#DesiFood

Download more awesome themes for your blogger platform #templatetrackers Follow us @ Google+ and get weekly updates of new templates we release regularly

MTMxNTk1NDA2NDU4MDAwNjU4.jpg

উপকরণঃ


১) ময়দা – ১কাপ

২)চিনি – ১কাপ

৩) তেল – ১/২কাপ (হাফকাপ)

৪) পাউডারদুধ – ২টে: চা:

৫) বেকিংপাউডার – ১চা: চা:

৬) ডিম – ৩টা

৭) ভেনিলাএসেন্স – ১/২চা: চা:

৮) লবন – ১চিমটি ( ইচ্ছা )

৯) কোকোপাউডার – ৩টে: চা:


প্রণালীঃ


১) চালনিতে ময়দা,পাউডার দুধ, বেকিং পাউডার, কোকো পাউডার, লবন চেলে নিতে হবে।

২) একটা বোলে ডিম ভালভাবে ব্লেন্ড করতে হবে এগ বিটার না থাকলে কাটা চামচ
দিয়ে জোরে ফেটতে হবে। ডিমটা ভাল করে ফেটা হলে অল্প অল্প করে চিনি দিয়ে
ফেটতে হবে।

৩) চিনি ভাল ভাবে গলে গেলে ভেনিলা এসেন্স ও তেল দিতে হবে ।

৪) তারপর চেলে রাখা ময়দা দিয়ে ভাল ভাবে মেশাতে হবে। ব্যাস “ব্যাট্যার”
রেডি। এবার হাঁড়িতে সামান্য তেল লাগিয়ে “ব্যাট্যার” ঢেলে দিন।( ৩
পাউন্ডের চুলায় কেক বানানোর হাঁড়ি পাওয়া যায়। ৩ পাউন্ডের হাঁড়িতে ২ পাউন্ড
কেক ভালভাবে হয়)

৫) এবার চুলার আঁচ মাঝারি থেকে একটু কম আঁচে রাখতে হবে, তার উপর একটা
“তাওয়া ” দিতে হবে। এবার হাঁড়ির নিচে অংশ বসিয়ে তার উপর হাঁড়ি বসিয়ে
ঢাকনা দিয়ে দিন। ২৫/ ৩৫ মিঃ লাগবে হতে।কেক ঠান্ডা হলে একটা প্লেটে উল্টা
করে ঢেলে দিয়ে কেক পরিবেশন করুন।

কেকের ক্রিম যেভাবে করবেন

দুইটি ডিমের সাদা অংশ খুব ভালো ভাবে ইলেকট্রিক
বিটারে বিট করে ফোম করে নিতে হবে। ১০০ গ্রাম ঠাণ্ডা বাটার নিয়ে বিট করতে
হবে পুরোপুরি গলে না যাওয়া পর্যন্ত। তারপর আপনার স্বাদ মত আইসিংসুগার বিট
করতে হবে।সুগার ভালো ভাবে মিশে গেলে ভ্যানিলা এসেন্স ও দুটি আইস কিউব আবার
বিট করতে থাকুন! আইস কিউব গলে গেলে নরমাল ফ্রিজে ১০ মিনিট রাখুন। বের করে
আবার বিট করুন অথবা চাইলে পছন্দ মতো রঙ দিয়ে বিট করে নিলেই ক্রিম রেডি। মনে
রাখবেন ক্রিমের ক্ষেত্রে এখানে ভালোভাবে বার বার বিট করাটাই আসল।তাই
ইলেকট্রিক বিটারই ভালো কাজে আসবে এখানে।
MTMxNTk1NDA2NDU4MDAwNjU4.jpg

উপকরণঃ

১) ময়দা – ১কাপ
২)চিনি – ১কাপ
৩) তেল – ১/২কাপ (হাফকাপ)
৪) পাউডারদুধ – ২টে: চা:
৫) বেকিংপাউডার – ১চা: চা:
৬) ডিম – ৩টা
৭) ভেনিলাএসেন্স – ১/২চা: চা:
৮) লবন – ১চিমটি ( ইচ্ছা )
৯) কোকোপাউডার – ৩টে: চা:

প্রণালীঃ

১) চালনিতে ময়দা,পাউডার দুধ, বেকিং পাউডার, কোকো পাউডার, লবন চেলে নিতে হবে।
২) একটা বোলে ডিম ভালভাবে ব্লেন্ড করতে হবে এগ বিটার না থাকলে কাটা চামচ দিয়ে জোরে ফেটতে হবে। ডিমটা ভাল করে ফেটা হলে অল্প অল্প করে চিনি দিয়ে ফেটতে হবে।
৩) চিনি ভাল ভাবে গলে গেলে ভেনিলা এসেন্স ও তেল দিতে হবে ।
৪) তারপর চেলে রাখা ময়দা দিয়ে ভাল ভাবে মেশাতে হবে। ব্যাস “ব্যাট্যার” রেডি। এবার হাঁড়িতে সামান্য তেল লাগিয়ে “ব্যাট্যার” ঢেলে দিন।( ৩ পাউন্ডের চুলায় কেক বানানোর হাঁড়ি পাওয়া যায়। ৩ পাউন্ডের হাঁড়িতে ২ পাউন্ড কেক ভালভাবে হয়)
৫) এবার চুলার আঁচ মাঝারি থেকে একটু কম আঁচে রাখতে হবে, তার উপর একটা “তাওয়া ” দিতে হবে। এবার হাঁড়ির নিচে অংশ বসিয়ে তার উপর হাঁড়ি বসিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। ২৫/ ৩৫ মিঃ লাগবে হতে।কেক ঠান্ডা হলে একটা প্লেটে উল্টা করে ঢেলে দিয়ে কেক পরিবেশন করুন।

কেকের ক্রিম যেভাবে করবেন

দুইটি ডিমের সাদা অংশ খুব ভালো ভাবে ইলেকট্রিক বিটারে বিট করে ফোম করে নিতে হবে। ১০০ গ্রাম ঠাণ্ডা বাটার নিয়ে বিট করতে হবে পুরোপুরি গলে না যাওয়া পর্যন্ত। তারপর আপনার স্বাদ মত আইসিংসুগার বিট করতে হবে।সুগার ভালো ভাবে মিশে গেলে ভ্যানিলা এসেন্স ও দুটি আইস কিউব আবার বিট করতে থাকুন! আইস কিউব গলে গেলে নরমাল ফ্রিজে ১০ মিনিট রাখুন। বের করে আবার বিট করুন অথবা চাইলে পছন্দ মতো রঙ দিয়ে বিট করে নিলেই ক্রিম রেডি। মনে রাখবেন ক্রিমের ক্ষেত্রে এখানে ভালোভাবে বার বার বিট করাটাই আসল।তাই ইলেকট্রিক বিটারই ভালো কাজে আসবে এখানে।
BtLR7HLtKJMM.jpg

উপকরণঃ


১. দুধ ১ লিটার ।
২. ডিমের কুসুম ২ টা (optional) ।
৩. কাস্টার্ড পাউডার ৩ টেবিল চামচ (পছন্দ মত ফ্লেবার) ।
৪. চিনি ১/২ কাপ বা স্বাদ মত ।
৫. কিসমিস ২ টেবিল চামচ (optional) ।
৬. কাট বাদাম ২ টেবিল চামচ (optional) ।
৭. ফল ( কলা, আম, আপেল, আঙুর, লাল বা সবুজ চেরি ফল, ডালিম/আনার , স্ট্রবেরি) cube করে কাটা প্রায় 2 কাপ (পানি জাতীয় ফল use করা যাবে না, যেমন তরমুজ ) ।

প্রণালী :

প্রথমে ডিমের কুসুম ২ টা একটি বটিতে নিয়ে ভালো করে ফেটে নিন এখন কাস্টার্ড পাউডার দিয়ে ভাল করে মিশান এবং smooth মিশ্রণ তৈরি করুন । একটি পাত্রে দুধ নিন অল্প আচেঁ জাল দিন এখন চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন । ডিম এবং কাস্টার্ড এর মিশ্রনটি দুধের সাথে ঢেলে দিন এবং নাড়তে থাকুন অল্প আচেঁ রান্না করুন । মনে রাখবেন মিশ্রন টি একদম অল্প আচেঁ রান্না করতে হবে এবং বিরতিহীন ভাবে নাড়তে হবে তা না হলে কাস্টার্ড জমে যাবে । কাস্টার্ড হালকা ফুটে উঠলে নামিয়ে ফেলুন । এখন ঠান্ডা হলে ফ্রিজে রাখুন । খবার সময় আপনার পছন্দ মত ফল দিন এবং পরিবেশন করুন । আপনি ডিম ছাড়াও এই কাস্টার্ড বানাতে পারেন, এমন কি যে কোন একটি ফল দিয়েও কাস্টার্ড বানাতে পারবেন । এটি অনেক মজাদার এবং খুব সহজেই তৈরি করা যায়।
bakarkhani1.jpg

পুরানো ঢাকার সুস্বাদু বাকরখানি ঘরেই তৈরি করতে চান? তাহলে পড়ে নিন রেসিপি ও দেখে নিন বিস্তারিত ভিডিও। কেবল রেসিপি পড়ে বাকরখানির ভাঁজ দেয়া একটু কঠিনই বটে। তবে কোন চিন্তা নেই, আজ রইলো জনপ্রিয় অনুষ্ঠান "সিদ্দিকা কবির'স রেসিপি" থেকে একটি দারুণ ভিডিও। এটা দেখেই শিখে নিতে পারবেন খুব সহজে দোকানের মত বাকরখানি তৈরির কৌশল।

উপকরণ-

ক) খামিরের জন্য
ময়দা ১ কাপ,
তেল দেড় টেবিল চামচ
লবণ ১/৪ চা চামচ
গুড়ো দুধ ২ টেবিল চামচ (না দিলেও হবে)
পানি পরিমাণমতো।

খ) লেয়ারের জন্য
তেল ১ কাপ
ঘি ১/৪ কাপ

গ) ছিটানোর জন্য
ময়দা ১ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ১ কাপ, তেল ১ টেবিল চামচ

প্রস্তুত প্রণালি-

- ক এর সমস্ত উপকরণ (ময়দা, তেল, গুঁড়ো দুধ, লবণ ও পরিমাণমতো পানি) একসাথে মিশিয়ে ভালো করে ময়ান করে ঢেকে রাখুন ২/৩ ঘণ্টা।
- লেয়ার তৈরির ঘি ও তেল এক সাথে মিক্স করে একটি বাটিতে রাখুন।
-ছিটানোর জন্য ময়দা, কর্নফ্লাওয়ার ও তেল মিশিয়ে প্রলেপ এর জন্য রেখে দিন।
-এবার একটি পিড়িতে তেল মাখিয়ে খামিরকে যতটুকু সম্ভব খুব পাতলা রুটি বেলে নিন।
-রুটিতে লেয়ারের তেল দিয়ে এর উপর ছিটানোর ময়দার মিশ্রণ ছিটিয়ে দিন। রুটিকে দুই ভাঁজ করে আবার তেল দিয়ে ময়দা ছিটিয়ে দিন। এভাবে আবার করুন।
-এবার ভিডিওতে দেখানো পদ্ধতি অনুসরণ করে বাকরখানি তৈরি করুন।
-ওভেন ট্রেতে ঘি ব্রাশ করে ১৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ প্রি-হিট করে ২০/২৫ মিনিট বেক করে নিন।
-ব্যাস, তৈরি আপনার বাকরখানি।

pic5FF5DL.jpg

উপকরণঃ

• চিনি- ২ কাপ,
• বাদাম- আড়াই কাপ,
• মাখন- ৭ টেবিল চামচ।

প্রণালীঃ

পাত্রে চিনি নিয়ে মিডিয়াম আঁচে গলতে দিন।
কাঠের চামচ দিয়ে নাড়তে থাকুন যেন লেগে না যায়। সামান্য একটু গরম পানি যোগ করতে পারেন।
সব চিনি গলে ক্যারামেল গেলে বাদাম ও মাখন দিয়ে দিন।
চামচ দিয়ে ভালো মতো নেড়ে মিশিয়ে নিন।
একটি ট্রে তে আগে থেকেই মাখন মাখিয়ে রাখুন।
এবার ট্রে তে বাদামের মিশ্রণ ঢেলে ঢেলে কাঠের চামচ (মাখন মাখানো) দিয়ে সমান করে দিন।
*গরম থাকতেই ছুরি দিয়ে পছন্দ মত আকারে কেটে ফেলুন। এরপর ঠান্ডা হতে দিন।
...এয়ার টাইট কৌটায় বেশ কিছু দিন সংরক্ষণ করতে পারবেন ফ্রিজ ছাড়াই।

GH0312H_earl-grey-iced-tea_s4x3.jpg

উপকরণঃ

• চা পাতা ১ চা চামচ
• দারচিনি ১ টুকরা
• এলাচ ১টি
• লবঙ্গ ১টি
• আদা কুচি ১/২ চা চামচ
• পানি দুই গ্লাস
• চিনি স্বাদমতো
• লেবুর রস ১ চা চামচ
• বরফ

প্রস্তুত_প্রণালিঃ

প্রথমে দুই গ্লাস পানি ফুটিয়ে নিন। ফুটন্ত পানিতে আদা ও লেবু রস ছাড়া সব উপকরণ ছেড়ে দিন। এরপর চা পাতা দিয়ে কিছুটা লিকার হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন। চা ছেকে দুটি গ্লাসে ঢেলে দিন। গ্লাসে আদা কুচি ও লেবুর রস দিয়ে নেড়ে নিন ভালো করে। এবার চায়ের তাপমাত্রা কমে গেলে ফ্রিজে রেখে দিন কিছুক্ষণ। ঠান্ডা হয়ে গেলে বরফ দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ঠান্ডা মশলা চা।
943876_921328137937287_64887084976609902

উপাদনসমূহ:


১. দই ১ কেজি                                      ২. সরিষা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ

৩. পানি ০.৫ কাপ                                 ৪. পুদিনা পাতা বাটা ১ টেবিল চামচ

৫. জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ                       ৬. কাঁচা মরিচ বাটা ২ চা চামচ

৭. ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ                        ৮. চিনি ১.৫ টেবিল চামচ

৯. আদা গুঁড়া ০.৫ চা চামচ                  ১০. লবণ ২.৫ চা চামচ

১১. শুকনা মরিচ গুঁড়া ০.৫ চা চামচ    ১২. বীট লবণ ২ চা চামচ

১৩. সাদা গোল মরিচ গুঁড়া ০.৫ চা চামচ

যেভাবে করবে:


১. পুদিনা পাতা ডাটাসহ মিহি করে বেটে নাও। গুঁড়া মসলার পরিবর্তে বাটা মসলা দেওয়া যাবে।

২. সরিশার সাথে পানি মিশিয়ে দই এর সাথে মিশাও। পাতলা কাপড় দিয়ে দই ছেনে নাও অথবা ব্লেন্ডারে মসৃণ করে ফেট। বেশি ঘন হলে প্রয়োজনমতো পানি মিশাও।

৩. দই এর সাথে অন্যান্য সব উপকরণ মিশাও। চিনি ও লবণের পরিমাণ নিজের রুচিমতো বাড়ানো কমানো যাবে। পরিবেশনের আগে পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে রাখ।
labang.jpg

উপকরণ
মিষ্টিদই, গরম মসলা, চিনি, পরিমাণমতো লবণ এবং মাঠা।

 

প্রণালী
মাঠার সঙ্গে মিষ্টিদই, গরম মসলা, চিনি, লবণ পরিমাণমতো মিশিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট রাখতে হয়। এরপর ব্লেন্ড করে তৈরি করতে হবে লাবাং।

IMG_5421.jpg
উপকরণ :

  • ৩/৪ কাপ লেবুর রস( প্রায় ৬টি লেবু)
  • ২/৩ কাপ চিনি
  • ২ কাপ স্ট্রবেরি
  • ৪ কাপ স্পার্কিং ওয়াটার অথবা ঠান্ডা পানি

 

প্রণালী:

  • ১। লেবুর রস এবং চিনি একটি পাত্রে ভাল করে মিশিয়ে নিন। চিনি না গলা পর্যন্ত মিশিয়ে নিন।
  • ২। এবার ব্লেন্ডারে স্ট্রবেরিগুলো দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। ব্লেন্ড করা হয়ে গেলে একটি ছাঁকনি দিয়ে স্ট্রবেরিগুলো ছেঁকে পিউরি আলদা করে নিন।
  • ৩। তারপর লেবুর রস এবং স্ট্রবেরির পিউরি মিশিয়ে নিন।
  • ৪। এর সাথে প্রয়োজন অনুযায়ী পানি বা স্পার্কলিং ওয়াটার মেশান।
  • ৫। ব্যস তৈরি হয়ে গেল স্ট্রবেরি লেমোনেড।
  • ৬। বরফ কুচি, লেবুর টুকরো দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার স্ট্রবেরি লেমোনেড।
Cucumber-576x330.png

উপকরণ:

শসা ২টা,
পানি ২৫০ গ্রাম,
চিনি ১০ গ্রাম,
আদা ৫ গ্রাম,
লেবু ১টা।


প্রণালি:

১. শসা ধুয়ে কেটে নিন। লেবুও খোসা ফেলে কাটুন।
২. ব্লেন্ডারে শসা, লেবু, আদা বা চিনি দিয়ে ব্লেন্ড করুন।
৩. ছেকে ফ্রিজের সাধারণ তাপমাত্রায় আধাঘণ্টা রেখে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
Bell.jpg

উপকরণ:

বেল ১টা, দুধ আধা কাপ, পানি ৪ কাপ, চিনি পরিমাণ মতো।

17.-bel-600x600.jpg

প্রণালী:

বেল আগের দিন অথবা ১২ ঘন্টা আগে ভিজিয়ে রাখুন। এবার বেলের আঠা ও বিচি ফেলে ভালভাবে চটকে চালনিতে ছেঁকে নিন। তারপর বেলের রসের সাথে পানি দিয়ে চিনি ও দুধ মেশান। এবার প্রয়োজন মতো বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

%25E0%25A6%25AA%25E0%25A7%2581%25E0%25A6

উপকরণ

মাঝারি আকারের লেবু ২টা, পুদিনাপাতা ১০ গ্রাম, পানি ২৫০ মিলিলিটার, বরফ ২০ মিলিলিটার, চিনি ১০ গ্রাম।

প্রস্তুত প্রণালি :

১. প্রথমে লেবুর খোসা ফেলে টুকরো করে নিন। পুদিনাপাতা ধুয়ে কুচি করে কাটুন।
২. ব্লেন্ডারে লেবু, পুদিনাপাতা, পানি, চিনি দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন।
৩. এরপর ছাকনি দিয়ে ছেকে গ্লাসে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
5984.jpeg

উপকরণঃ

১। আদার রস ১ চা চামচ
২। লেবুর রস ১ টেবিল চামচ
৩। চিনি ২ টেবিল চামচ
৪। ঠান্ডা পানি ১ গ্লাস

Lemon-Ginger119942036.jpg


প্রণালীঃ

সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে শরবত বানাতে হবে। ইফতারের সময় এই শরবত খুবই ভালো লাগবে।
%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6

উপকরণ:

• বাতাবি লেবুর রস হাফ কাপ,
• সিরাপ বা চিনি ২ টেবিল চামচ,
• ঠান্ডা পানি ১ কাপ,
• বরফ কুচি পরিমান মতো ।

প্রণালী:

বাতাবি লেবুর রস পাতলা কাপড় দিয়ে ছেকে নিতে হবে। ব্লেন্ডারেও রস করে নেওয়া যায়। পানি ও সিরাপ মেশান।
benefits-of-tomato-juice.jpg

উপকরণ :

 টমেটো ২৫০ গ্রাম, চিনি ২ টেবিল চামচ, গোল মরিচ ১/২ চা চামচ, পানি ১০০ মিলি।

প্রণালী :

টমেটো, চিনি, গোল মরিচ ও পানি একসাথে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিয়ে একটি গ্লাসে ঢেলে সুন্দরভাবে সাজিয়ে পরিবেশন করুন টমেটোর শরবত।

OJ.jpg

উপকরণ :

• কমলা ৪টি,
• চিনি ২ টেবিল চামচ,
• পানি ১০০ মিলি।

প্রণালী :

প্রথমে কমলাগুলো ছিলে নিতে হবে। তারপর চিনি ও পানি দিয়ে একসাথে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে ভালোভাবে ছেঁকে নিতে হবে। তারপর একটি গ্লাসে শরবত ঢেলে সুন্দরভাবে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
lemon-pineapple-juice.jpg

উপকরণ :

• আনারস ১ টি,
• বিট লবণ ১/৪ চা চামচ,
• চিনি ২ চা চামচ,
• গোলমরিচের গুঁড়ো ২ চা চামচ,
• পানি পরিমাণমতো।

প্রণালী :
আনারস কুড়িয়ে নিন। তারপর একসাথে বিট লবণ, চিনি ও গোল মরিচের গুঁড়ো পানিতে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। তারপর সুন্দর একটি গ্লাসে ঢেলে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
f7f9b8e16ff71cd7c7ba6756cd60be9c-570a03a

উপকরন:

• দই এক কাপ,
• চিনি ২ টেবিল চামচ,
• ঠান্ডা পানি ১ কাপ,
• বরফ কুচি ,
• গোলাপ জল।

প্রণালী:

দই ফেটে ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এতে সিরাপ বা চিনি মেশান। গোলাপ জল ও বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
megherdesh_1334349227_3-2.jpg

উপকরণ :

• কামরাঙ্গা [কাঁচা কিংবা পাকা!]
• গুড়/চিনি
• বিট লবন
• কাঁচা মরিচ
• বরফ

প্রণালি

সব একসাথে করে দ্যান ঘুটা মিক্সিতে! তবে কামরাঙ্গার শিরা আর বিচি ফেলে নিতেই হবে!
megherdesh_1334349175_2-7.jpg


উপকরণ:

আদার রস ১ চা-চামচ,
লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ,
চিনি ২ টেবিল-চামচ,
ঠান্ডা পানি ১ গ্লাস।

প্রণালি:

সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে শরবত বানাতে হবে
megherdesh_1334349100_1-1.png

উপকরণঃ
• দুধ আধা কেজি,
• জাফরান আধা চা চামচ,
• পেস্তা কুচি আধা টেবিল চামচ,
• আমন্ড বাদাম কুচি আধা টেবিল চামচ,
• চিনি ৪ টেবিল চামচ,
• পেস্তা ও আমন্ড বাটা ১ টেবিল চামচ,
• কিশমিশ আধা টেবিল চামচ,
• এলাচ গুঁড়া সিকি চা চামচ,
• গোলাপ পানি আধা চা চামচ।

প্রণালীঃ
• দুধ, গোলাপ পানি, জাফরান ও চিনি একসঙ্গে চুলায় দিতে হবে, ফুটে উঠলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে বাকি উপকরণ মিলিয়ে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
watermelon-seeds-juice1.jpg

উপকরণঃ-
তরমুজ- ৪ কাপ
-লেবুর রস- ১/৪ কাপ
-চিনি- ১ কাপ-পানি- ১ কাপ
-বিট লবণ- ১ চা চামচ
-পুদিনা পাতা- ইচ্ছা মত
-বরফ- ইচ্ছা মত।

প্রণালীঃ
তরমুজ টুকরো করে কেটে নিন, ও বিট লবণ এবং চিনি দিয়ে ২ ঘণ্টামাখিয়ে রাখুন।এরপর তরমুজটিকে ভালো করে চটকে নিন কিংবা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন এবং ভালো করে ছেঁকে নিন।এবার একটি জগে তরমুজের রস, লেবুর রস ও পছন্দ মত মিশিয়ে নিন। পুদিনা পাতা গুলো টুকরো করে কিছু সময় শরবতে ভিজিয়ে রাখুন। ফলে ফ্লেভারটা মিশে যাবে শরবতের সাথে। এবার ভালো করে নেড়ে ও ছেঁকে নিয়ে বরফ মিশিয়ে পরিবেশন করুন।

megherdesh_1334350231_8-SAM_3571.JPG

উপকরন

আম-১টা
চিনি-৫-৬ চামচ
গোল মরিচ-১ চামচ
বীট লবন-১ চামচ
কাচা মরিচ-2
লবন-প্রয়োজন মত
পানি-আড়াই কাপ

প্রনালীঃ

কাচা আম কুচি কুচি করে কেটে উপকরন গুলোর সাথে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
z_604.jpg

মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব দক্ষিণ ভারত জয় করার পর সর্ব প্রথম যাত্রা শুরু হয় জিভে জল আনা সুস্বাদু বিরিয়ানির। মুঘল ও তেলেগু রান্নার সংমিশ্রনে ঐতিহাসিক হায়দ্রাবাদের তৎকালীন শাসন নিজামের রান্নাঘর থেকেই এর উত্থান।সম্রাট আওরঙ্গজেবের যুদ্ধজয়ী খাবার এখন সহজে, যুদ্ধ ছাড়াই তৈরি হতে পারে আপনার ঘরে। চলুন একবার দেখে নেয়া যাক কীভাবে সেটি হতে পারে -

উপকরণ-১:

বাসমতি চাল ২৫০ গ্রাম, কাঁচামরিচ ২টি, পুদিনা পাতা কুচি আধা কাপ, ছোট এলাচ ৪টি, শাহি জিরা আধা চা চামচ, লবণ আন্দাজমতো, সিরকা ১ টেবিল চামচ। চাল ১ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ১ লিটার পানিতে সবকিছু দিয়ে বলক উঠলে চাল দিয়ে আধাসেদ্ধ করে নিতে হবে।

উপকরণ-২:

মুরগি বড় ১টি (পিস করা), কাঁচামরিচ বাটা ১ চা চামচ, ধনেপাতা বাটা ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, ধনে ভাজা গুঁড়া ১ চা চামচ, জিরা ভাজা গুঁড়া ১ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ দিয়ে মুরগি মাখিয়ে রাখতে হবে।

উপকরণ-৩:

পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, পুদিনা পাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, তেল আধা কাপ, আদা কুচি ১ টেবিল চামচ, এলাচ ছেঁচা ২টি, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ। প্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে মুরগি এবং বাকি সব দিয়ে ২০ মিনিট রান্না করতে হবে । জাফরান আধা কাপ দুধে গুলে নিতে হবে। ঘি আধা কাপ।

প্রণালী:

প্রথমে হাঁড়িতে অর্ধেক ঘি গরম করে সেদ্ধ ভাত দিয়ে তার ওপর মুরগির রান দেবেন। এভাবে দুবার দিয়ে একদম শেষে জাফরান, বাকি ঘি ও একমুঠো বেরেস্তা ওপরে ছিটিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে সালাদ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

shahi-jorda.jpg

উপকরণঃ

পোলাও চাল আধা কেজি আধাঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে,
চিনি ৩ কাপ,
কিশমিশ আধা কাপ,
গরম মসলা,
এলাচ,
লবঙ্গ,
দারুচিনি,
কমলার রস ১ কাপ,
দারুচিনি মোরব্বা আধা কাপ,
মাওয়া আধা কাপ,
জর্দার রং আধা চা চামচ,
ঘি বা বাটার অয়েল ১ কাপ,
গুঁড়ো দুধ ২ টেবিল চামচ,
পেস্তাবাদাম স্বাদমতো,
কাজুবাদাম স্বাদমতো।

প্রণালীঃ

পরিমাণমতো পানি ফুটিয়ে নিতে হবে। পানি ফোটানোর সময় ২ টেবিল চামচ ঘি ও রং দিয়ে ফুটাতে হবে। পানিতে ভিজিয়ে রাখা চাল দিয়ে শক্ত ভাত রান্না করে নিতে হবে। ঝাঁজরিতে ভাত ঢেলে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এখন বড় পাত্রে ভাত, চিনি, গরম মসলা, গুঁড়ো দুধ, কমলার রস গরম ঘি মিশিয়ে চুলায় অল্প আঁচে বসিয়ে রাখতে হবে ঘন্টাখানেক তাওয়ার ওপর। দু-তিনবার ওপর-নিচ করে দিতে হবে হালকা হাতে। নামানোর আগে বাদাম, কিশমিশ ও মাওয়া দিয়ে নেড়ে নামাতে হবে। ছোট ছোট পানতোয়া এবং রসগোল্লা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

মাওয়াঃ

গুঁড়ো দুধ ২ টেবিল চামচ, ঘি আধা চা চামচ, গুঁড়ো চিনি ১ চা চামচ, গোলাপজল আধা চা চামচ- সব একত্রে মিলিয়ে নিতে হবে।
rs.jpg

উপকরণ

মিষ্টির জন্য:

গুড়ো দু্ধ এক কাপ
ডিম ১ টি (প্রয়োজনে আরেকটি ডিমের অর্ধেক)
ঘি ১ চা চামচ
বেকিং পাউডার ১/২ চা চামচ
ময়দা ১/২ চা চামচ

রসের জন্য:

দুধ ১ লিটার
চিনি পরিমান মত
গুড়ো দুধ/কনডেন্সড মিল্ক ১/২ কাপ (কনডেন্সড মিল্ক না খাওয়াই ভালো ভেজাল এ ভরা)
এলাচি ৩/৪ টি
দারচিনি ১ টি (ইচ্ছা)
পেস্তা বাদাম ও কিসমিস পরিমান মত (ইচ্ছা)
জাফরান ছোট এক চিমটি ১ চা চামচ গোলাপজলে ভিজানো (ইচ্ছা)

যেভাবে করবেন:

লিকুইড দুধ চুলায় বসিয়ে নাড়তে থাকুন, চিনি দিন কনডেন্সড মিল্ক ব্যবহার করলে চিনি বুঝে দিন, এবার গুড়ো দুধ/কনডেন্সড মিল্ক এবং এলাচি ও দারচিনি দিয়ে দুধ নাড়তে নাড়তে কমিয়ে প্রায় অর্ধেকের একটু বেশী থাকা অবস্থায় চুলা একদমই কমিয়ে ঢেকে রাখুন।

একটি পাত্রে গুড়ো দু্ধ, বেকিং পাউডার, ময়দা মিশিয়ে চালনি দিয়ে চেলে নিন, তারপর ঘি ও ডিম(বড় ডিম হলে ১টি দিয়েই হবে) দিয়ে সুন্দর করে মাখিয়ে একদম সফট/আঠালো টাইপ ডো বানান, যদি মনে হয় ১টি ডিম এ ডো একদম সফট/আঠালো টাইপ হয়নি তাহলে আরো একটু ডিম দিন। এবার হাতে ঘি লাগিয়ে আপনার পছন্দ মত শেপ দিন ডো টাকে, মিষ্টি বানানো শেষ হলে চুলায় থাকা দুধের আঁচ বাড়িয়ে দিন এবং সব মিষ্টি ও জাফরান দিয়ে ১০/১৫ মিনিট অল্প আঁচে রান্না করুন এবং নামিয়ে ঢেকে রাখুন। গরম ভাবটা চলে গেলে ফ্রিজে রাখুন এরপর ঠান্ডা রসমালাই পেস্তা ও কিসমিস দিয়ে পরিবেশন করুন

0111_55905.jpg

উপকরণ

১. মাংস পাতলা করে কাটা – ৮/১০ পিস
২. পাউরুটি – ৮/১০ পিস
৩. আদা ও রসুন বাটা – ১ চা চামচ
৪. পিঁয়াজ বাটা – ২ টেবিল চামচ
৫. ভিনেগার – ২ চা চামচ
৬. মরিচ গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
৭. লবণ – স্বাদমত
৮. ডিম - ১ টি
৯. তেল – পরিমাণমত
১০. বিস্কুটের গুঁড়া – ১ কাপ

প্রণালীঃ


প্রথমে মাংস গুলো ভালভাবে ধুয়ে কাটা চামচ দিয়ে ভাল করে খুচিয়ে নিতে হবে।
এবার সব মশলা ও লবণ মিশিয়ে মাংস ৪/৫ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। একটি
বাটিতে পানি নিয়ে পাউরুটি ভিজিয়ে ভালভাবে চটকে নিয়ে ভিতরে মাংসের স্লাইস
একটা একটা করে দিয়ে কাটলেট শেপ তৈরি করে নিতে হবে। এবার ডিম ফেটিয়ে তার
মধ্যে কাটলেট চুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়ায় গড়িয়ে ভাজতে হবে অল্প আঁচে। লাল করে
ভেজে গরম গরম পরিবেশন করুন।
botikabab.jpg


উপকরণঃ

১. গরুর মাংস – ১ কেজি
২. টকদই – ১/২ কাপ
৩. আদা-রসুন বাটা – ২ চা চামচ
৪. মরিচ গুঁড়া – ২ চা চামচ
৫. জিরা গুঁড়া – ১ চা চামচ
৬. ধনে গুঁড়া – ১ চা চামচ
৭. গরম মশলা গুঁড়া – ১ চা চামচ
৮. সরিষা বাটা – ১/২ চা চামচ
৯. পিঁয়াজ বাটা – ৩ চা চামচ
১০. সরিষার তেল – ১/২ কাপ
১১. কাঁচা পেঁপে বাটা – ১/২ কাপ
১২. ঘি – ২ চা চামচ
১৩. লবণ – স্বাদমত

754.jpg

প্রণালীঃ

প্রথমে মাংস ধুয়ে কিউব করে কেটে নিয়ে সব মশলা ও তেল মাখিয়ে ফ্রিজে রাখতে হবে ২ ঘণ্টা। ফ্রিজ থেকে বের করে মাংস শিকে ভরে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ওভেনে গ্রিল করতে হবে ১০ মিনিট। লালচে কালার হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলতে হবে। ওভেন ছাড়া করতে চাইলে প্যানে মাংস গুলো রেখে ঢেকে দিয়ে চুলার আঁচ মিডিয়াম রাখতে হবে। কিছুক্ষণ পর ঢাকনা তুলে এপিঠ-ওপিঠ করে লাল করে ভেজে গরম গরম পরিবেশন করুন পরোটা অথবা লুচির সাথে মজাদার বীফ বটি কাবাব।
%E0%A6%B9%E0%A6%9F-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0

উপকরণঃ

১. গরুর মাংস – ১ কেজি
২. পিঁয়াজ বাটা – ১ কাপ
৩. আদা ও রসুন বাটা – ২ চা চামচ
৪. হলুদ গুঁড়া – ১ চা চামচ
৫. মরিচ গুঁড়া – ২ চা চামচ
৬. টক দই – ২ কাপ
৭. গরম মশলা বাটা – ১ চা চামচ
৮. জিরা গুঁড়া – ১ চা চামচ
৯. তরল দুধ – ১/২ কাপ
১০. লবণ – স্বাদমত
১১. ঘি – ১ টেবিল চামচ
১২. চিনি – ১ টেবিল চামচ
১৩. শুকানা মরিচ – ১০/১২ টি
১৪. পিঁয়াজের বেরেস্তা – ১/২ কাপ
১৫. তেল – পরিমাণমত
১৬. পানি – পরিমাণমত
১৮. কিশমিশ – ১ টেবিল চামচ

প্রণালীঃ

প্রথমে মাংস ছোট ছোট করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর একটি পাত্রে মাংস নিয়ে তার মধ্যে একে একে সব গুঁড়া মশলা, বাটা মশলা (পিঁয়াজ বাটা বাদে) ও টক দই খুব ভালভাবে একসাথে মিশিয়ে ১২ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন। এজন্য সবথেকে ভাল সময় রাতে ম্যারিনেট করে ফ্রিজে রাখা যাতে সকালে রান্না করতে পারেন। তারপর প্যানে তেল গরম করে পিঁয়াজ বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে ম্যারিনেট করা মাংস দিয়ে খুব ভালভাবে কষাতে হবে। মাংস কষানো হয়ে গেলে পরিমাণমত পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করতে হবে। পানি শুকিয়ে আসলে দুধ, শুকনা মরিচ, কিশমিশ ও চিনি দিয়ে নেড়েচেড়ে আরও কিছুক্ষণ ধেকে রান্না করতে হবে। মাংস সিদ্ধ হয়ে আসলে ঝোল মাখোমাখো হলে নামিয়ে ফেলতে হবে। উপরে বেরেস্তা ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন ভাত অথবা পরোটার সাথে মজাদার শাহী বীফ কালিয়া।
picgOkZr4.jpg

উপকরণঃ

১. গরুর মাংস( হাড় ছাড়া) – ২ কেজি
২. কর্নফ্লাওয়ার – ১০০ গ্রাম
৩. ডিম – ৪ টি
৪. পিঁয়াজ ( কিউব করে কাটা) – ৫০০ গ্রাম
৫. আদা কুচি – ১ চা চামচ
৬. মরিচ গুঁড়া – ২ চা চামচ
৭. সয়াসস – ২ টেবিল চামচ
৮. ওয়েস্টার সস – ২ টেবিল চামচ
৯. লবণ – পরিমাণমত
১০. তেল – ১ কাপ
১১. বাটার/ঘি – ২ টেবিল চামচ
১২. কাঁচামরিচ – ১০/১২ টি

প্রণালীঃ

প্রথমে মাংস গুলোকে ধুয়ে ছোট ছোট করে কেটে নিয়ে ডিম ও কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে ম্যারিনেট করে নিতে হবে। মাংস গুলকে তেলে ডিপ ফ্রাই করে নিতে হবে। এবার প্যানে তেল গরম করে আদা কুচি দিয়ে নেড়েচেড়ে পিঁয়াজ দিয়ে ভাজতে হবে। হালকা ভেজে মাংস দিয়ে নাড়তে হবে। এরপর সয়াসস, ওয়েস্টার সস, লবণ ও মরিচগুঁড়া দিয়ে কিছুক্ষণ কষাতে হবে। এরপর পানি ও বাটার/ঘি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। কিছুক্ষণ পর অল্প পানিতে বাকি কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে মাংসে ভালভাবে মিশিয়ে আবারো ঢেকে দিতে হবে। সবশেষে কাঁচামরিচ ফালি দিয়ে নেড়েচেড়ে নামিয়ে ফেলুন মজাদার গ্রেভি বীফ চিলি।
amitumi_hari-kabab.jpg

উপকরনঃ

১. গরুর মাংস – ১ কেজি
২. টকদই – ১/২ কাপ
৩. আদা ও রসুন বাটা – ২ চা চামচ
৪. মরিচ গুঁড়া – ২ চা চামচ
৫. জয়ফল বাটা – ১/৪ চা চামচ
৬. জয়ত্রী বাটা – ১/ ৮ চা চামচ
৭. পিঁয়াজ কুচি – ১ কাপ
৮. গরম মশলা বাটা – ১ চা চামচ
৯. গোলমরিচ – ১০/১২ টি
১০.তেজপাতা – ১ টি
১১. শাহী জিরা – ১ চা চামচ
১২. তেল – ১/২ কাপ
১৩. লবণ – স্বাদমত
১৪. চিনি – ১ টেবিল চামচ
১৫. পানি – ২ কাপ

প্রনালিঃ

প্রথমে মাংস ১ ইঞ্চি মত স্লাইস করে শীল-পাটায় ছেঁচে নিতে হবে। মাংসে দই,
লবণ ও সব বাটা মশলা দিয়ে মাখিয়ে রাখতে হবে ৬-৭ ঘণ্টা। হাঁড়িতে তেল গরম করে
পিঁয়াজ ভেজে নিতে হবে বাদামি করে। অর্ধেক পিঁয়াজ তুলে চিনি দিয়ে মাখিয়ে
রাখতে হবে আর হাঁড়ির বাকি পিঁয়াজের মধ্যে গোলমরিচ, তেজপাতা ও শাহী জিরা
দিয়ে নেড়েচেড়ে ম্যারিনেট করা মাংস দিয়ে ভালমত কষিয়ে পানি দিয়ে মৃদু আঁচে
রান্না করতে হবে। মাংস সিদ্ধ হয়ে পানি শুকালে চিনি মাখানো বেরেস্তা দিয়ে
নেড়ে দমে রাখতে হবে কিছুক্ষণ। তেল উপরে উঠে আসলে গরম গরম পরিবেশন করুন নান অথবা পরোটার সাথে মজাদার হাঁড়ি কাবাব।
korma_826.jpg

এখন জেনে নিন কিভাবে তৈরি করবেন কাশ্মীরি কোরমা-

উপকরণ
হাড়সহ খাসির মাংস-১ কেজি
শুকনা মরিচ- ১০টি
পেঁয়াজ- ৩টি
দারুচিনি- ২ টুকরা
এলাচ- কয়েকটি
আদা-রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ
জিরা- ১ টেবিল চামচ
মাংসের মসলা- ১ টেবিল চামচ
মরিচ বাটা- ৩ টেবিল চামচ
মৌরি গুঁড়া- ১ টেবিল চামচ
তেঁতুল বাটা- ২ টেবিল চামচ
লবণ- স্বাদ মতো
তেল- প্রয়োজন মতো

প্রস্তুত প্রণালী
১। পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভাজুন।
২। ভাজা পেঁয়াজে মাংস দিয়ে ভাজুন।
৩। কিছুক্ষণ পর মাংসে আদা-রসুন বাটা, দারুচিনি, এলাচ, মৌরি গুঁড়া, জিরা ও মাংসের মসলা দিয়ে নাড়তে থাকুন।
৪। পানি দিয়ে ১৫ মিনিট রান্না করুন।
৫। মাংস ও মসলার মিশ্রণ প্রেসার কুকারে নিয়ে দুটি শিস দিন। দেখুন মাংস সেদ্ধ হয়েছে কিনা।
৬। অন্য আরেকটি পাত্রে পানি ফুটিয়ে শুকনা মরিচ সেদ্ধ করুন। সেদ্ধ হয়ে গেলে বেটে নিন মরিচ।
৭। তেঁতুল ও মরিচ বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে মাংসে দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ রান্না করুন।
৮। মাংসের পাত্র নামিয়ে ধনিয়া পাতা কুচি ছিটিয়ে পরিবেশন করুন ঝাল ঝাল কোরমা।
1417489118_achar2--150x150.jpg

উপকরণঃ

আমড়া ৬ টা
চিনি ১ কাপ
শুকনা মরিচ ২ টা
আদাবাটা ১ চা চামচ
পাঁচফোড়ন ১/২ চা চামচ
সরষের তেল ২ চা চামচ
লবণ ১ চা চামচ
এলাচ ২ টা
দারুচিনি ২ টুকরা
সিরকা ১/২ কাপ

প্রণালীঃ

আমড়ার খোসা ছাড়িয়ে আটি বাদ দিয়ে টুকরা করুন। এভার ডুবো পানিতে আধা সিদ্ধ হলে পানি ছেকে তুলে রাখুন।
গরম পানিতে চিনি মিশিয়ে ফুটিয়ে সিরা তৈরী করুন।এলাচ দারুচিনি থেতো করে ও শুকনো মরিচ ২ টুকরো করে রাখুন।
সরষের তেল গরম করে পাঁচফোড়ন দিন, ফুটে উঠলে আমড়া দিয়ে ২-৩ মিনিট নাড়ুন, সিরকা দিন। সিদ্ধ আমড়া, সিরা, আদা, মরিচ, এলাচ, দারুচিনি ও লবণ দিয়ে মাঝে মাঝে নাড়ুন। সিরা ঘন হলে চাটনীর মতো দেখালে নামিয়ে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।
capture2-248x300.jpg

উপকরণঃ

পালং শাক সিদ্ধ বাটা ১ কাপ
ময়দা ১.৫ কাপ
চিনি ১ চা চামচ
লেবুর রস ২ চা চামচ
লবণ স্বাদ মতো
তেল ১ টেবিল চামচ
তেল ভাজার জন্য।

কাঁচা মরিচের চাটনি উপকরণঃ

কাঁচামরিচ ৩০ গ্রাম
জিরা ১/২ চা চামচ
তেঁতুল ২৫ গ্রাম
ধনেপাতা ৫ গ্রাম
হিং সামান্য
লবণ স্বাদমতো।

প্রস্তুত-প্রণালীঃ

প্রথমে পালং শাক ধুয়ে কেটে সিদ্ধ করে বেটে নিন।
এবার ১ কাপ ময়দার সঙ্গে চিনি, লবণ, তেল মেশিয়ে নিন।
তারপর পালং শাক ও লেবুর রস দিয়ে ময়দায় মিশিয়ে নিন। মিশানো ময়দার সঙ্গে বাকি ময়দা মিশিয়ে খামির করে নিন।
খামির করে ১/২ ঘণ্টা রেখে ১২ ভাগ করুন এবং প্রত্যেক ভাগ দিয়ে ৮ – ৯ সেমি ব্যাসের রুটি বেলতে হবে।
এরপর কড়াইয়ে তেল গরম করে পুরি তেলে ছাড়ে দিন।
এবার ফুলে উঠলে কয়েক সেকেন্ড পর তেল ছেঁকে তুলে ফেলুন।

কাঁচা মরিচের চাটনি প্রস্তুত-প্রণালীঃ

কাঁচামরিচ, জিরা, তেঁতুল, ধনেপাতা, হিং সামান্য, লবণ স্বাদমতো সব উপকরণ পরিষ্কার করে এক সাথে বেটে কাচের বাটিতে উঠিয়ে রাখুন।
সবশেষে গরম গরম পালং পুরি ও কাঁচা মরিচের চাটনি এক সঙ্গে পরিবেশন করুন।
তবে হয়ে যাক, এই শীতে আপনার আড্ডায়-“গরম গরম পালং পুরি ও কাঁচা মরিচের চাটনি”
fruit-custard-81469268146926.jpg

উপকরণ:


ডিম একটি
দুধ ৪ কাপ
কাস্টার্ড পাউডার ২ টেবিল চামচ
চিনি এক কাপ
ভেনিলা এসেন্স এক চা চামচ
কলা আধা কাপ
কালো আঙুর আধা কাপ
সাদা আঙুর আধা কাপ
আপেল আধা কাপ
চেরি আধা কাপ

প্রণালি:

প্রথমে মাইক্রোওয়েভ ডিপ পাত্রে দুধ ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পাঁচ মিনিট ফোটান। দুধ ফুটে উঠলে চিনি দিন। এরপর দুধ ঠাণ্ডা করে ডিম দিয়ে ভালোভাবে ফেটান।
এবার কাস্টার্ড ( Custard) পাউডার অল্প পানিতে মিশিয়ে দুধে দিয়ে আবার ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় তিন মিনিট জ্বাল দিন। ঘন হয়ে এলে সব ফল টুকরো করে কেটে ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে ভালোভাবে মেশান।
ফ্রিজে (Fruit Custard) রেখে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন।
Make-KFC-Original-Fried-Chicken-Intro.jp

উপকরণ:

মুরগি ১টি ৮ টুকরো করে কাটা,
ঘন দুধ আধা কাপ,
ময়দা ১কাপ,
লবণ পরিমান মতো,
গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ,
সরিষা গুঁড়া পরিমাণ মতো,
কর্নফ্লেক্স বা চিপস আধা কাপ,
তেল পরিমাণ মতো।

প্রনালী:

কর্নফ্লেক্স বা চিপসগুলো চাপ দিয়ে ভেঙ্গে নিন।
এবার একটি পলেথিন ব্যাগে ময়দা, লবণ, গোলমরিচের গুঁড়া, কর্নফ্লেক্স বা চিপস, সরিষা গুঁড়া দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। মুরগির টুকরো গুলো দুধের মধ্যে কিছুক্ষণ রেখে তারপর তুলে নিন। এবার মাংসের টুকরোগুলো ময়দার মিশ্রণে দিয়ে প্যাকেটের মুখ বন্ধ করে খুব ভালো করে ঝেঁকে কোট লাগিয়ে নিন। এবার একটি পাত্রে তেল দিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন। তেল গরম হয়ে এলে মাংস গুলো দিন। কিছুক্ষণ পর চুলার আচঁ কমিয়ে ঢাকনা দিয়ে ভাজতে থাকুন। এতে মাংসের ভেতরটা সেদ্ধ হয়ে যাবে। মচমচে করতে এবার ঢাকনা খুলে দিন এবং চুলার আচঁ বাড়িয়ে দিন যাতে বাদামী রং হয়।
এবার উঠিয়ে সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার ক্রিসপি চিকেন
রেসিপিঃ সাধারন আলু ভর্তা (ব্যচেলর ভালবাসা)

WP_20160204_23_16_57_Pro.jpg

উপকরন ও পরিমানঃ

– আলু সিদ্ধ
– পেঁয়াজ কুঁচি
– কাঁচা মরিচ কুঁচি
– লবন
– সরিষার তেল
– ধনিয়া পাতার কুঁচি
(পরিমান অনুমান যোগ্য)

প্রনালীঃ

সামান্য এক চিমটি লবন পানিতে আলু সিদ্ধ করুন। আলু সিদ্ধ হবার ফাঁকে এই কাজ গুলো করে নিন।আলু সিদ্ধ হল কি না কি করে বুঝবেন! কোন শক্ত লোহার শিক বা খুন্তির হাতল প্রান্ত দিয়ে এভাবে খুঁচিয়ে দেখতে পারেন। আরামসে আলুর ভিতর প্রবেশ করলে বুঝবেন হয়ে গেছে! আলু সিদ্ধ করে কিছুতেই ঠান্ডা করার জন্য পানি দেবেন না। এভাবে ঝাঁজরিতে রেখে পানি ঝরিয়ে ঠান্ডা করে তার পর চামড়া ছিলে নিন। এই কাজে তাড়া হুড়ার দরকার নেই, আস্তে ধীরে! এবার আলু গুলোকে গলিয়ে নিন, এই কাজে একটা কাপ বা গ্লাস ব্যবহার করতে পারেন। আলু এই সময়েও কিছুটা গরম থাকতে পারে! ভাল করে মেখে নিন। এবার পেঁয়াজে লবন দিয়ে মাখুন। লবন কম, পরে দেখে দেয়া যাবে! মরিচ কুঁচি মাখুন। খাটি সরিষার তেল দিন। মাখুন। ধনিয়া পাতার কুঁচি দিন। মাখুন, ফাইন্যাল লবন স্বাদ দেখুন। লাগ্লে দিন! এইতো পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। আপনার ভাগ বুঝে নিন! মানুষের মাথা গুনে এভাবেও পরিবেশন করতে পারেন!



ভর্তাঃ আলু সিদ্ব ও পেঁয়াজ কাঁচামরিচ:-

P1080817.jpg

উপকরণঃ

– পরিমান মত আলু
– কয়েকটা কাঁচা মরিচ
– কয়েকটা পেঁয়াজ কুচি
– লবন (পরিমান মত)
– সরিষার তেল

প্রনালীঃ

ভাল করে আলু সিদ্ব করে চামড়া খুলে ফেলুন। এই ফাঁকে একটা তাওয়ায় সামান্য তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি ও কাঁচা মরিচ ভেজে ফেলুন। লবন ও সরিষার তেল নিন। আলু ভাল করে ডলে ডলে মিশান এবং পেঁয়াজ/ মরিচ কচি, লবন ও সরিষার তেল মিশিয়ে মিশিয়ে মেখে ফেলুন।
parathas1.jpg

উপকরণ

– ২ কাপ ময়দা/ আটা

– ২ চা চামচ তেল

– ১ চা চামচ চিনি

– আধা কাপ দই

– লবণ স্বাদমতো

– ৩/৪ চা চামচ বেকিং সোডা

– ১/৪ চা চামচ বেকিং পাউডার

– তেল ভাজার জন্য

প্রণালী:-

– প্রথমে ময়দা/আটা, বেকিং পাউডার, বেকিং সোডা, চিনি এবং লবণ একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর তেল দিয়ে একটু হাত দিয়ে ঝুর ঝুর করে মাখিয়ে নিন ময়দা।
– এরপর ময়দার মাঝে গর্ত করে এতে দই দিন এবং হাতে মেখে খামির তৈরি করে নিন ভালো করে। রুটি বেলার মতো করে নরম খামির তৈরি করবেন। যদি প্রয়োজন মনে করেন তাহলে আরও খানিকটা ময়দা নিতে পারেন কিংবা প্রয়োজনে সামান্য দুধ ব্যবহার করতে পারেন। পানি ব্যবহার করবেন না।
– এরপর খামির তৈরি করে একটি তেল মাখানো পাত্রে বা বক্সে ঢাকনা লাগিয়ে গরম জায়গায় ২ ঘণ্টা রেখে দিন।
– ২ ঘণ্টা পর খামির থেকে অল্প করে নিয়ে গোল বল তৈরি করে রুটি বেলার মতো করে বেলে নিন। তবে সাধারণ রুটির চাইতে একটু মোটা করে বেলে নেবেন।
– ব্যস, এবারে পরোটা যেভাবে হালকা তেলে ভাজেন সেভাবেই ভেজে নিন প্রতিটি পরোটা। এবং গরম গরম পরিবেশন করুন।
-::ফ্রাইডরাইস::-

chinese_fried_rice.jpg

উপকরণ:

বাসমতি বা পোলাওয়ের চাল আধা কেজি। ডিম ২টি। গাজর আধা কাপ। লবণ ২ চা-চামচ। গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ। পেঁয়াজ এক কাপের চারভাগের একভাগ। স্বাদ-লবণ বা টেস্টিং সল্ট চা-চামচের সিকিভাগ। পেঁয়াজকলি এক কাপের চারভাগের একভাগ। সয়া সস ১ চা-চামচ। সয়াবিন তেল ৪ টেবিল-চামচ। চিনি ২ টেবিল-চামচ।

প্রণালী:

ভাত ঝরঝরে করে রান্না করতে হবে। গাজর এবং পেঁয়াজকলি কুচি করে নিন। ডিমে লবণ এবং গোলমরিচ দিয়ে ফেটে আলাদাভাবে ভেজে ছোট টুকরা করে নিন। বড় হাঁড়ি বা কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ এবং গাজর ভাজুন। তারপর ভাত দিয়ে একে একে বাকি সব উপকরণ দিয়ে দিন। ৮ থেকে ১০ মিনিট রান্না করে নামিয়ে ফেলুন।

-::চায়নিজ সবজি::-


rupcare_vegetable-food.jpg

উপকরণ:
চালকুমড়া এক কাপের চারভাগের একভাগ। গাজর ও আলু ১টি করে। ১টি পেঁয়াজ। নিজের পছন্দমতো কাঁচামরিচ। ধনেপাতা নিজের পছন্দমতো। আদা চা-চামচের চারভাগের একভাগ। রসুন চা-চামচের চারভাগের একভাগ। লবণ স্বাদমতো। তেল ৪ টেবিল-চামচ। চিনি মিষ্টি বুঝে। গোলমরিচের গুঁড়া চা-চামচের চারভাগের একভাগ। কর্নফ্লাওয়ার ১ চা-চামচ।

প্রণালী :
প্রথমে প্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজ হালকা ভাজতে হবে। এরপর চালকুমড়া, গাজর, আলু দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে নিন। তারপর আদা, রসুন, গোলমরিচের গুঁড়া ও লবণ দিয়ে ভাজতে থাকুন। বেশখানিকটা পানি বের হবে। পানি কিছুটা শুকিয়ে আসলে চিনি, কর্নফ্লাওয়ার, কাঁচামরিচ এবং ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
jarda.jpg

উপকরণ :
পোলাওয়ের চাল ২ কাপ। চিনি ৩ কাপ। ঘি ৫ টেবিল চামচ। কমলার রস আধা কাপ। পেস্তা বাদাম কুচি ২ টেবিল-চামচ। খাবার রং সিকি চা-চামচ। কিশমিশ ২ টেবিল-চামচ। দারুচিনি ৪ টুকরা। এলাচ ৪ টুকরা। গোলাপ পানি ১ টেবিল-চামচ। মোরব্বা আধা কাপ। জর্দার গুল্লি ১ কাপ। মালাই সিকি কাপ। জাফরান সিকি চা-চামচ।

প্রণালী :
গোলাপ পানিতে জাফরান ভিজিয়ে রাখতে হবে। চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে ২০-২৫ মিনিট পর ফুটানো পানিতে দিয়ে ভাত রান্না করতে হবে। ভাত সেদ্ধ হওয়া মাত্র মাড় ঝরান। আধা কাপ পানিতে চিনি গুলিয়ে লেবুর রস বা দুধ দিয়ে চিনির ময়লা কাটাতে হবে। ঘি দিতে হবে। এলাচ, দারুচিনি দিতে হবে। এবার ভাত সেদ্ধ আঁচে রান্না করুন। কিশমিশ দিন। পানি শুকিয়ে গেলে জাফরান মিশ্রিত গোলাপ পানি দিতে হবে। চুলা থেকে নামিয়ে বাকি উপকরণ দিয়ে পরিবেশন করুন।
pudding.jpg


উপকরণ :
ঘন দুধ ২ কাপ। চিনি ১ কাপ। মুরগির ডিম ৪টি। ২টি এলাচগুঁড়া। ক্রিম ২ টেবিল-চামচ।

প্রণালি :
১ লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে অর্ধেক করে নিতে হবে। ডিমের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে দুধ, ডিম, চিনি, এলাচগুঁড়া ও ক্রিম ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। বার একটা পাত্র চুলায় দিয়ে তাতে সামান্য ঘি বা তেল বা মাখনের সঙ্গে চিনি দিয়ে ক্যারামেল করে নিতে হবে। এবার চিনি দিয়ে ক্যারামেল করা পাত্রে ডিমের মিশ্রণটি ঢেলে পাত্রের মুখ ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ভাপে সেদ্ধ অথবা প্রেসার কুকারে পানি দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ভাপে রাখতে হবে। পুডিং ঠাণ্ডা হতে দিন। ছুরি দিয়ে ছাঁচের চারপাশে ঘুরিয়ে কেটে নিতে হবে। প্লেট ছাঁচের মুখে চেপে ধরে উল্টে দিতে হবে। ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা হলে পরিবেশন করুন সুস্বাদু ক্রিম পুডিং।
e0a6b6e0a6bee0a6b9e0a6bf-e0a6abe0a6bfe0a

উপকরণ:

পোলাওয়ের চাল ১ কাপ,

কিশমিশ ২ টেবিল-চামচ,

দুধ ২ লিটার,

পেস্তা বাদামের কুচি ২ টেবিল-চামচ,

কনডেন্সড মিল্ক ১টি,

মাওয়া গুঁড়া ৪ টেবিল-চামচ,

দারচিনি ৪ টুকরা,

চিনি আধা কাপ

এলাচ ২টি,

জাফরান আধা চা-চামচ।

কেওড়া ১ টেবিল-চামচ,

প্রণালি:
পোলাওয়ের চাল ১ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে আধা বাটা করে দুধ দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। চাল সেদ্ধ হলে চিনি, কনডেন্সড মিল্ক, দারচিনি, এলাচ দিতে হবে। কিছুক্ষণ পর কিছুটা কিশমিশ, পেস্তা বাদামের কুচি দিতে হবে। ঘন হয়ে গেলে কেওড়া জাফরানের সঙ্গে মিলিয়ে ফিরনিতে দিয়ে নামাতে হবে। পরিবেশন পাত্রে ঢেলে মাওয়া, কিশমিশ, পেস্তা বাদামের কুচি দিয়ে সাজিয়ে ঠান্ডা করে শাহি ফিরনি পরিবেশন করতে হবে।

Video dekhun:

https://www.youtube.com/watch?v=_F1dS_PkhUo
murgir-cutlet-080714-p-alo.jpg

উপকরণ :
মুরগির মাংসের কিমা ৪০০ গ্রাম, আদা বাটা ২ চা-চামচ, রসুন বাটা ২ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ (মিহি কুচি) ৪টি, পেঁয়াজ মিহি কুচি ৪ টেবিল চামচ, তাবাস্কো সস ১ টেবিল চামচ, সয়াসস ১ টেবিল চামচ, লবণ সিকি চা-চামচ বা স্বাদ অনুযায়ী, পুদিনাপাতা কুচি ৪ টেবিল চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ২ চা-চামচ, ডিমের সাদা অংশ ৪টি, ময়দা আধা কাপ, শুকনা মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, কালো গোলমরিচ গুঁড়া দেড় চা-চামচ, ব্রেড ক্রাম্ব ৪ কাপ, চিনি আধা চা-চামচ, লেবুর রস ২ চা-চামচ, তেল ভাজার জন্য।

প্রণালি :
তেল, ডিম, ব্রেড ক্রাম্ব, ময়দা ও মরিচ গুঁড়া বাদে কিমার সঙ্গে অন্যান্য সমস্ত উপকরণ একত্রে মিশিয়ে ভালো করে মেখে নিন। একটি প্লেটে ময়দার সঙ্গে মরিচ গুঁড়া মিশিয়ে ছড়িয়ে রাখুন। ডিমের সাদা অংশ বাকি গোলমরিচ এবং সামান্য লবণ দিয়ে ফেটে নিন। (ভাজার ঠিক আগে ডিম ফেটবেন)। এবার একটু করে কিমার মিশ্রণ হাতের তালুতে নিয়ে কাটলেটের আকৃতি দিয়ে তৈরি করে মরিচ গুঁড়া মেশানো ময়দায় গড়িয়ে একটি ট্রেতে রাখুন। এভাবে সবগুলো কাটলেট তৈরি করে ট্রেতে সাজিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন কিছুক্ষণ। অন্য একটি প্লেটে ব্রেড ক্রাম্ব ছড়িয়ে রাখুন। প্রতিটি কাটলেট প্রথমে ডিমে চুবিয়ে ব্রেড ক্রাম্বে গড়িয়ে আবার ডিমে চুবিয়ে ব্রেড ক্রাম্বে সাজিয়ে আরও কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে দিন। তবে ট্রের ওপর একটি কাগজ বিছিয়ে নিয়ে তারপর কাটলেটগুলো রেখে ফ্রিজে রাখবেন। কড়াই বা ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে অল্প আঁচে সোনালি করে কাটলেট ভেজে তেল ছেঁকে উঠিয়ে নিন। চাটনি বা সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
e0a695e0a6a6e0a781-e0a695e0a687e0a6a4e0a

উপকরণ :
কবুতর ২টি, কদু বা লাউ ১টি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ, আদাবাটা ১ টেবিল চামচ, জিরাবাটা ১ চা-চামচ, ধনেবাটা ১ চা-চামচ, মরিচবাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদের গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, সরিষার তেল ১ কাপ।

ভাজনাবাটা তৈরি :

পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, জিরা আস্ত ১ চা-চামচ, দারুচিনি ২ টুকরা, এলাচি ২টি, তেজপাতা ১টি। তেলে সবকিছু লাল করে ভেজে তেল থেকে তুলে মিহি করে বেটে নিলেই ভাজনা তৈরি।

প্রণালি :

কবুতর ছোট টুকরা করে কেটে ধুয়ে নিতে হবে। কদু ছোট টুকরা করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। কবুতরের সঙ্গে ভাজনাবাটা ছাড়া সব মসলা মাখিয়ে রাখতে হবে ১০-১৫ মিনিট। এবার কড়াইতে তেল দিয়ে পেঁয়াজ দিয়ে একটু ভেজে মাখানো কবুতর দিয়ে কষাতে হবে। অল্প আঁচে কষিয়ে কদু দিয়ে দিতে হবে। কদু থেকে পানি বের হবে। সেই পানিতে অল্প আঁচে ঢাকনা দিয়ে রান্না করতে হবে। কবুতর সেদ্ধ হলে ভাজনাবাটা দিয়ে অল্প আঁচে রেখে মাখা মাখা হলে এবং ওপরে তেল উঠলে নামিয়ে নিতে হবে।
url.jpg

উপকরণ :

নারিকেল ১টি,
চিনি ১ টেবিল চামচ,
ঘি ১ চা চামচ,
তারিখ শন ১ কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি :

নারিকেলের কোরা পাশে রেখে গ্যাসের চুলায় একটি বড় তলার কড়াই চাপান। তারপর কড়াইয়ে নারিকেল কোরা ঢালুন এবং এক টেবিল চামচ চিনি ও তারিখ ফ্লেক্স একসঙ্গে হালকা আঁচে নাড়ূন। তারিখ ফ্লেক্স না গলে যাওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। এবার কড়াইয়ে থাকা নারিকেল আঠালো হয়ে আসা পর্যন্ত এই সময়টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মিশ্রণটি নামিয়ে হাতের তালুতে ঘুরিয়ে ছোট ছোট মার্বেলের আকার দিন। মার্বেল বানানোর সময় আপনার হাতে একটু ঘি মেখে নিন। তারপর এয়ার টাইট পাত্রে সংরক্ষণ করুন সুস্বাদু নারিকেলের নাড়ূ।


Watch Video:

https://www.youtube.com/watch?v=TEuBwvfwVZo