা ও গরম মসলার গুঁড়া বাদে বাকি সব বাটা মসলা ও গুঁড়া মসলা, আস্ত গরম মসলা, পেঁপে বাটা, টক দই, লবণ, তেল, পেঁয়াজ কুচি দিয়ে মাখিয়ে ১ ঘণ্টা রাখতে হবে। ১ লিটার পানি দিয়ে অল্প আঁচে মাংস রান্না করতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে ঝোল কমে তেলের ওপর এলে টমেটো সস, তেঁতুলের মাড় দিতে হবে। পেঁয়াজ বেরেস্তার সঙ্গে তন্দুরি মসলা, গরম মসলার গুঁড়া মাখিয়ে দিতে হবে। কাঁচামরিচ দিতে হবে। মাখা মাখা হলে নামাতে হবে। জ্বলন্ত কয়লা একটি বাটিতে রেখে বাটিতে ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে মাংসের হাঁড়িতে কয়লার বাটি রেখে কিছুক্ষণ ঢেকে রাখতে হবে। তন্দুরি কারি পোলাও, খিচুড়ি, লুচি, পরোটা, নান রুটির সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয়ঃ ১ সেপ্টেম্বর ২০০৯, নকশা, প্রথম আলো পত্রিকা, ঢাকা, বাংলাদেশ
halim.jpg

মাংসের উপকরণ ১:

মাংস (হাড়সহ) ৩ কেজি,
এলাচ ৪টি,
রসুন বাটা ২ চা-চামচ,
লবণ ১ টেবিল চামচ,
হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ,
টকদই আধা কাপ,
দারুচিনি ৪ টুকরা,
আদা বাটা ২ টেবিল-চামচ,
গোলমরিচ ১ চা-চামচ,
জিরা বাটা ২ চা-চামচ,
সয়াবিন তেল ১ কাপ,
তেজপাতা ২টি,
পেঁয়াজকুচি ১ কাপ,
লবঙ্গ ৪টি,
ধনে বাটা ২ টেবিল-চামচ,
চিনি আধা চা-চামচ,
মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি:
মাংস ছোট টুকরা করে সব উপকরণ দিয়ে মেখে কিছুক্ষণ রাখতে হবে। ৪ কাপ বা পরিমাণমতো পানি দিয়ে সিদ্ধ করে কষিয়ে নিতে হবে।

উপকরণ ২:
মুগ ডাল ভাজা আধা কাপ,
পোলাওয়ের চাল ১ কাপ,
মসুর ডাল আধা কাপ,
পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল-চামচ,
গম (আধা ভাঙা) ১ কাপ,
তেজপাতা ২টি,
রসুন কুচি ১ টেবিল-চামচ,
মটর ডাল আধা কাপ,
কাঁচা মরিচ ৭-৮টি,
আদা কুচি ১ টেবিল-চামচ,
মাষকলাইয়ের ডাল ভাজা আধা কাপ,
লবণ পরিমাণমতো,
ছোলার ডাল সিকি কাপ,
হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ,
পুদিনাপাতা কুচি আধা কাপ,
ধনেপাতা আধা কাপ।

প্রণালি:

গম পাঁচ-ছয় ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে চাল-ডাল ধুয়ে ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে পরিমাণমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। ভালোভাবে সেদ্ধ হলে ঘুটে নিতে হবে। মাংস তেলে দিয়ে মৃদু আঁচে রান্না করতে হবে। তারপর চাল-ডালের মিশ্রণে ঢেলে আদা কুচি, পেঁয়াজ বেরেস্তা, হালিমের মসলা, লেমন রাইন্ড, লেবুর রস, কাঁচা মরিচ কুচি, ধনে কুচি দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

হালিমের মসলার উপকরণ:

ধনে গুঁড়া ৪ টেবিল-চামচ, এলাচি সিকি চা-চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, দারুচিনি ১ চা-চামচ, কালোজিরা গুঁড়া আধা চা-চামচ, মেথি ১ চা-চামচ, লবঙ্গ গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, মৌরি ১ টেবিল-চামচ, শুকনা মরিচ ১২-১৪টি, সরষে ১ টেবিল-চামচ, জিরা ২ টেবিল-চামচ, এলাচ ৬টি, রাঁধুনি ১ চা-চামচ।

প্রণালি:

সব মসলা আলাদা টেলে গুঁড়ো করে একসঙ্গে মিশিয়ে রাখতে হবে।

আসলে আমরা অনেকে জানি যে এটা বাঙালী খাবার। কিন্তু এটা বাঙালী খাবার নয়। এটা পার্সিয়ানদের খাবার।
Persian Saffron Rice Pudding নামে পরিচিত।
shahi-korma-biryani1.jpg

উপকরণ :
খাসির মাংস ছোট করে কাটা ১ কেজি, বাসমতি চাল আধা কেজি,
টক দই আধা কাপ,
পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ,
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ,
রসুন বাটা ১ চা-চামচ ধনে গুঁড়া ১ চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ,
ভাজা জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ,
ছোট এলাচ ৪ টি,
কিশমিশ সিকি কাপ,
আলুবোখারা ৭/৮ টি,
পুদিনা পাতা ২ টেবিল চামচ,
ধনে পাতা ২ টেবিল চামচ,
কাঁচা মরিচ ৫/৬ টি,
শাহি জিরা আধা চা-চামচ,
জর্দার রং সামান্য,
সিরকা ১ টেবিল চামচ,
ঘি-তেল দেড় কাপ,
কেওড়া জল ২ টেবিল চামচ,
লবণ পরিমাণমতো।
কোর্মার মসলা (ছোট এলাচ ৬ টি, বড় এলাচ ৩ টির বিচি, লবঙ্গ ৪ টি, সাদা গোলমরিচ ৬টি ও দারুচিনি ৪/৫টা। এই মসলাগুলো চুলার পাশে রেখে মচমচে করে গুঁড়া করে
নিতে হবে)।

প্রণালি :

দই, আদা-রসুন বাটা, ধনে গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া ভাজা, জিরা, লবণ, সিকি কাপ তেল, ২ টেবিল চামচ ঘি,১ টেবিল চামচ কেওড়াজল ও কোর্মার মসলা অর্ধেক দিয়ে মাংস মেখে রাখুন। পাত্রের ১ কাপ তেল ও ঘি দিয়ে বেরেস্তা করে অর্ধেক তুলে নিন। বাকি অর্ধেক বেরেস্তার মধ্যে মাংস দিয়ে কোর্মার মতো রান্না করুন। নামানোর আগে বাকি অর্ধেক মসলা দিয়ে দিন। চাল ২০ মিনিট ভিজিয়ে পানি ছেঁকে নিন। অন্য পাত্রে চালের ৪ গুণ গরম পানি করে তাতে কাঁচামরিচ ৫/৬ টি, এলাচ ৪/৫ টি, পুদিনাপাতা ২ টেবিল চামচ, ধনে পাতা ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, দারুচিনি ২/৩ টুকরা ও শাহি জিরা আধা চা-চামচ দিন। পানি ফুটে গেল ভেজানো চাল দিন। চাল আধা সেদ্ধ হলে নামিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার বিরিয়ানি রান্নার পাত্রে ১ টেবিল চামচ ঘি ছড়িয়ে দিন। এবার কিছুটা আধা সেদ্ধ চাল ছড়িয়ে অর্ধেক পরিমাণ মাংস ঢেলে দিন। এর ওপর বেরেস্তা ও কিশমিশ ছড়িয়ে দিন। মাংসের ওপর আবার একইভাবে রান্না করা ভাত ও মাংসের স্তর সাজান। ওপরে আবার চাল দিন। এখানে ভাতের স্তর হবে তিনটি এবং মাংসের স্তর হবে দুটি। সবার ওপরে বাকি ঘি এবং দুধে ভেজানো কেওড়া ছড়িয়ে দিয়ে আলু বোখারা গুজে দিন। এবার ঢাকনা দিয়ে ২০ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে পরিবেশন করুন।
e0a6b0e0a6b8e0a781e0a6a8.jpg

উপকরণ :
মাঝারি চিংড়ি ৫০০ গ্রাম,
লেবুর রস ২ টেবিল চামচ,
পাপরিকা সিকি চা-চামচ,
লবণ স্বাদমতো,
মাখন ২ টেবিল চামচ,
তেল ২ টেবিল চামচ,
রসুন কুচি ২ টেবিল চামচ,
লাল মরিচ থেঁতলানো ২টা,
চিনি ১ চা-চামচ।

প্রণালি :

চিংড়ি ধুয়ে কিচেন টাওয়েল দিয়ে মুছে শুকিয়ে নিন। তাতে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস, পাপরিকা ও ১ চিমটি লবণ মেখে পরিবেশন পাত্রে রাখুন। চুলায় প্যানে মাখন দিয়ে রসুন কুচি ও থেঁতলানো লাল মরিচ দিয়ে একটু ভেজে নিন। এবার বাকি সব উপকরণ দিয়ে একটু নেড়েচেড়ে খুব অল্প পানি দিন। ঘন সস হয়ে এলে মাছের ওপর ঢেলে দিন। এবার ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ১৫-২০ মিনিট প্রিহিটেড ওভেনে বেক করুন। নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন ফ্রায়েড রাইস বা পোলাওর সঙ্গে।
mutton.png
বিফ রেজালা ভাল লাগে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন । চলুন, আজ জেনে নিই বিফ রেজালার দারুণ স্বাস্থ্যকর একটা রেসিপি।

উপকরণ –


  • গরুর মাংস ১কেজি
  • আদা বাটা ১ টে চামচ
  • রসুন বাটা ১/২ টে চামচ
  • ধনে গুঁড়ো ১ টে চামচ
  • মরিচ গুঁড়ো ১/২ টে চামচ
  • হলুদ গুঁড়ো ১/২ টে চামচ
  • বেরেস্তা ১ কাপ
  • টক দই ১/৪ কাপ
  • মিষ্টি দই ১/৪ কাপ
  • ঘি ১/৪ কাপ
  • তেল ১/৪ কাপ
  • গোটা গরম মশলা ৪/৫ টি করে
  • তেজপাতা ২ টি
  • কাজু বাদাম ৫ টি
  • কাঁচামরিচ ১০/১২ টি
  • লবণ স্বাদমত

প্রণালি –

১। টকদই, মিষ্টি দই, কাজু বাদাম ও বেরেস্তা একসাথে ব্লেন্ড করে রাখুন। সব বাটা ও গুড়া মশলা সামান্য পানি ও লবণ দিয়ে গুলে রাখুন।

২। হাঁড়িতে তেল ও ঘি গরম করে তাতে তেজপাতা ও গোটা গরম ফোঁড়ন দিয়ে গুলে রাখা মশলা দিয়ে কষান। তারপর মাংস দিয়ে কষিয়ে ৩০ মিনিটের জন্য ঢেকে দিন। কোন পানি দেবেন না। অল্প আঁচে রেখে দিন, মাংস থেকে পানি বের হয়ে আস্তে আস্তে মাংস নরম হবে। শুধু মাঝে মাঝে ঢাকনা খুলে নেড়ে দেবেন।

৩। এবার মাংস সিদ্ধ করার জন্য পরিমান মত পানি দিয়ে ঢেকে দিন।

৪। ৩০ মিনিট পর বেরেস্তার মিশ্রন ও কাঁচামরিচ দিয়ে নেড়ে আরও ১০ মিনিটের জন্য ঢেকে দিন। এবার কিছুক্ষণ দমে রেখে নামিয়ে ফেলুন।

pizza-stock.jpg

উপকরন:

১.ময়দা – দেড় কাপ
২.ডিম – ২ টি
৩.তেল – ৩ টেবিল চামচ
৪.চীজ – ১ কাপ
৫.চিনি – ৩ টেবিল চামচ
৬.ক্যাপসিকাম (কুচি করা) – ১ টি
৭.ইস্ট – ২ চা চামচ
৮.টমেটো (স্লাইস করা) - ১ টি
৯.টমেটো সস – ১/২ কাপ
১০.লবন – পরিমানমত
১১.তন্দুরি চিকেন মশলা – ৩ টেবিল চামচ
চিকেন রান্নার উপকরনঃ
১.চিকেন (হাড় ছাড়া) – ২৫০ গ্রাম
২.আদা ও রসুন বাটা – ১/২ চা চামচ
৩.মরিচ গুঁড়া – ১ চা চামচ
৪.জিরা গুড়া – ১ চিমটি
৫.গরম মশলা গুঁড়া – ১ চিমটি
৬.তেল - পরিমানমত
৭.লবন – পরিমানমত
৮.সয়াসস – ১ চা চামচ

প্রণালীঃ

প্রথমে একটি পাত্রে ময়দা নিয়ে একে একে ডিম, তেল, লবন, চিনি, পানি দিয়ে ময়ান করতে হবে। অল্প পরিমানে গরম পানিতে ইস্ট ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর ময়দাতে ইস্ট দিয়ে খুব ভালভাবে ময়ান করতে হবে। ময়ান হলে সেটি ঢাকনা দিয়া ঢেকে গরম স্থানে রাখতে হবে ৪০-৪৫ মিনিট। এবার চিকেন কুচি করে সয়াসস দিয়ে ১০ মিনিট মাখিয়ে রাখতে হবে। তারপর চিকেন রান্না করে ভাজা ভাজা করে নিতে হবে। ততক্ষণে ময়দা ফুলে দ্বিগুন হয়ে যাবে। এরপর ময়দা তিন ভাগ করে একটু মোটা করে রুটি বেলে নিতে হবে। রুটির উপরে প্রথমে চীজ ছড়িয়ে একে একে একে একে চিকেন, ক্যাপসিকাম কুচি, টমেটো, চীজ, টমেটো সস ও তন্দুরি মশলা ছড়িয়ে ওভেনে বেক করতে হবে ৩৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ১২-১৫ মিনিট।

চুলাতে_বানানোর_পদ্ধতিঃ

চুলাতে ফ্রাই প্যান দিয়ে গরম হলে রুটি দিয়ে তার উপর চীজ দিতে ঢেকে দিতে হবে। একটুপর রুটি ফুলে উঠলে তাতে একে একে চিকেন, ক্যাপসিকাম কুচি, টমেটো, চীজ, টমেটো সস ও তন্দুরি মশলা ছড়িয়ে দিয়ে ঢেকে দিতে হবে আর চুলার তাপ কমিয়ে দিতে হবে। ১৫-২০ মিনিট পর নামিয়ে ফেলে গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার চিকেন পিজা।

কলার মোচার ভর্তা

kolar-mochar-vorta-201014-k-kantha.jpg


উপকরণ : কলার মোচা ২টি, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ কুচি সিকি কাপ, সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ২-৩টি, ছোট চিংড়ি মাছ পরিমাণমতো, ঘি ১ চা চামচ।

প্রস্তুত প্রনালি : মোচা থেকে ফুল আলাদা করে ফুলের ভেতর শলাকার মতো সাদা অংশটি ফেলে দিয়ে লবণ-পানিতে ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে লবণ ও হলুদ দিয়ে চিংড়ি মাছ হালকা করে ভেজে নিন। মোচার ফুল লবণ, আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে সিদ্ধ করে বেটে নিন। এরপর কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি হালকা করে ভেজে বাটা ফুলগুলো দিয়ে চিংড়ি মাছ, কাঁচা মরিচ ও লবণ দিয়ে নেড়ে নিন যেন পানি না থাকে। সবশেষে ঘি দিয়ে নামিয়ে নিন
উপকরণঃ
_________

√ বাসমতী চাল ২৫০ গ্রাম,
√ মুগের ডাল ২০০ গ্রাম,
√ কড়াইশুঁটি ২৫০ গ্রাম,
√ আলু ৪ টা,
√ ছোট ফুলকপি ১ টা,
√ পেঁয়াজ ১০০ গ্রাম,
√ রসুন ৪ কোয়া,
√ আদাবাটা ১ চামচ,
√ হলুদগুরো জত(৩,৪) চামচ,
√ লংকাগুরো এক চামচ,
√ তেজপাতা ২ টা,
√ গরম মশলা ৫ টা করে,
√ চিনি ⅔ চামচ,
√ তেল ১০০ গ্রাম,
√ ঘি ৪ চামচ,

https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEiGgsj_V23kzldGFpMO26htElFRWUsdPrZzZstVZ0PhRGwyc8on1-dO5zjrevCuNTebfWd5ddNp6ga5rYziIhkI2YxvEnr79PZiS4oHPJU5mjBUgE4CLrgedu9pmWbi7tQLhYhko1B0LoH0/s1600/khichuri,mach.bhaja.jpg


প্রণালীঃ
________

ডাল ভেজে ভাজা মুগ করুন । খোসা ফেলে আলু বড় টুকরো করে কাটুন । কড়াইশুঁটি দানা ও ফুলকপির ফুল ছাড়িয়ে নিন । এবার পাত্রে তেল গরম করে তেজপাতা,গরমমসলা,আদা, পেয়াজ কুচো ও রসুনবাটা দিন। পেয়াজ রং ধরলে চাল ও ডাল ঢেলে নাড়াচাড়া করে বাকি মশল্লা মিশিয়ে সামান্য পানি চিটে দিয়ে কষুন । লবণ ও চিনি মিশিয়ে পানি ঢালুন যাতে চাল ডাল ডুবে যায় আকা দিয়ে ফোটান । আধসিদ্ধ হলে কড়াইশুঁটি,ফুলকপি ,আলু দিয়ে ঢাক দিন । দু'প্রকার ফুটলেই ঢাকা তুলৈ মাঝে মাঝে সাবধানে নাড়ান, না হাতে তলা ধরে যাবে । প্রয়োজনে সামান্য গরম পানি নেশান। সুসিদ্ধ হলে ঘন মত হলে নামান ও ঘি ছিটিয়ে পরিবেশন করুন ।
উপকরণঃ

√ মেটে ২০০ গ্রাম,
√ আলু ৪ টা,
√ পেয়াজ কুচি ২ টা,
√ রসন কুচি ৪ কোয়া,
√ আদাবাটা ১ চামচ,
√ লংকাগুরো ১ চামচ,
√ হলুদগুরো (½) চামচ,
√ চিনি (½) চামচ,
√ টক দই ৫ চামচ,
√ গরম মশলা,
√ তেজপাতা,
√ লবণ,
√ তেল ৭৫ গ্রাম,

প্রণালীঃ

মেটে ধুলে টুকরো করে নিন । আলু খোসা ছাড়িয়ে ডুমো ডুমো করে রাখুন। দই ফেটিয়ে হলুদ, লংকা ও আদাবাটা মিশিয়ে মেটাতে মাখিয়ে রাখুন । পাত্রে ১০/১২ চামচ তেল গরম করে আলু ভেজে তুলুন। এবার গরম মশলা, তেজপাতা, পেয়াজ ও রসুন ছেড়ে আধসিদ্ধ করন। এবার ভাজা আলু,লবণ ও চিনি দিয়ে পুরো সেদ্ধকরে নামান। প্রয়োজনে আরো একটু পানি দিতে পারেন । ঝোল বেশি পাতলা হবে না ।
Image result for পায়া কারি

উপকরণঃ

√ টেংরা ৬ টা,
√ পেয়াজ কুচি ২ টা,
√ আদাবাটা (½) চামচ,
√ রসুনবাটা (½) চামচ,
√ গরম মশলা,
√ বেসন বা ছোলার ছাতু ৩ চামচ,
√ পুদিনা ও ধোনেপাতা কুচি ৪/৫ চামচ,
√ ঘি ২ চামচ,
√ তেল ৫ চামচ,
√ গোলমরিচ (½) চামচ,
√ হলুদগুরো (¼) চামচ,
√ ধোনেবাটা ১ চামচ,
√ লবন,
√ পাতিলেবু

প্রণালী

টেংরা পরিষ্কার করে ধুয়ে আদা,রসুন, ও ধরেন মিশিয়ে ৪ কাপ পানি দিয়ে সেদ্ধ করুন । সেদ্ধ হয়ে পানি মরে অর্ধেক হলে নামিয়ে দিন । পাত্রে তেল ও ঘি মিশিয়ে গরম করুন । পেয়াজ ছেড়ে বাদামী রংএ ভেজে বেসন/ছাতু, গরম মশলা, তেজপাতা, গোলমরিচ ও হলুদ দিন । নাড়াচাড়া করে টেংরি-সেদদ্ধ ঝোলসমেত ঢেলে দিন । অল্প পানি মিশিয়ে ফোটান । ফুটলে ধনে,পুদিনা পাতা,পাতিলেবুর রস ও লবণ দিয়ে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নামান । গরম গরম পরিবেশন করুন ।
কুলের আচার

√ পাকা টোপা কুল ৫০০ গ্রাম,
√ চিনি ৫০০ গ্রাম,
√ লবন (½) চামচ,
√ সরিষার তেল ১ চামচ,
√ পাঁচফোড়ন গুঁড়ো ৩ চামচ,
√ লংকাগুরো ১ চামচ,

প্রণালীঃ

কুল ধুয়ে পরিষ্কার করে রোদে ২/৩ দিন রেখে শুকিয়ে নিন। এবার বোটা ফেলে টিপে ফাটিয়ে নিন । কড়া গরমকরে ১ চামচ তেল দিয়ে কুল ছাড়ান । লবন দিন । নাড়াচাড়া করে ১ কাপ পানি দিয়ে চিনি দিন । নাড়াচাড়া করে ফোটান । ফুটে ঘন হতে শুরু করলে বারে বারে নাড়ান । যখন ফেনা হয়ে ফুটে আঠা আঠা মতন হবে ও সবটা গায়ে জরিয়ে যাবে লংকাগুরো ও পাঁচফোড়ন দিয়ে নাড়াচাড়া করে নামান । অল্প ঠান্ডা হলে শুকনো কাচের বোতলে ভরে ঢাকা বন্ধ করে রাখুন । মাঝে মাঝে রোদে দিলে অনেকদিন ভাল থাকবে।

2013-03-12-19-17-42-513f7f5671971-untitl
উপকরণঃ

√ আঁটি হয়েছে এখন কাঁচা বড় আম ৫/৬ টা (১ কেজি)
√ চিনি ১২৫০ গ্রাম ( ১ কেজি এবং ১ পা)
√ কিসমিস ৫০ গ্রাম
√ পাতিলেবু ৪টা

প্রণালীঃ

আমের খোসা ছাড়িয়ে ঝুরি আলু ভাজার মত সরু সরু কুচি করে কেটে সংগে সংগে ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ৬/৭ ঘন্টা, না হলে কালো হয়ে যাবে । ভেজানোর সময় ২/৩ বার পানি বদলে দেবেন ।

এবার পানি থেকে তুলে ভালকরে পানি ঝরিয়ে পরিষ্কার পাত্রে রেখে চিনি মেশান । আম-চিনি পাত্র নরম জ্বালে বসান ও নাড়তে থাকুন । তাপে চিনি গলে রস হলে সবটা ভাল করে নেড়ে দিন ।

১৫/২০ মিনিট জ্বালে রেখে নাড়া ন । যখন ফুটে বেশ ঘন হবে ও আম সেদ্ধ হয়ে মোরব্বার মত স্বচ্ছ দেখাবে ও রস মরে ঘন হবে তখন পাতিলেবুর রস মেশান। ভাল করে নেড়ে দিন । হাতার করে তুলে উচু থেকে ফেললে শেষের ফোঁটা জমে জমে যাবে ন হাতে চিট ধরবে । সংগে সংগে জ্বাল থেকে নামিয়ে কিসমিস পরিষ্কার করে মেশান । অল্প গরম থাকাকালীন কাঁচের বোতলে ভরে ঢাকা বন্ধ করে রাখুন ।

mango-ice-jelly.jpg
উপকরণঃ

√ পাকা কমলা ১০ টা,
√ চিনি
√ পাতিলেবুর রস

প্রণালীঃ

কমলা ধুয়ে চার টুকরো করে কাটুন। খোসা ছাড়িয়ে নিন । এবারে সাবধানে কোয়ার শাস ছাড়িয়ে আলাদা রাখুন । বিচি কোয়ার খোসা ও রোয়াগুলো একটা আদ্দির কাপড়ে রেখে পুটলি বেধে নিন । এখন খোসাগুলো সরু সরু কুচি করে কেটে বেশি পানিতে ১৫ মিনিট সেদ্ধ করুন । সেদ্ধ করার সময় ৩/৪ বার পানি পাল্টে নিবেন । সেদ্ধ হলে পানি ঝরিয়ে সরিয়ে রাখুন । এবার আলাদা পাত্রে ছাড়ানো শাস চটকে রস বের করে অল্প অল্প করে দিন । বাধা পুটলি এই পাত্রে দিয়ে পুটলি ও শাস একসাথে সেদ্ধ করুন । নরম মন্ডর মত হলে নামিয়ে পুটলি তুলে চেপে নিন। মন্ড (পাল্প) ছেঁকে কাপে করে মেপে নিন । সমপরিমাণ চিনি মেশান ( অর্থাৎ ১ কাপের জন্য ১ কাপ চিনি) ও নরম আচে জ্বালে বসান । নাড়াচাড়া করে ১০.১৫ মিনিট জ্বারে রাখলেই গাঢ় হবে । গাঢ় হলেই পাতিলেবুর রস ও সেদ্ধ খোসা-কুচি মেশান । জ্বাল সম্পূর্ণ হলে নামান । যখন নামাবেন নামিয়ে কাচের বোতলে ভরবেন ।
mangojelly-rz.jpg

উপকরণঃ

√ পাকা আম
√ চিনি
√ পাতিলেবুর রস

প্রণালীঃ

আটি বাদ দিয়ে আম বড় টুকরো করে কেটে সামান্য পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নরম মন্ড হলে নামিয়ে রসটা ছেঁকে নিন । চিনি মাপ ও কিভাবে করবে সেজন্য পেয়ারা তৈরির উপকরণ দেখুন।
mangojelly-rz.jpg

উপকরণঃ

√ পাকা আম
√ চিনি
√ পাতিলেবুর রস

প্রণালীঃ

আটি বাদ দিয়ে আম বড় টুকরো করে কেটে সামান্য পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নরম মন্ড হলে নামিয়ে রসটা ছেঁকে নিন । চিনি মাপ ও কিভাবে করবে সেজন্য
img_0424.jpg

উপকরণঃ

√ পাকা কমলা
√ চিনি
√ পাতিলেবুর রস

প্রণালীঃ

কমালার খোসা ছাড়িয়ে কোয়াগুলো চটকে অল্প পানি মিশিয়ে সেদ্ধ করুন । নরম মন্ড হলে নামিয়ে ছেঁকে রসটা নিন । চিনির মাপ হবে সমপরিমাণ । (১ কাপ রসে ১ কাপ চিনি) । কিভাবে করবেন সেজন্য পেয়ারা জেলি তৈরির প্রণালী দেখুন।
exps10001_HGC1753649D61.jpg

উপকরণঃ

√ পাকা আপেল,
√ পাতিলেবু
√ চিনি

প্রণালীঃ

কিভাবে করবেন তা এখানে দেখুন । সেখানে পেয়ারার পরিবর্তে আপেল ব্যবহার করতে হবে।
greenguavas.jpg

উপকরণঃ

√ পাকা বড় পেয়ারা ২০ টা
√ চিনি
√ পাতিলেবুর রস ছোট ২ শিশি হবে

প্রণালীঃ

পেয়ারা ধয়ে ৬/৫ টুকরো করে কাটুন । ডেকচিতে রেখে পেয়ারা ডুবে যায় এমন পরিমাণ পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে সেদ্ধ করতে বসান । ৪০ মিনিট নরম আঁচে সেদ্ধ করুন নাড়ানাড়াচাড়া কম হবে । প্রয়োজনে সামান্য পানি দিয়ে দিন যাতে তলা না ধরে যায় । সেদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে পাতলা মলমলের কাপড়ে ঢিলে করে বেধে ঝুলিয়ে শুধুমাত্র রসটা ছেঁকে নিন । মোটেই চাপবেন না।

পরিষ্কার পাত্রে রস নিয়ে চিনি মেশান । চিনির পরিমাণ হবে প্রতি কাপ পেয়ারা রসের জন্যে জত (৩,৪) কাপ চিনি । রস ও চিনি মিশিয়ে ঘুলে নিয়ে আর একবার ছেঁকে নিয়ে জ্বালে বসান । মাঝে মাঝে নেড়ে দিন ও গাদ তুলে ফেলে দিন । নরম আচে ২০ মিনিট জ্বাল দিলেই ঘন হবে । পরে প্রতি কাপ পেয়ারার রসের জন্যে ১ চামচ পাতিলেবুর রস অথবা ১ কিলো চিনির জন্যে ১ চামচ সাইট্রিক এসিড— যে কোনো এসিড মেশান । ভাল করে নেড়ে মিশিয়ে দিন ।

# বিঃদ্রঃ সাইট্রিক এসিড তথা লেবুর রস ।

guava+jelly+025.JPG

এ সময় জেলি ঘন লালচে রংগের হবে ও রসটা ফেনা হয়ে ফুটবে । তখনও জ্বালে রাখুন । জ্বাল সম্পূর্ণ হয়েছে কিনা বোঝার জন্য সামান্য জেলি হাতায় তুলে ঠান্ডা করে ঢাললে জমে জমে পড়বে । অথবা স্টিলের ডিশে ১ চামচ ঢেলে যদি দেখেন গোল হয়ে জমে যাচ্ছে তাহলে বুঝবেন পাক ( রান্না) হয়ে গিয়েছে । তবে বেশি পাক হলে পুরে যাবে না। লজেন্স এর মত শক্ত হয়ে যাবে । সংগে সংগে নামিয়ে অল্প গরম থাকাকালীন পরিষ্কার কাচের বোতলে ভরে বোতলের মুখে একটুকরো শুকনো কাপড় বসিয়ে সুতো দিয়ে বেধে ঢাকা বন্ধ করে রাখুন । পরের দিন কাপড় খুলে ফেলে শুধু ঢেকে রাখুন ।

এই পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনি আপেল জেলি,কমলা জেলি , আমের জেলি তৈরি করতে পারেন ।