#DesiFood

Download more awesome themes for your blogger platform #templatetrackers Follow us @ Google+ and get weekly updates of new templates we release regularly

bread.jpg

উপকরণ
:-

ময়দা / আটা  ২কাপ,ইস্ট ১ চা চামচ এর সামান্য কম,তেল  ২ টেবিল চামচ,দুধ  ১/২ কাপ,উষ্ণ গরম জল ১/২ কাপ,ডিমের সাদা অংশ  ১ টির,লবন ১/২ চা চামচ,চিনি ১ টেবিল চামচ।

প্রনালি
:-

ইস্ট ১/২ কাপ উষ্ণ গরম জলে দিয়ে ৫ মিনিট ঢেকে রাখুন ।ইস্ট ফুলে উঠলে বুঝবেন ইস্ট ভাল আছে।একটি পাত্রে শুকনো সব উপকরণ এক সাথে ভাল করে মিশিয়ে নিন ।দুধ উষ্ণ গরম করে নিন । বেশি গরম দুধ দেবেননা এতে আটা সিদ্ধ হয়ে যাবে ।এবার ইস্ট সবটুকু ময়দার মধ্যে দিয়ে দিন ।এবং অল্প অল্প করে উষ্ণ গরম দুধ দিয়ে আটার মিশ্রণ তৈরি করুন ।দুধ সবটুকু প্রয়োজন হলে দিয়ে দিন ।পাউরুটির ডো এর মতো ডো তৈরি করুন ।অনেক সময় নিয়ে ভাল করে সফট ডো তৈরি করে নিন ।মিশ্রণ অনেকটা নরম করে নিতে হবে ।ডো তৈরি হয়ে গেলে মোটা কাপড় অথবা পলিথিন দিয়ে গরম স্থানে ৩ ঘন্টা রেখে দিন ।ডো ফুলে দ্বিগুণ হলে আবার সামান্য তেল দিয়ে ভাল করে ছেনে নিন ।এবার ডো আপনার ইচ্ছা মতো ছোটবড় সাইজে অথবা ৮ টি ভাগে ভাগ করে নিন ।বেকিং ট্রেতে সামান্য বাটার অথবা ঘি ব্রাশ করে নিন ।আবার হাত দিয়ে গোল বল তৈরি করে ট্রেতে ফাঁকা ফাঁকা করে রাখুন ।এবার ট্রেটি মোটা কাপড় অথবা পলিথিন দিয়ে ঢেকারেখে দিন ২০ মিনিট থেকে ১/২ ঘন্টার জন্য ।বলগুলো ফুলে আবার দ্বিগুণ হলে উপরে ডিমের সাদা অংশ ব্রাশ করে দিন ।২০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেতে ১০ মিনিট অথবা ১৮০ ডিগ্রীতে ৩০ মিনিট বেক করুন ।অথবা আপনি পিজা /কেক / পাউরুটি যে তাপমাত্রায় তৈরি করে থাকেন সেই তাপমাত্রায় বেক করুন।পাও বেক করা শেষে বের করে গরম অবস্থায় উপরে বাটার ব্রাশ করে দিন ।এই পাও রুটি ৫ দিন পর্যন্ত সংরক্ষন করে খেতে পারবেন ।

টিপস:-

ইস্টের বোতল নতুন হলে পরিমাণে অল্প ইস্ট ব্যাবহার করতে হবে । ইস্ট ভাল রাখতে চাইলে ফ্রিজে রেখে ব্যাবহার করুন ।স্বাদ বাড়ানোর জন্য আপনি তেল না দিয়ে বাটার ও ১টি ডিমের কুসুম ব্যাবহার করতে পারেন ।ডিমের কুসুম দিতে চাইলে জল ৩ টেবিল চামচ কম দিতে হবে ।ইস্ট পুরানো হলে সাথে সামান্য বেকিংপাউডার মিশিয়ে নেবেন ।ইস্ট বেশি হলে বাজে গন্ধ আসে তাই ইস্ট পরিমান মতো দেয়াই ভাল ।
পরিবেশন :-
চাটনি দিয়ে পরিবেশন করুন দারুন স্বাদের তুলতুলে নরম পাও ।
Screenshot_6.png

ব্ল্যাক ফরেস্ট কেক এর রেসিপিটি তৈরি করেছেন রন্ধনশিল্পী নাদিয়া নাতাশা।

উপকরন:

  • ডিম ৩টা
  • চিনি ৬ চামচ
  • ময়দা ১/২কাপ
  • বেকিং পাউডার ১চা চামচ
  • কোকো পাউডার ২ চা চামচ
প্রনালি:

– ডিম আলাদা করে সাদা অংশ ফোম করে চিনি এড করে তারপর কুসুম দিয়ে বিট করুন। শুকনো উপকরণগুলো একসাথে মিশিয়ে চেলে নিয়ে ডিমের সাথে রাইস কুকারের প্লাস্টিক চামচ বা হাতল দিয়ে ভালভাবে মিশিয়ে নিন।

– এবার পাত্রে ঢেলে পাত্রটি ভালভাবে মেঝেতে বাড়ি দিয়ে ওভেনের দিয়ে ১৫০ ডিগ্রী তাপে ২০ -২৫ মিনিট বেক করুন বা কাঠি ঢুকিয়ে দেখে নিন। হওয়ার পর ঠান্ডা করে এটিকে ফ্রিজে রেখে দিন ৫ – ৬ ঘণ্টা। তাহলে মাঝে কাটতে সুবিধা হবে।

– এবার এটিকে বের করে কেঁটে ক্রিম লাগিয়ে ইচ্ছামতো ডেকোরেশন করুন।

suji.jpg


উপকরণ :

ডোয়ের জন্য
– ১ কাপ দই
– ১ কাপ চিনি
– ১ টি অরেঞ্জ খোসা কোরানো
– ১ কাপ ময়দা
– ১ কাপ সুজি
– আধা কাপ নারকেল গুঁড়ো
– আধা কাপ তেল
– ৩ টি ডিম
– ২ চা চামচ বেকিং পাউডার
– ২ চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স

সিরাপের জন্য
– ২ কাপ চিনি
– ২ কাপ পানি
– ১ টেবিল চামচ লেবুর রস
– একটু জাফরান

একটি পাত্রে পানি, চিনি, জাফরান ও লেবুর রস ১০ মিনিট জ্বাল দিয়ে সিরা করে নিন।

যেভাবে করবেন

-ডিম ও চিনি একসাথে ফেটে নিন ভালোকরে।
-অন্য একটি পাত্রে টকদই, ভ্যানিলা, অরেঞ্জ এর খোসা কোরানো, তেল, সুজি, নারকেল মিশিয়ে নিন ভালো করে।
– এবার এতে ময়দা ও বেকিং পাউডার মিলিয়ে নিন ভালো করে মিশিয়ে এখন ডিম এর মিশ্রণ মিলিয়ে নিন। আবার ৪-৫ মিনিট ভালো করে মিক্সড করুন।
-এবার একটি গ্রিজ প্রুফ ডিস এ মিশ্রনটি ঢেলে ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন।
-পরে প্রিহিট ওভেনে ১৮০ তে ৩০-৪০মিনিট বেক করুন।(২০ মিনিট বেক করে কাজু বসিয়ে দিন) বাসবুসার উপরে ব্রাউন হলে ওভেন থেকে নামিয়ে নিন।
– এবং ঠান্ডা করে তারপর বেকিং ডিশ এ রেখেই টুকরা করে কেটে সিরা ঢেলে দিন। সিরা সম্পূর্ণ শুষে নিলে পরিবেশন করুন।

gurer-payesh.jpg

উপকরণ

তরল দুধ ১ লিটার। আতপ চাল ১ মুঠ। গুড় ১ কাপ (স্বাদমতো কম বেশি দিতে পারেন)। চিনি ৩ টেবিল-চামচ।


পদ্ধতি

চাল ধুয়ে ভিজিয়ে রাখুন এক ঘণ্টা। দুধ জ্বাল দিন। ফুটে উঠলে ভেজানো চাল দিয়ে দিন। সিদ্ধ হয়ে এলে প্রথমে চিনি দিন। কিছুক্ষণ পরেই গুড় দিয়ে নাড়তে থাকুন।

পায়েস ঘন হয়ে আসলে নামিয়ে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।



পায়েস রান্নায় সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা মনে রাখবেন

* অনেকেই বলেন যে গুড়ের পায়েস রান্নায় দুধে গুড় দিলেই দুধ ফেটে যায়। তাই গুড় দেওয়ার আগে চিনি মিশিয়ে দিন। তাহলে আর গুড়ের জন্য দুধ ফাটবে না।

* গুড়ের পায়েসে কখনও এলাচ দিতে হয় না। দিলে গুড়ের আসল গন্ধ এলাচের কারণে আর পাওয়া যায় না।

* পায়েস রান্নার সময় দুধে চাল ভালোমতো ফুটে ওঠার পর চিনি ও গুড় দিতে হয়। মিষ্টি আগে দিলে চাল ভালো সিদ্ধ হয় না।

coriander-chutney.jpg

উপকরণঃ

ধনেপাতা কুচি – ২ কাপ
কাঁচামরিচ – ৩-৪ টি
আদা – ১ টুকরো (এক ইঞ্চি)
রসুনের কোয়া – ২ টি
পেঁয়াজ কুচি – ১/২ টা (মাঝারী সাইজের)
তিল – ৩ চা চামচ
জিরা – ১ চা চামচ
লেবুর রস – ২ টেঃ চামচ
চিনি – ১ চা চামচ
লবণ – স্বাদ মতো

প্রস্তুত প্রণালীঃ


-লবণ বাদে উপরের সবগুলো উপকরণ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ব্লেন্ডারে অথবা শিল-পাটায় পিশে নিন (প্রয়োজনে আরও একটু পানি ব্যবহার করা যাবে)।
-লবণ দিন। ব্যাস আপনার ধনেপাতার চাটনি তৈরি।
-এই চাটনি সিঙ্গারা, সমুচা, পুরি ইত্যাদির সাথে পরিবেশন করা যায়।
-তিলের পরিবর্তে কাঁচা চিনাবাদাম দেয়া যাবে।

peanut-butter-chocolate-chip-finish-5-3.

উপকরণ


মাল্টা বা কমলার রস ১কাপ
অরেঞ্জ জেস্ট বা মাল্টার খোসা কোরানো ২ টেবিল চামচ (মাল্টার হলুদ অংশ কুচি)
অরেঞ্জ এসেন্স ১ চা চামচ
হুইপডক্রীম পাউডার মিক্স ২ প্যাকেট বা হুইপড ক্রিম ২ কাপ
কনডেন্সড মিল্ক ১কাপ
গোলানো কফি ১ টেবিলচামচ
চকলেট চিপস ২ টেবিল চামচ(ঐচ্ছিক)

প্রণালি


-১ কাপ থেকে একটু কম খুব ঠান্ডা দুধ নিয়ে হুইপড ক্রিম পাউডার এর সাথে মিশিয়ে ভালো মত বিট করতে হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত “স্টিফ পিক” হয় (৫ মিনিট)।
-চুড়ার মত হয়ে আসলে কম স্পিডে বিট করে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে।(অথবা ক্রিম এর প্যাকেটের নির্দেশ মত বানাতে হবে)।
-এখন হুইপডক্রীম, কনডেন্সড মিল্ক, মাল্টা বা কমলার রস , কফি এবং অরেঞ্জ এসেন্স একসাথে মিশিয়ে একটি পাত্রে নিয়ে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে ৩ ঘন্টা।
-৩ ঘন্টা পরে নামিয়ে আইস্ক্রীম এর সাথে চামচ দিয়ে চকলেট চিপস ও অরেঞ্জ জেস্ট ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে আরো ৬ ঘন্টা ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে।
-ঠান্ডা পরিবেশন করুন।

maxresdefault_7.jpg

উপকরণ:

১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল

১টি মাঝারি আকৃতির পেঁয়াজ কুচি

২ কোয়া রসুন কুচি

১টি মাঝারি আকৃতির ক্যাপসিকাম কুচি’

৪০০ গ্রাম টমেটো কুচি

২ টেবিল চামচ টমেটো পেস্ট

১ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়ো

১ চা চামচ জিরা গুঁড়ো

১ চা চামচ পাপরিকা বা লাল মরিচ গুঁড়ো

১ চা চামচ চিনি

লবণ

৬টি ডিম

ধনে পাতা কুচি (সাজানোর জন্য)


প্রণালী:

১। একটি প্যানে মাঝারি আঁচে অলিভ অয়েল দিন। এরপর এতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ৫ মিনিট ভাজুন।

২। পেঁয়াজ নরম হয়ে গেলে এতে রসুন কুচি দিয়ে নাড়ুন।

৩। এবার এতে ক্যাপসিকাম কুচি দিয়ে মাঝারি আঁচে ৫-৭ মিনিট রান্না করুন।

৪। ক্যাপসিকাম কুচি নরম  হয়ে গেলে এতে টমেটো কুচি, টমেটো পিউরি দিয়ে দিন।

৫। তারপর এতে রসুন কুচি, জিরা গুঁড়ো, লাল মরিচ গুঁড়ো, পাপরিকা, শুকনো মরিচ গুঁড়ো, চিনি, লবণ এবং গোল মরিচ গুঁড়ো দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন।

৬। মাঝারি আঁচে ১০-১৫ মিনিট রান্না করুন।

৭। গ্রেভি ঘন হয়ে এলে টমেটো গ্রেভির উপর ডিম ভেঙ্গে দিন।

৮। মাঝখানে একটি আর চারপাশে চারটি  ডিম ভেঙ্গে দিন।

৯। প্যান ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ১০-১৫ মিনিট রান্না করুন, যতক্ষণ না ডিম সিদ্ধ হয়ে থাকে ততক্ষণ।

১০। ডিম সিদ্ধ হয়ে গেলে ধনে পাতা কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন তুরস্কের রান্না সাকসুকা।

gajor.jpg

উপকরণ:


দুধ ১লিটার
গুড়া দুধ আধা কাপ
গাজর কুচি ২ কাপ
দারচিনি ১টা
এলাচ ২টা
চিনি পরিমানমত
আতপ চাল পানিতে ভিজানো ১ মুঠ (আধা ভাঙ্গা করে নেয়া)
কিসমিস ও বাদাম সাজানোর জন্য
সয়াবিন তেল/ ঘি পরিমানমত

প্রণালী:


একটি কড়াইতে গরম তেল/ঘিতে দারচিনি, এলাচ, হালকা ভেজে নিন।
এবার কড়াইয়ে তরল দুধ, গুড়া দুধ ও আতপ চাল মিশিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।
চাল সেদ্ধ হয়ে আসলে গরম দুধে চিনি ও গাজরকুচি ঢেলে দিন ও নাড়তে থাকুন।
দুধ কমে অর্ধেক হয়ে যাওয়া পর্যন্ত অল্প আঁচে জ্বাল দিতে থাকুন।
গাজরের পায়েস চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করুন।
গাজরের পায়েস ঠান্ডা হলে বাটিতে ঢেলে উপরে কিসমিস ও বাদাম দিয়ে সাজিয়ে দিন।
খাবারের পর ডেসার্ট হিসেবে কিংবা বিকেলের নাস্তায় পরিবেশন করুন মজাদার গাজরের পায়েস।

maxresdefault.jpg

তৈরী হবে-২০ টা বা বেশী

উপকরনঃ

•ময়দা-১কাপ
•সুজি-১/৪ কাপ ( ১ কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ)
•তাল মাখনা-১চা চামচ ( ধুয়ে শুকিয়ে রাখা, সুপার শপে পাওয়া যায়)
•লবন-আধা চা চামচ
•পানি নরমাল -আধা কাপ ( আমার আধা কাপের থেকে দেড় চা চামচ কম পানি লেগেছে শক্ত ডো করতে)
•তেল-ডুবো করে ভাজঁতে যা লাগবে

প্রনালী :

১) পানি ও তেল বাদে সব শুকনো উপকরন একটা পাত্রে হাত দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে, এবার অল্প অল্প করে পানি ঢেলে ঢেলে শক্ত একটা ডো তৈরী করতে হবে, ভালো করে মাখতে হবে, এক হাত দিয়ে মাখতে কষ্ট হতে পারে তাই পরিস্কার দুই হাত দিয়ে মাখতে হবে।

২) ভালো করে মাখা হলে ডো টা বলের মতো করে তার চারপাশে ১-২ চা চামচ তেল হাতে মেখে ডো টার বাইরের দিকে মেখে একটা কিচেন টিসু্য বা পরিস্কার কাপড় দিয়ে ডো টা মুড়ে ঢেকে রাখতে হবে ২০ মিনিট।

৩) ২০ মিনিট পর, ডো টাকে আবার একটু মেখে নিয়ে ছোট ছোট লেচি নিয়ে পাতলা রুটি বানাবে, চাইলে বড় পাতলা রুটি বানিয়েও বোতলের মুখ দিয়ে বা গোল কাটার দিয়ে কেটে নিতে পারো গোল গোল করে, একটু তেল মেখে মেখে বেলবে তবে পাতলা হতে হবে রুটিটা যতটা সম্ভব , পাতলা না হলে ফুচকার ভেতর দিকটা কাঁচা কাঁচা থাকে তাতে ক্রিসপি হবে না।

৪) চুলায় ছড়ানো গভীর কড়াইতে বা ফ্রাইপেনে ৪-৫ ইন্চি ডুবো করে বা আরে বেশী তেল দিয়ে অনেক গরম করে নিতে হবে, এবার একটা করে ফুচকা ছাড়বে, ফুচকা ছেড়েই বড় চামচ দিয়ে ফুচকাকে তেলের নিচেই হাল্কা করে চাপ দিয়ে ধরে রাখবে যাতে তেলের উপরে না উঠে আসে, দেখবে ফুচকা ফুলে চামচে ধাক্কা দিচ্ছে, পুরো ফুচকা ফুলে উঠলেই চামচ সরিয়ে নেবে, ফোলা ফুচকা উপরে উঠে আসবে, প্রথমেই উল্টে দিবে এবং চুলার জ্বাল একদম কমাবে যাতে আস্তে আস্তে ফুচকাটা ভাজা হয়, এভাবে একটা ফুচকা ফুলে উঠলে আর একটা ছাড়বে একি পদ্ধতিতে, যে কয়টা ফুচকা জায়গা হবে কড়াইতে সে কয়টাই ছাড়বে একটা একটা করে ফুলিয়ে নিয়ে।

৫) চুলার জ্বাল আর বাড়াতে হবে না যতক্ষন ১ ব্যচ ফুচকা পুরো ভাজা না হয়। বাদামী লাল হয়ে গেলে ফুচকা নামিয়ে রাখবে, এভাবে সব গুলো ভেজে রাখবে।

টিপসঃ
১) শক্ত রুটি পাতলা করে বেলতে বেশ পরিশ্রম করতে হবে, আমি বাংলাদেশী রুটি মেকারে ৩-৪ বার চাপ দিয়ে পাতলা করে নিয়েছি।
২) সব রুটি একেবারে বেলে না নিয়ে যে কয়টা একবারে ফ্রাইপেনে ভাজবে সে কয়টা বেলে নেবে।
৩) তেল টা বেশী ডুবো রাখলে ফুচকা ফোলাতে সুবিধা হয়। ফুচকার একপাশ লাল হয়ে উঠলে উল্টে আরেক পাশ লাল করবে।
৪) ফুচকা সময় নিয়ে ভাজলে ক্রিসপি হবে কারন ভেতরে কাঁচা থাকবে না।

613905034PizzaParathaDesiAppetite.jpg

উপকরণ

- ২ কাপ ময়দা
- দেড় কাপ মজারেলা চীজ
- আধা কাপ ক্যাপসিকাম
- আধা কাপ পেঁয়াজ কুচি
- ১/৪ কাপ কর্ণ কারনেলস বা সুইট বেবি কর্ণ
- ৮/১০ টি অলিভার
- ইটালিয়ান সিজনিং
- শুকনো মরিচের গুঁড়ো (ইচ্ছা)
- পিৎজা সস
- তেল ভাজার জন্য
- লবণ স্বাদমতো
- পানি পরিমাণমতো

পদ্ধতি

  • - প্রথমে ময়দাতে পরিমাণমতো লবণ দিয়ে পানি দিয়ে মেখে রুটি/পরোটা বানানোর ডো তৈরি করে নিন। হাতে সামান্য তেল দিয়ে ডো আরও একটু মথে নিয়ে ঢেকে ১৫-২০ মিনিট আলাদা করে রাখুন।
  • - এরপর একটি বড় বোলে সস ও তেল বাদে বাদি সব উপকরণ দিয়ে একসাথে ভালো করে মিশিয়ে পুর তৈরি করে আলাদা করে রাখুন।
  • - এরপর ডো ছোট অংশে ভাগ করে রুটি তৈরি করে নিন। সাধারণের তুলনায় একটু মোটা করে বড় রুটি বেলে নিন। এবং রুটির উপরে সস ছড়িয়ে দিন।
  • - তারপর রুটির অর্ধেকটা অংশে পরিমাণমতো পুর সমান করে দিয়ে বাকি অংশ দিয়ে ঢেকে দিন এবং মুখ ভালো করে আটকে দিন। আপনি চাইলে একেক ধরণের আকারের পরোটা বানাতে পারেন একেক স্বাদের সসও ব্যবহার করতে পারেন (ভিডিও)।
  • - এরপর একটি ফ্রাইংপ্যানে পরোটা যেভাবে ভাজেন সেভাবেই তবে একটু বেশী সময় নিয়ে পরোটাগুলো ভেজে তুলে নিন।
  • - ব্যস, এবারে পছন্দের সসের সাথে পরিবেশন করুন এবং মজা নিন এই সুস্বাদু পিৎজা পরোটার।
5766_poori_thumb_big.jpg

উপকরনঃ

পুরের জন্য
- ১/৪ কাপ মসুর ডাল
- ১ চিমটি হলুদ গুঁড়ো
- আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়ো
- ১/৪ চা চামচ মরিচগুঁড়ো
- ২ টি পেঁয়াজকুচি
- ২ টি কাঁচা মরিচ
- তেল পরিমাণ মতো
- লবণ স্বাদমতো

ডো তৈরির জন্য
- ১ কাপ ময়দা/আটা
- ২ টেবিল চামচ তেল
- স্বাদমতো লবণ
- কুসুম গরম পানি পরিমাণ মতো
- ভাজার জন্য তেল

পদ্ধতিঃ

- একটি প্যানে তেল গরম করে এতে পেঁয়াজকুচি দিয়ে নরম করে ভেজে নিন। এরপর এতে পুরের বাকি সব উপকরন দিয়ে খানিকক্ষণ মসলা ও ডাল কষিয়ে ১ কাপ বা তার বেশি পরিমাণ পানি দিয়ে ডাল রান্না করুন।
- ডাল সেদ্ধ হয়ে নরম হয়ে গেলে পানি শুকানো পর্যন্ত রান্না করে নিন। ডাল একেবারে শুকনো হবে। কোনো পানি থাকবে না। এরপর ডাল ঠাণ্ডা হলে হাতে মেখে পুর তৈরি করে নিন।
- এরপর একটি পাত্রে ময়দা ও লবণ নিয়ে মিশিয়ে এতে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে ময়দা ভালো করে হাতে মিশিয়ে নিন। তেল ময়দার সাথে মিশে গেলে ময়দা খাস্তা হবে।
- তারপর পরিমাণ মতো পানি দিয়ে রুটি বেলার মতো ডো তৈরি করে নিন। ডো থেকে ছোটো ছোটো বল তৈরি করে নিন। এরপর একটি করে বল হাতে নিয়ে তালুতে রেখে এমনভাবে চ্যাপ্টা করে ছড়িয়ে নিন যাতে মাঝখানটুকু একটি মোটা থাকে।
- এরপর মোটা অংশে পুর দিয়ে পাশের অংশগুলো দিয়ে পুর ভালো করে ঢেকে গোল বলের আকার দিন। লক্ষ্য রাখবেন বলের ভেতরে যেনো কোনো বাতাস না থাকে। এভাবে সবগুলো বল তৈরি করে নিন।
- এরপর রুটি বেলার পিঁড়িতে ছোটো ছোটো গোল করে সাবধানে বেলে পুরির আকার দিন। খেয়াল রাখবেন ভেতরের ডাল যেনো বেড়িয়ে না পড়ে।
- একটি প্যানে ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল গরম করে একটি একটি করে পুরি দুপাশ লালচে সোনালী করে ভেজে একটি কিচেন টিস্যুতে তুলে রাখুন। এতে বাড়তি তেল ঝরে যাবে।
- এভাবে সব ভাজা হয়ে গেলে পরিবেশন পাত্রে সাজিয়ে সস, তরকারীর ঝোলের সাথে পরিবেশন করুন এবং মজা নিন ঘরে বানানো সুস্বাদু ‘ডালপুরি’র।

Chicken-Burger20160816164532.jpg


উপকরণ :

আধ কেজি মুরগির বুকের মাংস পাতলা করে কাটা,

গোল মরিচের গুড়ো ১ চা চামচ ,

সর্ষে গুড়ো ১ চা চামচ,

ওয়েস্টার সস ২ চা চামচ,

লবণ স্বাদ অনুযায়ী,

ময়দা ২ চা চামচ,

১ টি ডিম,

২ টেবিল চামচ চালের গুড়ো,

২ চা চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার,

বেকিং পাউডার সামান্য,

দুধ অল্প,

কর্নফ্লেক্স,

ব্রেড ক্রাম,

তেল ডুবু করে ভাজার জন্য

এবং গোল পাউরুটি।

পরিবেশনের জন্য লেটুস পাতা, টমেটো, চিজ, টমেটোর সস এবং মেয়নেজ।


প্রণালি :

মুরগির মাংসে গোল মরিচ, সরিষা গুড়ো, সস এবং লবণ দিয়ে মেখে ২ ঘন্টা মেরিনেট করে রেখে দিন। এবার ময়দা, ডিম, চালের গুড়ো, কর্ন ফ্লাওয়ার, লবণ এবং সামান্য বেকিং পাউডারে জল এবং দুধ দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন।

মাংসে মিশ্রণটি দিয়ে প্রথমে কর্ন ফ্লেক্স তারপর ব্রেড ক্রাম এ গড়িয়ে নিয়ে ডুবু তেলে বাদামী করে অল্প আচে ভেজে তুলুন। পাউরুটি গরম করে মাঝে কেটে নিচের অংশে মেয়নেজ ও সস মেখে উপরে ফ্রাইড চিকেন, চিজ, লেটুস পাতা এবং টমেটো দিয়ে পরিবেশন করুন।

229_E0A6AAE0A6BEE0A6B8E0A78DE0A6A4E0A6BE

উপকরণঃ

• পৌনে দুই কাপ ময়দা,
• ৬ টি ডিম,
• ৪ টেবিল চামচ অলিভওয়েল,
• লবণ

প্রণালীঃ

প্রথমে চালুনী দিয়ে ময়দা চেলে নিন ভালো করে। একটি পাত্রে ময়দাগুলো রাখুন। ময়দার উপরে ডিম, অলিভ ওয়েল ও লবণ দিন। কাঁটা চামচ দিয়ে ডিমের কুসুম ফাটিয়ে নিন।

এরপর পুরো মিশ্রনটি ভালো করে ময়ান করে নিন। ময়ানটি মসৃণ না হওয়া পর্যন্ত সেটাকে টানুন ও ময়ান করুন। খুব ভালো করে ময়ান করা হয়ে গেলে ডো টা কে দুই ভাগে ভাগ করে বলের মত আকৃতি দিয়ে রাখুন। ৫ মিনিট রেখে দিন ডো গুলোকে।

এরপর রুটি বেলার পিড়িতে সামান্য শুকন ময়দা ছিটিয়ে পাতলা করে বেলে নিন ডো গুলোকে। এরপর পাস্তা কাটার/পিজা কাটার/ ছুরি দিয়ে পছন্দ মত আকৃতিতে কেটে নিন পাস্তা। আপনার পাস্তা এবার রান্না করার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেলো।

গ্যাসে গরম জলে পরিমাণমত লবণ দিন। ফুটন্ত লবণ জলে মাত্র ৪/৫ মিনিট রাখলেই পাস্তা সেদ্ধ হয়ে যাবে ভালো করে। এরপর পছন্দের টপিং, চিজ, মশলা ও সস দিয়ে স্বাদ মত বানিয়ে পরিবেশন করুন ঘরে বানানো সুস্বাদু পাস্তা।

white-mutton.jpg

উপকরণঃ

খাসির মাংস ৫০০গ্রাম,

দই ২০০গ্রাম,

পিঁয়াজ কুচি ৪টি,

রসুন বাটা দেড় টেবিল চামচ,

আদা বাটা ১টেবিল চামচ,

ঘি ২টেবিল চামচ,

আস্ত গরম মশলা – ফোড়নের জন্য,

ঘন দুধ ২৫০গ্রাম,

কাঁচা মরিচ ৫ থেকে ৬টি,

লবণ স্বাদ মতো,

চিনি ১চা চামচ।

প্রণালীঃ 

-মাংস কেটে ধুয়ে দই দিয়ে মাখিয়ে রাখুন।
-তেলে গরম মশলা ফোড়ন দিয়ে পিঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন। পিঁয়াজ বাদামী রঙ হয়ে এলে রসুন বাটা দিয়ে সামান্য নেড়ে মাংস দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। এরপর ঘন দুধ দিয়ে ফুটতে দিন,মাংস সেদ্ধ করার প্রয়োজনে একটু গরম পানি দিতে পারেন।
-মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে কাঁচা মরিচ, লবণ ও চিনি দিয়ে ১০ মিনিট অল্প তাপে দমে রেখে নামিয়ে পরিবেশন করুন খাসির মাংসের সাদা কোর্মা।

MTMxNTk1NDA2NDU4MDAwNjU4.jpg

উপকরণঃ


১) ময়দা – ১কাপ

২)চিনি – ১কাপ

৩) তেল – ১/২কাপ (হাফকাপ)

৪) পাউডারদুধ – ২টে: চা:

৫) বেকিংপাউডার – ১চা: চা:

৬) ডিম – ৩টা

৭) ভেনিলাএসেন্স – ১/২চা: চা:

৮) লবন – ১চিমটি ( ইচ্ছা )

৯) কোকোপাউডার – ৩টে: চা:


প্রণালীঃ


১) চালনিতে ময়দা,পাউডার দুধ, বেকিং পাউডার, কোকো পাউডার, লবন চেলে নিতে হবে।

২) একটা বোলে ডিম ভালভাবে ব্লেন্ড করতে হবে এগ বিটার না থাকলে কাটা চামচ
দিয়ে জোরে ফেটতে হবে। ডিমটা ভাল করে ফেটা হলে অল্প অল্প করে চিনি দিয়ে
ফেটতে হবে।

৩) চিনি ভাল ভাবে গলে গেলে ভেনিলা এসেন্স ও তেল দিতে হবে ।

৪) তারপর চেলে রাখা ময়দা দিয়ে ভাল ভাবে মেশাতে হবে। ব্যাস “ব্যাট্যার”
রেডি। এবার হাঁড়িতে সামান্য তেল লাগিয়ে “ব্যাট্যার” ঢেলে দিন।( ৩
পাউন্ডের চুলায় কেক বানানোর হাঁড়ি পাওয়া যায়। ৩ পাউন্ডের হাঁড়িতে ২ পাউন্ড
কেক ভালভাবে হয়)

৫) এবার চুলার আঁচ মাঝারি থেকে একটু কম আঁচে রাখতে হবে, তার উপর একটা
“তাওয়া ” দিতে হবে। এবার হাঁড়ির নিচে অংশ বসিয়ে তার উপর হাঁড়ি বসিয়ে
ঢাকনা দিয়ে দিন। ২৫/ ৩৫ মিঃ লাগবে হতে।কেক ঠান্ডা হলে একটা প্লেটে উল্টা
করে ঢেলে দিয়ে কেক পরিবেশন করুন।

কেকের ক্রিম যেভাবে করবেন

দুইটি ডিমের সাদা অংশ খুব ভালো ভাবে ইলেকট্রিক
বিটারে বিট করে ফোম করে নিতে হবে। ১০০ গ্রাম ঠাণ্ডা বাটার নিয়ে বিট করতে
হবে পুরোপুরি গলে না যাওয়া পর্যন্ত। তারপর আপনার স্বাদ মত আইসিংসুগার বিট
করতে হবে।সুগার ভালো ভাবে মিশে গেলে ভ্যানিলা এসেন্স ও দুটি আইস কিউব আবার
বিট করতে থাকুন! আইস কিউব গলে গেলে নরমাল ফ্রিজে ১০ মিনিট রাখুন। বের করে
আবার বিট করুন অথবা চাইলে পছন্দ মতো রঙ দিয়ে বিট করে নিলেই ক্রিম রেডি। মনে
রাখবেন ক্রিমের ক্ষেত্রে এখানে ভালোভাবে বার বার বিট করাটাই আসল।তাই
ইলেকট্রিক বিটারই ভালো কাজে আসবে এখানে।
MTMxNTk1NDA2NDU4MDAwNjU4.jpg

উপকরণঃ

১) ময়দা – ১কাপ
২)চিনি – ১কাপ
৩) তেল – ১/২কাপ (হাফকাপ)
৪) পাউডারদুধ – ২টে: চা:
৫) বেকিংপাউডার – ১চা: চা:
৬) ডিম – ৩টা
৭) ভেনিলাএসেন্স – ১/২চা: চা:
৮) লবন – ১চিমটি ( ইচ্ছা )
৯) কোকোপাউডার – ৩টে: চা:

প্রণালীঃ

১) চালনিতে ময়দা,পাউডার দুধ, বেকিং পাউডার, কোকো পাউডার, লবন চেলে নিতে হবে।
২) একটা বোলে ডিম ভালভাবে ব্লেন্ড করতে হবে এগ বিটার না থাকলে কাটা চামচ দিয়ে জোরে ফেটতে হবে। ডিমটা ভাল করে ফেটা হলে অল্প অল্প করে চিনি দিয়ে ফেটতে হবে।
৩) চিনি ভাল ভাবে গলে গেলে ভেনিলা এসেন্স ও তেল দিতে হবে ।
৪) তারপর চেলে রাখা ময়দা দিয়ে ভাল ভাবে মেশাতে হবে। ব্যাস “ব্যাট্যার” রেডি। এবার হাঁড়িতে সামান্য তেল লাগিয়ে “ব্যাট্যার” ঢেলে দিন।( ৩ পাউন্ডের চুলায় কেক বানানোর হাঁড়ি পাওয়া যায়। ৩ পাউন্ডের হাঁড়িতে ২ পাউন্ড কেক ভালভাবে হয়)
৫) এবার চুলার আঁচ মাঝারি থেকে একটু কম আঁচে রাখতে হবে, তার উপর একটা “তাওয়া ” দিতে হবে। এবার হাঁড়ির নিচে অংশ বসিয়ে তার উপর হাঁড়ি বসিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। ২৫/ ৩৫ মিঃ লাগবে হতে।কেক ঠান্ডা হলে একটা প্লেটে উল্টা করে ঢেলে দিয়ে কেক পরিবেশন করুন।

কেকের ক্রিম যেভাবে করবেন

দুইটি ডিমের সাদা অংশ খুব ভালো ভাবে ইলেকট্রিক বিটারে বিট করে ফোম করে নিতে হবে। ১০০ গ্রাম ঠাণ্ডা বাটার নিয়ে বিট করতে হবে পুরোপুরি গলে না যাওয়া পর্যন্ত। তারপর আপনার স্বাদ মত আইসিংসুগার বিট করতে হবে।সুগার ভালো ভাবে মিশে গেলে ভ্যানিলা এসেন্স ও দুটি আইস কিউব আবার বিট করতে থাকুন! আইস কিউব গলে গেলে নরমাল ফ্রিজে ১০ মিনিট রাখুন। বের করে আবার বিট করুন অথবা চাইলে পছন্দ মতো রঙ দিয়ে বিট করে নিলেই ক্রিম রেডি। মনে রাখবেন ক্রিমের ক্ষেত্রে এখানে ভালোভাবে বার বার বিট করাটাই আসল।তাই ইলেকট্রিক বিটারই ভালো কাজে আসবে এখানে।
BtLR7HLtKJMM.jpg

উপকরণঃ


১. দুধ ১ লিটার ।
২. ডিমের কুসুম ২ টা (optional) ।
৩. কাস্টার্ড পাউডার ৩ টেবিল চামচ (পছন্দ মত ফ্লেবার) ।
৪. চিনি ১/২ কাপ বা স্বাদ মত ।
৫. কিসমিস ২ টেবিল চামচ (optional) ।
৬. কাট বাদাম ২ টেবিল চামচ (optional) ।
৭. ফল ( কলা, আম, আপেল, আঙুর, লাল বা সবুজ চেরি ফল, ডালিম/আনার , স্ট্রবেরি) cube করে কাটা প্রায় 2 কাপ (পানি জাতীয় ফল use করা যাবে না, যেমন তরমুজ ) ।

প্রণালী :

প্রথমে ডিমের কুসুম ২ টা একটি বটিতে নিয়ে ভালো করে ফেটে নিন এখন কাস্টার্ড পাউডার দিয়ে ভাল করে মিশান এবং smooth মিশ্রণ তৈরি করুন । একটি পাত্রে দুধ নিন অল্প আচেঁ জাল দিন এখন চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন । ডিম এবং কাস্টার্ড এর মিশ্রনটি দুধের সাথে ঢেলে দিন এবং নাড়তে থাকুন অল্প আচেঁ রান্না করুন । মনে রাখবেন মিশ্রন টি একদম অল্প আচেঁ রান্না করতে হবে এবং বিরতিহীন ভাবে নাড়তে হবে তা না হলে কাস্টার্ড জমে যাবে । কাস্টার্ড হালকা ফুটে উঠলে নামিয়ে ফেলুন । এখন ঠান্ডা হলে ফ্রিজে রাখুন । খবার সময় আপনার পছন্দ মত ফল দিন এবং পরিবেশন করুন । আপনি ডিম ছাড়াও এই কাস্টার্ড বানাতে পারেন, এমন কি যে কোন একটি ফল দিয়েও কাস্টার্ড বানাতে পারবেন । এটি অনেক মজাদার এবং খুব সহজেই তৈরি করা যায়।
bakarkhani1.jpg

পুরানো ঢাকার সুস্বাদু বাকরখানি ঘরেই তৈরি করতে চান? তাহলে পড়ে নিন রেসিপি ও দেখে নিন বিস্তারিত ভিডিও। কেবল রেসিপি পড়ে বাকরখানির ভাঁজ দেয়া একটু কঠিনই বটে। তবে কোন চিন্তা নেই, আজ রইলো জনপ্রিয় অনুষ্ঠান "সিদ্দিকা কবির'স রেসিপি" থেকে একটি দারুণ ভিডিও। এটা দেখেই শিখে নিতে পারবেন খুব সহজে দোকানের মত বাকরখানি তৈরির কৌশল।

উপকরণ-

ক) খামিরের জন্য
ময়দা ১ কাপ,
তেল দেড় টেবিল চামচ
লবণ ১/৪ চা চামচ
গুড়ো দুধ ২ টেবিল চামচ (না দিলেও হবে)
পানি পরিমাণমতো।

খ) লেয়ারের জন্য
তেল ১ কাপ
ঘি ১/৪ কাপ

গ) ছিটানোর জন্য
ময়দা ১ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ১ কাপ, তেল ১ টেবিল চামচ

প্রস্তুত প্রণালি-

- ক এর সমস্ত উপকরণ (ময়দা, তেল, গুঁড়ো দুধ, লবণ ও পরিমাণমতো পানি) একসাথে মিশিয়ে ভালো করে ময়ান করে ঢেকে রাখুন ২/৩ ঘণ্টা।
- লেয়ার তৈরির ঘি ও তেল এক সাথে মিক্স করে একটি বাটিতে রাখুন।
-ছিটানোর জন্য ময়দা, কর্নফ্লাওয়ার ও তেল মিশিয়ে প্রলেপ এর জন্য রেখে দিন।
-এবার একটি পিড়িতে তেল মাখিয়ে খামিরকে যতটুকু সম্ভব খুব পাতলা রুটি বেলে নিন।
-রুটিতে লেয়ারের তেল দিয়ে এর উপর ছিটানোর ময়দার মিশ্রণ ছিটিয়ে দিন। রুটিকে দুই ভাঁজ করে আবার তেল দিয়ে ময়দা ছিটিয়ে দিন। এভাবে আবার করুন।
-এবার ভিডিওতে দেখানো পদ্ধতি অনুসরণ করে বাকরখানি তৈরি করুন।
-ওভেন ট্রেতে ঘি ব্রাশ করে ১৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ প্রি-হিট করে ২০/২৫ মিনিট বেক করে নিন।
-ব্যাস, তৈরি আপনার বাকরখানি।

pic5FF5DL.jpg

উপকরণঃ

• চিনি- ২ কাপ,
• বাদাম- আড়াই কাপ,
• মাখন- ৭ টেবিল চামচ।

প্রণালীঃ

পাত্রে চিনি নিয়ে মিডিয়াম আঁচে গলতে দিন।
কাঠের চামচ দিয়ে নাড়তে থাকুন যেন লেগে না যায়। সামান্য একটু গরম পানি যোগ করতে পারেন।
সব চিনি গলে ক্যারামেল গেলে বাদাম ও মাখন দিয়ে দিন।
চামচ দিয়ে ভালো মতো নেড়ে মিশিয়ে নিন।
একটি ট্রে তে আগে থেকেই মাখন মাখিয়ে রাখুন।
এবার ট্রে তে বাদামের মিশ্রণ ঢেলে ঢেলে কাঠের চামচ (মাখন মাখানো) দিয়ে সমান করে দিন।
*গরম থাকতেই ছুরি দিয়ে পছন্দ মত আকারে কেটে ফেলুন। এরপর ঠান্ডা হতে দিন।
...এয়ার টাইট কৌটায় বেশ কিছু দিন সংরক্ষণ করতে পারবেন ফ্রিজ ছাড়াই।

GH0312H_earl-grey-iced-tea_s4x3.jpg

উপকরণঃ

• চা পাতা ১ চা চামচ
• দারচিনি ১ টুকরা
• এলাচ ১টি
• লবঙ্গ ১টি
• আদা কুচি ১/২ চা চামচ
• পানি দুই গ্লাস
• চিনি স্বাদমতো
• লেবুর রস ১ চা চামচ
• বরফ

প্রস্তুত_প্রণালিঃ

প্রথমে দুই গ্লাস পানি ফুটিয়ে নিন। ফুটন্ত পানিতে আদা ও লেবু রস ছাড়া সব উপকরণ ছেড়ে দিন। এরপর চা পাতা দিয়ে কিছুটা লিকার হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন। চা ছেকে দুটি গ্লাসে ঢেলে দিন। গ্লাসে আদা কুচি ও লেবুর রস দিয়ে নেড়ে নিন ভালো করে। এবার চায়ের তাপমাত্রা কমে গেলে ফ্রিজে রেখে দিন কিছুক্ষণ। ঠান্ডা হয়ে গেলে বরফ দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ঠান্ডা মশলা চা।
943876_921328137937287_64887084976609902

উপাদনসমূহ:


১. দই ১ কেজি                                      ২. সরিষা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ

৩. পানি ০.৫ কাপ                                 ৪. পুদিনা পাতা বাটা ১ টেবিল চামচ

৫. জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ                       ৬. কাঁচা মরিচ বাটা ২ চা চামচ

৭. ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ                        ৮. চিনি ১.৫ টেবিল চামচ

৯. আদা গুঁড়া ০.৫ চা চামচ                  ১০. লবণ ২.৫ চা চামচ

১১. শুকনা মরিচ গুঁড়া ০.৫ চা চামচ    ১২. বীট লবণ ২ চা চামচ

১৩. সাদা গোল মরিচ গুঁড়া ০.৫ চা চামচ

যেভাবে করবে:


১. পুদিনা পাতা ডাটাসহ মিহি করে বেটে নাও। গুঁড়া মসলার পরিবর্তে বাটা মসলা দেওয়া যাবে।

২. সরিশার সাথে পানি মিশিয়ে দই এর সাথে মিশাও। পাতলা কাপড় দিয়ে দই ছেনে নাও অথবা ব্লেন্ডারে মসৃণ করে ফেট। বেশি ঘন হলে প্রয়োজনমতো পানি মিশাও।

৩. দই এর সাথে অন্যান্য সব উপকরণ মিশাও। চিনি ও লবণের পরিমাণ নিজের রুচিমতো বাড়ানো কমানো যাবে। পরিবেশনের আগে পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে রাখ।
labang.jpg

উপকরণ
মিষ্টিদই, গরম মসলা, চিনি, পরিমাণমতো লবণ এবং মাঠা।

 

প্রণালী
মাঠার সঙ্গে মিষ্টিদই, গরম মসলা, চিনি, লবণ পরিমাণমতো মিশিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট রাখতে হয়। এরপর ব্লেন্ড করে তৈরি করতে হবে লাবাং।

IMG_5421.jpg
উপকরণ :

  • ৩/৪ কাপ লেবুর রস( প্রায় ৬টি লেবু)
  • ২/৩ কাপ চিনি
  • ২ কাপ স্ট্রবেরি
  • ৪ কাপ স্পার্কিং ওয়াটার অথবা ঠান্ডা পানি

 

প্রণালী:

  • ১। লেবুর রস এবং চিনি একটি পাত্রে ভাল করে মিশিয়ে নিন। চিনি না গলা পর্যন্ত মিশিয়ে নিন।
  • ২। এবার ব্লেন্ডারে স্ট্রবেরিগুলো দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। ব্লেন্ড করা হয়ে গেলে একটি ছাঁকনি দিয়ে স্ট্রবেরিগুলো ছেঁকে পিউরি আলদা করে নিন।
  • ৩। তারপর লেবুর রস এবং স্ট্রবেরির পিউরি মিশিয়ে নিন।
  • ৪। এর সাথে প্রয়োজন অনুযায়ী পানি বা স্পার্কলিং ওয়াটার মেশান।
  • ৫। ব্যস তৈরি হয়ে গেল স্ট্রবেরি লেমোনেড।
  • ৬। বরফ কুচি, লেবুর টুকরো দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার স্ট্রবেরি লেমোনেড।
Cucumber-576x330.png

উপকরণ:

শসা ২টা,
পানি ২৫০ গ্রাম,
চিনি ১০ গ্রাম,
আদা ৫ গ্রাম,
লেবু ১টা।


প্রণালি:

১. শসা ধুয়ে কেটে নিন। লেবুও খোসা ফেলে কাটুন।
২. ব্লেন্ডারে শসা, লেবু, আদা বা চিনি দিয়ে ব্লেন্ড করুন।
৩. ছেকে ফ্রিজের সাধারণ তাপমাত্রায় আধাঘণ্টা রেখে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
Bell.jpg

উপকরণ:

বেল ১টা, দুধ আধা কাপ, পানি ৪ কাপ, চিনি পরিমাণ মতো।

17.-bel-600x600.jpg

প্রণালী:

বেল আগের দিন অথবা ১২ ঘন্টা আগে ভিজিয়ে রাখুন। এবার বেলের আঠা ও বিচি ফেলে ভালভাবে চটকে চালনিতে ছেঁকে নিন। তারপর বেলের রসের সাথে পানি দিয়ে চিনি ও দুধ মেশান। এবার প্রয়োজন মতো বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

%25E0%25A6%25AA%25E0%25A7%2581%25E0%25A6

উপকরণ

মাঝারি আকারের লেবু ২টা, পুদিনাপাতা ১০ গ্রাম, পানি ২৫০ মিলিলিটার, বরফ ২০ মিলিলিটার, চিনি ১০ গ্রাম।

প্রস্তুত প্রণালি :

১. প্রথমে লেবুর খোসা ফেলে টুকরো করে নিন। পুদিনাপাতা ধুয়ে কুচি করে কাটুন।
২. ব্লেন্ডারে লেবু, পুদিনাপাতা, পানি, চিনি দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন।
৩. এরপর ছাকনি দিয়ে ছেকে গ্লাসে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
5984.jpeg

উপকরণঃ

১। আদার রস ১ চা চামচ
২। লেবুর রস ১ টেবিল চামচ
৩। চিনি ২ টেবিল চামচ
৪। ঠান্ডা পানি ১ গ্লাস

Lemon-Ginger119942036.jpg


প্রণালীঃ

সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে শরবত বানাতে হবে। ইফতারের সময় এই শরবত খুবই ভালো লাগবে।
%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6

উপকরণ:

• বাতাবি লেবুর রস হাফ কাপ,
• সিরাপ বা চিনি ২ টেবিল চামচ,
• ঠান্ডা পানি ১ কাপ,
• বরফ কুচি পরিমান মতো ।

প্রণালী:

বাতাবি লেবুর রস পাতলা কাপড় দিয়ে ছেকে নিতে হবে। ব্লেন্ডারেও রস করে নেওয়া যায়। পানি ও সিরাপ মেশান।
benefits-of-tomato-juice.jpg

উপকরণ :

 টমেটো ২৫০ গ্রাম, চিনি ২ টেবিল চামচ, গোল মরিচ ১/২ চা চামচ, পানি ১০০ মিলি।

প্রণালী :

টমেটো, চিনি, গোল মরিচ ও পানি একসাথে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিয়ে একটি গ্লাসে ঢেলে সুন্দরভাবে সাজিয়ে পরিবেশন করুন টমেটোর শরবত।

OJ.jpg

উপকরণ :

• কমলা ৪টি,
• চিনি ২ টেবিল চামচ,
• পানি ১০০ মিলি।

প্রণালী :

প্রথমে কমলাগুলো ছিলে নিতে হবে। তারপর চিনি ও পানি দিয়ে একসাথে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে ভালোভাবে ছেঁকে নিতে হবে। তারপর একটি গ্লাসে শরবত ঢেলে সুন্দরভাবে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
lemon-pineapple-juice.jpg

উপকরণ :

• আনারস ১ টি,
• বিট লবণ ১/৪ চা চামচ,
• চিনি ২ চা চামচ,
• গোলমরিচের গুঁড়ো ২ চা চামচ,
• পানি পরিমাণমতো।

প্রণালী :
আনারস কুড়িয়ে নিন। তারপর একসাথে বিট লবণ, চিনি ও গোল মরিচের গুঁড়ো পানিতে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। তারপর সুন্দর একটি গ্লাসে ঢেলে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
f7f9b8e16ff71cd7c7ba6756cd60be9c-570a03a

উপকরন:

• দই এক কাপ,
• চিনি ২ টেবিল চামচ,
• ঠান্ডা পানি ১ কাপ,
• বরফ কুচি ,
• গোলাপ জল।

প্রণালী:

দই ফেটে ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এতে সিরাপ বা চিনি মেশান। গোলাপ জল ও বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
megherdesh_1334349227_3-2.jpg

উপকরণ :

• কামরাঙ্গা [কাঁচা কিংবা পাকা!]
• গুড়/চিনি
• বিট লবন
• কাঁচা মরিচ
• বরফ

প্রণালি

সব একসাথে করে দ্যান ঘুটা মিক্সিতে! তবে কামরাঙ্গার শিরা আর বিচি ফেলে নিতেই হবে!
megherdesh_1334349175_2-7.jpg


উপকরণ:

আদার রস ১ চা-চামচ,
লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ,
চিনি ২ টেবিল-চামচ,
ঠান্ডা পানি ১ গ্লাস।

প্রণালি:

সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে শরবত বানাতে হবে
megherdesh_1334349100_1-1.png

উপকরণঃ
• দুধ আধা কেজি,
• জাফরান আধা চা চামচ,
• পেস্তা কুচি আধা টেবিল চামচ,
• আমন্ড বাদাম কুচি আধা টেবিল চামচ,
• চিনি ৪ টেবিল চামচ,
• পেস্তা ও আমন্ড বাটা ১ টেবিল চামচ,
• কিশমিশ আধা টেবিল চামচ,
• এলাচ গুঁড়া সিকি চা চামচ,
• গোলাপ পানি আধা চা চামচ।

প্রণালীঃ
• দুধ, গোলাপ পানি, জাফরান ও চিনি একসঙ্গে চুলায় দিতে হবে, ফুটে উঠলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে বাকি উপকরণ মিলিয়ে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
watermelon-seeds-juice1.jpg

উপকরণঃ-
তরমুজ- ৪ কাপ
-লেবুর রস- ১/৪ কাপ
-চিনি- ১ কাপ-পানি- ১ কাপ
-বিট লবণ- ১ চা চামচ
-পুদিনা পাতা- ইচ্ছা মত
-বরফ- ইচ্ছা মত।

প্রণালীঃ
তরমুজ টুকরো করে কেটে নিন, ও বিট লবণ এবং চিনি দিয়ে ২ ঘণ্টামাখিয়ে রাখুন।এরপর তরমুজটিকে ভালো করে চটকে নিন কিংবা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন এবং ভালো করে ছেঁকে নিন।এবার একটি জগে তরমুজের রস, লেবুর রস ও পছন্দ মত মিশিয়ে নিন। পুদিনা পাতা গুলো টুকরো করে কিছু সময় শরবতে ভিজিয়ে রাখুন। ফলে ফ্লেভারটা মিশে যাবে শরবতের সাথে। এবার ভালো করে নেড়ে ও ছেঁকে নিয়ে বরফ মিশিয়ে পরিবেশন করুন।

megherdesh_1334350231_8-SAM_3571.JPG

উপকরন

আম-১টা
চিনি-৫-৬ চামচ
গোল মরিচ-১ চামচ
বীট লবন-১ চামচ
কাচা মরিচ-2
লবন-প্রয়োজন মত
পানি-আড়াই কাপ

প্রনালীঃ

কাচা আম কুচি কুচি করে কেটে উপকরন গুলোর সাথে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
z_604.jpg

মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব দক্ষিণ ভারত জয় করার পর সর্ব প্রথম যাত্রা শুরু হয় জিভে জল আনা সুস্বাদু বিরিয়ানির। মুঘল ও তেলেগু রান্নার সংমিশ্রনে ঐতিহাসিক হায়দ্রাবাদের তৎকালীন শাসন নিজামের রান্নাঘর থেকেই এর উত্থান।সম্রাট আওরঙ্গজেবের যুদ্ধজয়ী খাবার এখন সহজে, যুদ্ধ ছাড়াই তৈরি হতে পারে আপনার ঘরে। চলুন একবার দেখে নেয়া যাক কীভাবে সেটি হতে পারে -

উপকরণ-১:

বাসমতি চাল ২৫০ গ্রাম, কাঁচামরিচ ২টি, পুদিনা পাতা কুচি আধা কাপ, ছোট এলাচ ৪টি, শাহি জিরা আধা চা চামচ, লবণ আন্দাজমতো, সিরকা ১ টেবিল চামচ। চাল ১ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ১ লিটার পানিতে সবকিছু দিয়ে বলক উঠলে চাল দিয়ে আধাসেদ্ধ করে নিতে হবে।

উপকরণ-২:

মুরগি বড় ১টি (পিস করা), কাঁচামরিচ বাটা ১ চা চামচ, ধনেপাতা বাটা ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, ধনে ভাজা গুঁড়া ১ চা চামচ, জিরা ভাজা গুঁড়া ১ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ দিয়ে মুরগি মাখিয়ে রাখতে হবে।

উপকরণ-৩:

পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, পুদিনা পাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, তেল আধা কাপ, আদা কুচি ১ টেবিল চামচ, এলাচ ছেঁচা ২টি, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ। প্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে মুরগি এবং বাকি সব দিয়ে ২০ মিনিট রান্না করতে হবে । জাফরান আধা কাপ দুধে গুলে নিতে হবে। ঘি আধা কাপ।

প্রণালী:

প্রথমে হাঁড়িতে অর্ধেক ঘি গরম করে সেদ্ধ ভাত দিয়ে তার ওপর মুরগির রান দেবেন। এভাবে দুবার দিয়ে একদম শেষে জাফরান, বাকি ঘি ও একমুঠো বেরেস্তা ওপরে ছিটিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে সালাদ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

shahi-jorda.jpg

উপকরণঃ

পোলাও চাল আধা কেজি আধাঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে,
চিনি ৩ কাপ,
কিশমিশ আধা কাপ,
গরম মসলা,
এলাচ,
লবঙ্গ,
দারুচিনি,
কমলার রস ১ কাপ,
দারুচিনি মোরব্বা আধা কাপ,
মাওয়া আধা কাপ,
জর্দার রং আধা চা চামচ,
ঘি বা বাটার অয়েল ১ কাপ,
গুঁড়ো দুধ ২ টেবিল চামচ,
পেস্তাবাদাম স্বাদমতো,
কাজুবাদাম স্বাদমতো।

প্রণালীঃ

পরিমাণমতো পানি ফুটিয়ে নিতে হবে। পানি ফোটানোর সময় ২ টেবিল চামচ ঘি ও রং দিয়ে ফুটাতে হবে। পানিতে ভিজিয়ে রাখা চাল দিয়ে শক্ত ভাত রান্না করে নিতে হবে। ঝাঁজরিতে ভাত ঢেলে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এখন বড় পাত্রে ভাত, চিনি, গরম মসলা, গুঁড়ো দুধ, কমলার রস গরম ঘি মিশিয়ে চুলায় অল্প আঁচে বসিয়ে রাখতে হবে ঘন্টাখানেক তাওয়ার ওপর। দু-তিনবার ওপর-নিচ করে দিতে হবে হালকা হাতে। নামানোর আগে বাদাম, কিশমিশ ও মাওয়া দিয়ে নেড়ে নামাতে হবে। ছোট ছোট পানতোয়া এবং রসগোল্লা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

মাওয়াঃ

গুঁড়ো দুধ ২ টেবিল চামচ, ঘি আধা চা চামচ, গুঁড়ো চিনি ১ চা চামচ, গোলাপজল আধা চা চামচ- সব একত্রে মিলিয়ে নিতে হবে।
rs.jpg

উপকরণ

মিষ্টির জন্য:

গুড়ো দু্ধ এক কাপ
ডিম ১ টি (প্রয়োজনে আরেকটি ডিমের অর্ধেক)
ঘি ১ চা চামচ
বেকিং পাউডার ১/২ চা চামচ
ময়দা ১/২ চা চামচ

রসের জন্য:

দুধ ১ লিটার
চিনি পরিমান মত
গুড়ো দুধ/কনডেন্সড মিল্ক ১/২ কাপ (কনডেন্সড মিল্ক না খাওয়াই ভালো ভেজাল এ ভরা)
এলাচি ৩/৪ টি
দারচিনি ১ টি (ইচ্ছা)
পেস্তা বাদাম ও কিসমিস পরিমান মত (ইচ্ছা)
জাফরান ছোট এক চিমটি ১ চা চামচ গোলাপজলে ভিজানো (ইচ্ছা)

যেভাবে করবেন:

লিকুইড দুধ চুলায় বসিয়ে নাড়তে থাকুন, চিনি দিন কনডেন্সড মিল্ক ব্যবহার করলে চিনি বুঝে দিন, এবার গুড়ো দুধ/কনডেন্সড মিল্ক এবং এলাচি ও দারচিনি দিয়ে দুধ নাড়তে নাড়তে কমিয়ে প্রায় অর্ধেকের একটু বেশী থাকা অবস্থায় চুলা একদমই কমিয়ে ঢেকে রাখুন।

একটি পাত্রে গুড়ো দু্ধ, বেকিং পাউডার, ময়দা মিশিয়ে চালনি দিয়ে চেলে নিন, তারপর ঘি ও ডিম(বড় ডিম হলে ১টি দিয়েই হবে) দিয়ে সুন্দর করে মাখিয়ে একদম সফট/আঠালো টাইপ ডো বানান, যদি মনে হয় ১টি ডিম এ ডো একদম সফট/আঠালো টাইপ হয়নি তাহলে আরো একটু ডিম দিন। এবার হাতে ঘি লাগিয়ে আপনার পছন্দ মত শেপ দিন ডো টাকে, মিষ্টি বানানো শেষ হলে চুলায় থাকা দুধের আঁচ বাড়িয়ে দিন এবং সব মিষ্টি ও জাফরান দিয়ে ১০/১৫ মিনিট অল্প আঁচে রান্না করুন এবং নামিয়ে ঢেকে রাখুন। গরম ভাবটা চলে গেলে ফ্রিজে রাখুন এরপর ঠান্ডা রসমালাই পেস্তা ও কিসমিস দিয়ে পরিবেশন করুন

0111_55905.jpg

উপকরণ

১. মাংস পাতলা করে কাটা – ৮/১০ পিস
২. পাউরুটি – ৮/১০ পিস
৩. আদা ও রসুন বাটা – ১ চা চামচ
৪. পিঁয়াজ বাটা – ২ টেবিল চামচ
৫. ভিনেগার – ২ চা চামচ
৬. মরিচ গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
৭. লবণ – স্বাদমত
৮. ডিম - ১ টি
৯. তেল – পরিমাণমত
১০. বিস্কুটের গুঁড়া – ১ কাপ

প্রণালীঃ


প্রথমে মাংস গুলো ভালভাবে ধুয়ে কাটা চামচ দিয়ে ভাল করে খুচিয়ে নিতে হবে।
এবার সব মশলা ও লবণ মিশিয়ে মাংস ৪/৫ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। একটি
বাটিতে পানি নিয়ে পাউরুটি ভিজিয়ে ভালভাবে চটকে নিয়ে ভিতরে মাংসের স্লাইস
একটা একটা করে দিয়ে কাটলেট শেপ তৈরি করে নিতে হবে। এবার ডিম ফেটিয়ে তার
মধ্যে কাটলেট চুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়ায় গড়িয়ে ভাজতে হবে অল্প আঁচে। লাল করে
ভেজে গরম গরম পরিবেশন করুন।
botikabab.jpg


উপকরণঃ

১. গরুর মাংস – ১ কেজি
২. টকদই – ১/২ কাপ
৩. আদা-রসুন বাটা – ২ চা চামচ
৪. মরিচ গুঁড়া – ২ চা চামচ
৫. জিরা গুঁড়া – ১ চা চামচ
৬. ধনে গুঁড়া – ১ চা চামচ
৭. গরম মশলা গুঁড়া – ১ চা চামচ
৮. সরিষা বাটা – ১/২ চা চামচ
৯. পিঁয়াজ বাটা – ৩ চা চামচ
১০. সরিষার তেল – ১/২ কাপ
১১. কাঁচা পেঁপে বাটা – ১/২ কাপ
১২. ঘি – ২ চা চামচ
১৩. লবণ – স্বাদমত

754.jpg

প্রণালীঃ

প্রথমে মাংস ধুয়ে কিউব করে কেটে নিয়ে সব মশলা ও তেল মাখিয়ে ফ্রিজে রাখতে হবে ২ ঘণ্টা। ফ্রিজ থেকে বের করে মাংস শিকে ভরে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ওভেনে গ্রিল করতে হবে ১০ মিনিট। লালচে কালার হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলতে হবে। ওভেন ছাড়া করতে চাইলে প্যানে মাংস গুলো রেখে ঢেকে দিয়ে চুলার আঁচ মিডিয়াম রাখতে হবে। কিছুক্ষণ পর ঢাকনা তুলে এপিঠ-ওপিঠ করে লাল করে ভেজে গরম গরম পরিবেশন করুন পরোটা অথবা লুচির সাথে মজাদার বীফ বটি কাবাব।
%E0%A6%B9%E0%A6%9F-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0

উপকরণঃ

১. গরুর মাংস – ১ কেজি
২. পিঁয়াজ বাটা – ১ কাপ
৩. আদা ও রসুন বাটা – ২ চা চামচ
৪. হলুদ গুঁড়া – ১ চা চামচ
৫. মরিচ গুঁড়া – ২ চা চামচ
৬. টক দই – ২ কাপ
৭. গরম মশলা বাটা – ১ চা চামচ
৮. জিরা গুঁড়া – ১ চা চামচ
৯. তরল দুধ – ১/২ কাপ
১০. লবণ – স্বাদমত
১১. ঘি – ১ টেবিল চামচ
১২. চিনি – ১ টেবিল চামচ
১৩. শুকানা মরিচ – ১০/১২ টি
১৪. পিঁয়াজের বেরেস্তা – ১/২ কাপ
১৫. তেল – পরিমাণমত
১৬. পানি – পরিমাণমত
১৮. কিশমিশ – ১ টেবিল চামচ

প্রণালীঃ

প্রথমে মাংস ছোট ছোট করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর একটি পাত্রে মাংস নিয়ে তার মধ্যে একে একে সব গুঁড়া মশলা, বাটা মশলা (পিঁয়াজ বাটা বাদে) ও টক দই খুব ভালভাবে একসাথে মিশিয়ে ১২ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন। এজন্য সবথেকে ভাল সময় রাতে ম্যারিনেট করে ফ্রিজে রাখা যাতে সকালে রান্না করতে পারেন। তারপর প্যানে তেল গরম করে পিঁয়াজ বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে ম্যারিনেট করা মাংস দিয়ে খুব ভালভাবে কষাতে হবে। মাংস কষানো হয়ে গেলে পরিমাণমত পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করতে হবে। পানি শুকিয়ে আসলে দুধ, শুকনা মরিচ, কিশমিশ ও চিনি দিয়ে নেড়েচেড়ে আরও কিছুক্ষণ ধেকে রান্না করতে হবে। মাংস সিদ্ধ হয়ে আসলে ঝোল মাখোমাখো হলে নামিয়ে ফেলতে হবে। উপরে বেরেস্তা ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন ভাত অথবা পরোটার সাথে মজাদার শাহী বীফ কালিয়া।
picgOkZr4.jpg

উপকরণঃ

১. গরুর মাংস( হাড় ছাড়া) – ২ কেজি
২. কর্নফ্লাওয়ার – ১০০ গ্রাম
৩. ডিম – ৪ টি
৪. পিঁয়াজ ( কিউব করে কাটা) – ৫০০ গ্রাম
৫. আদা কুচি – ১ চা চামচ
৬. মরিচ গুঁড়া – ২ চা চামচ
৭. সয়াসস – ২ টেবিল চামচ
৮. ওয়েস্টার সস – ২ টেবিল চামচ
৯. লবণ – পরিমাণমত
১০. তেল – ১ কাপ
১১. বাটার/ঘি – ২ টেবিল চামচ
১২. কাঁচামরিচ – ১০/১২ টি

প্রণালীঃ

প্রথমে মাংস গুলোকে ধুয়ে ছোট ছোট করে কেটে নিয়ে ডিম ও কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে ম্যারিনেট করে নিতে হবে। মাংস গুলকে তেলে ডিপ ফ্রাই করে নিতে হবে। এবার প্যানে তেল গরম করে আদা কুচি দিয়ে নেড়েচেড়ে পিঁয়াজ দিয়ে ভাজতে হবে। হালকা ভেজে মাংস দিয়ে নাড়তে হবে। এরপর সয়াসস, ওয়েস্টার সস, লবণ ও মরিচগুঁড়া দিয়ে কিছুক্ষণ কষাতে হবে। এরপর পানি ও বাটার/ঘি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। কিছুক্ষণ পর অল্প পানিতে বাকি কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে মাংসে ভালভাবে মিশিয়ে আবারো ঢেকে দিতে হবে। সবশেষে কাঁচামরিচ ফালি দিয়ে নেড়েচেড়ে নামিয়ে ফেলুন মজাদার গ্রেভি বীফ চিলি।
amitumi_hari-kabab.jpg

উপকরনঃ

১. গরুর মাংস – ১ কেজি
২. টকদই – ১/২ কাপ
৩. আদা ও রসুন বাটা – ২ চা চামচ
৪. মরিচ গুঁড়া – ২ চা চামচ
৫. জয়ফল বাটা – ১/৪ চা চামচ
৬. জয়ত্রী বাটা – ১/ ৮ চা চামচ
৭. পিঁয়াজ কুচি – ১ কাপ
৮. গরম মশলা বাটা – ১ চা চামচ
৯. গোলমরিচ – ১০/১২ টি
১০.তেজপাতা – ১ টি
১১. শাহী জিরা – ১ চা চামচ
১২. তেল – ১/২ কাপ
১৩. লবণ – স্বাদমত
১৪. চিনি – ১ টেবিল চামচ
১৫. পানি – ২ কাপ

প্রনালিঃ

প্রথমে মাংস ১ ইঞ্চি মত স্লাইস করে শীল-পাটায় ছেঁচে নিতে হবে। মাংসে দই,
লবণ ও সব বাটা মশলা দিয়ে মাখিয়ে রাখতে হবে ৬-৭ ঘণ্টা। হাঁড়িতে তেল গরম করে
পিঁয়াজ ভেজে নিতে হবে বাদামি করে। অর্ধেক পিঁয়াজ তুলে চিনি দিয়ে মাখিয়ে
রাখতে হবে আর হাঁড়ির বাকি পিঁয়াজের মধ্যে গোলমরিচ, তেজপাতা ও শাহী জিরা
দিয়ে নেড়েচেড়ে ম্যারিনেট করা মাংস দিয়ে ভালমত কষিয়ে পানি দিয়ে মৃদু আঁচে
রান্না করতে হবে। মাংস সিদ্ধ হয়ে পানি শুকালে চিনি মাখানো বেরেস্তা দিয়ে
নেড়ে দমে রাখতে হবে কিছুক্ষণ। তেল উপরে উঠে আসলে গরম গরম পরিবেশন করুন নান অথবা পরোটার সাথে মজাদার হাঁড়ি কাবাব।
korma_826.jpg

এখন জেনে নিন কিভাবে তৈরি করবেন কাশ্মীরি কোরমা-

উপকরণ
হাড়সহ খাসির মাংস-১ কেজি
শুকনা মরিচ- ১০টি
পেঁয়াজ- ৩টি
দারুচিনি- ২ টুকরা
এলাচ- কয়েকটি
আদা-রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ
জিরা- ১ টেবিল চামচ
মাংসের মসলা- ১ টেবিল চামচ
মরিচ বাটা- ৩ টেবিল চামচ
মৌরি গুঁড়া- ১ টেবিল চামচ
তেঁতুল বাটা- ২ টেবিল চামচ
লবণ- স্বাদ মতো
তেল- প্রয়োজন মতো

প্রস্তুত প্রণালী
১। পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভাজুন।
২। ভাজা পেঁয়াজে মাংস দিয়ে ভাজুন।
৩। কিছুক্ষণ পর মাংসে আদা-রসুন বাটা, দারুচিনি, এলাচ, মৌরি গুঁড়া, জিরা ও মাংসের মসলা দিয়ে নাড়তে থাকুন।
৪। পানি দিয়ে ১৫ মিনিট রান্না করুন।
৫। মাংস ও মসলার মিশ্রণ প্রেসার কুকারে নিয়ে দুটি শিস দিন। দেখুন মাংস সেদ্ধ হয়েছে কিনা।
৬। অন্য আরেকটি পাত্রে পানি ফুটিয়ে শুকনা মরিচ সেদ্ধ করুন। সেদ্ধ হয়ে গেলে বেটে নিন মরিচ।
৭। তেঁতুল ও মরিচ বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে মাংসে দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ রান্না করুন।
৮। মাংসের পাত্র নামিয়ে ধনিয়া পাতা কুচি ছিটিয়ে পরিবেশন করুন ঝাল ঝাল কোরমা।